У нас вы можете посмотреть бесплатно ঢাবির নতুন উপাচার্য: কে এই এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম? | A B M Obaidul Islam или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
A B M Obaidul Islam-কে University of Dhaka-এর ৩১তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। বিশেষ করে তাঁর রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে, আবার যোগ্যতার দিক থেকেও অনেকেই তাঁকে উপযুক্ত বলছেন। অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম একজন পদার্থবিদ, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষকতা করছেন। এর আগে তিনি Bangladesh Open University-এর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে জন্ম নেওয়া এই শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। পরে জাপানের তোয়ামা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষকতা জীবনে তিনি দেশ-বিদেশে বিভিন্ন একাডেমিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন এবং গবেষণাতেও অবদান রেখেছেন। তবে তাঁর পরিচয়ের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো রাজনীতি। তিনি Bangladesh Nationalist Party (বিএনপি)-এর শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এবং দীর্ঘদিন ধরে বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দল’-এর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। এ কারণেই তাঁর নিয়োগকে কেন্দ্র করে “দলীয়করণ” বিতর্ক সামনে এসেছে। ২০২৬ সালের শুরুতে তৎকালীন উপাচার্য Niaz Ahmed Khan পদত্যাগ করার পর নতুন উপাচার্য হিসেবে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ নতুন এক বাস্তবতার সূচনা করেছে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাঁর সামনে রয়েছে একাধিক বড় চ্যালেঞ্জ। বিশেষ করে ছাত্র-রাজনীতি, ক্যাম্পাসের স্থিতিশীলতা, হলের সিট বণ্টন এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ছাড়া শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়ন, ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠনও তাঁর দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে একজন অভিভাবক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করাই হবে তাঁর সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। তাঁর প্রতিটি সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে University of Dhaka-এর আগামী পথচলা।