У нас вы можете посмотреть бесплатно যমুনা নদীর তীরবর্তী কুলকান্দির জন-জীবন। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
যমুনা তীরের জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি ইউনিয়নের মানুষের জীবন নদীর সাথে এক অবিচ্ছেদ্য মিতালিতে বাঁধা। এই মিতালি যেমন ভালোবাসার, তেমনি জীবন সংগ্রামের। জীবন ও জীবিকার প্রধান উৎস: যমুনা নদী কুলকান্দির মানুষের জীবনরেখা। এ অঞ্চলের মানুষের একটি বড় অংশ মৎস্যজীবী, যারা বংশপরম্পরায় নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। শুষ্ক মৌসুমে নদীর বুকে জেগে ওঠা চরে কৃষকরা নানা ধরনের ফসলের চাষাবাদ করেন। ভাঙ্গন ও গড়ার নিরন্তর খেলা: নদীর সাথে তাদের এই মিতালি অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। যমুনা প্রতিবছর কুলকান্দি সহ আশেপাশের এলাকায় তীব্র ভাঙ্গন সৃষ্টি করে। ভাঙ্গনের ফলে বসতভিটা ও আবাদি জমি হারিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েন, কিন্তু তারা এই বাস্তবতাকে মেনে নিয়েই আবার নতুন চরে বসতি গড়েন । যাতায়াত ও যোগাযোগ: যমুনা নদী এখানে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। মানুষ নৌকায় করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত এবং পণ্য পরিবহন করেন। তবে মাঝে মাঝে নৌকাডুবির মতো দুর্ঘটনা তাদের জীবনে বিষাদ নামিয়ে আনে। সংগ্রামী জীবনবোধ: কুলকান্দির মানুষ নদীর প্রতিটি রূপের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে শিখেছেন। বন্যার সময় তারা খাটিয়া বা চৌকি উঁচুতে বেঁধে কোনোমতে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে নেন । ভাঙ্গন আতঙ্কের মধ্যেও তারা নদীকে ছেড়ে দূরে কোথাও যান না, বরং নদীর সাথেই তাদের আজন্ম বসবাস। প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা: বর্ষায় যমুনার পানি বৃদ্ধি পেলে শুরু হয় তীব্র নদীভাঙন। সরকারিভাবে জিও ব্যাগ ফেলে বা বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে ভাঙ্গন রোধের চেষ্টা করা হলেও যমুনার প্রবল স্রোতের কাছে তা অনেক সময় ব্যর্থ হয়।