У нас вы можете посмотреть бесплатно ঐতিহাসিক সোনাকান্দা হাট или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত সোনাকান্দা হাট এলাকার একটি ঐতিহ্যবাহী এবং প্রাণবন্ত জায়গা। শীতলক্ষ্যার তীরে ঐতিহ্যের মেলা: সোনাকান্দা হাট নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে সোনাকান্দা দুর্গ। আর এই দুর্গের পাশেই প্রতি সপ্তাহে বসে এক জমজমাট হাট— যা স্থানীয়দের কাছে সোনাকান্দা হাট নামে পরিচিত। আপনি যদি খাঁটি দেশি আমেজ এবং গ্রামীণ কেনাকাটার অভিজ্ঞতা নিতে চান, তবে এই হাট আপনার জন্য একটি আদর্শ গন্তব্য। ১. কেন বিখ্যাত এই হাট? সোনাকান্দা হাট মূলত এর বিশালতা এবং বিচিত্র পণ্যের জন্য পরিচিত। নদীপথ ও সড়কপথ— উভয় দিক দিয়ে যাতায়াতের সুবিধা থাকায় এখানে দূর-দূরান্ত থেকে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা আসেন। বিশেষ করে তাজা মাছ, টাটকা শাক-সবজি এবং গৃহস্থালি পণ্যের জন্য এই হাটের সুখ্যাতি রয়েছে। ২. হাটের পরিবেশ ও অভিজ্ঞতা হাটে ঢোকার সাথে সাথেই আপনার কানে আসবে বিক্রেতাদের হাঁকডাক আর ক্রেতাদের দরদামের গুঞ্জন। নদীর হিমেল হাওয়া আর খোলা প্রান্তরে কেনাকাটার অভিজ্ঞতা একদম অন্যরকম। • মাছের বাজার: নদীর ইলিশ, বোয়াল বা দেশি শোল-টাকি মাছের বিশাল সমারোহ দেখা যায় এখানে। • হস্তশিল্প: বাঁশ ও বেতের তৈরি ডালা, কুলা এবং মাটির তৈজসপত্রের এক বড় সংগ্রহ পাওয়া যায়, যা বর্তমান সময়ে বেশ দুর্লভ। • খাবার-দাবার: হাটে কেনাকাটা করতে এসে গরম গরম জিলাপি, মোয়া, শরবত বা স্থানীয় স্ট্রিট ফুড না খেলে অভিজ্ঞতা অপূর্ণ থেকে যায়। ৩. আশেপাশের দর্শনীয় স্থান সোনাকান্দা হাটে গেলে কেবল কেনাকাটাতেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না। হাটের পাশেই রয়েছে মোঘল স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন সোনাকান্দা জলদুর্গ। হাট ঘোরা শেষ করে বিকেলের নরম আলোয় দুর্গের দেয়ালে বসে শীতলক্ষ্যার রূপ উপভোগ করা এক প্রশান্তির কাজ। ৪. কীভাবে যাবেন? নারায়ণগঞ্জ সদর থেকে ট্রলারে নদী পার হয়ে বন্দর খেয়াঘাট থেকে খুব সহজেই রিকশা বা অটোতে সোনাকান্দা হাটে পৌঁছানো যায়। এছাড়া ঢাকা থেকেও সরাসরি বাসে করে মদনপুর হয়ে বন্দরে আসা সম্ভব। পরামর্শ: হাটের আসল রূপ দেখতে হলে একটু সকাল সকাল যাওয়াই ভালো। কারণ দুপুরের পর ভিড় যেমন বাড়ে, তেমনি ভালো মানের তাজা পণ্যগুলোও শেষ হয়ে যায়।