У нас вы можете посмотреть бесплатно দিগ্বিজয়ের শেষ সন্ধ্যেঃ আলেকজান্ডারের প্রত্যাবর্তন или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
আলেকজান্ডার যখন ইউরোপ ও এশিয়ার বহু রাজ্য পেরিয়ে পূর্ব দিগন্তের দিকে এগিয়ে এলেন, তাঁর মনে তখন জ্বলে উঠেছিল পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত জয়মালা গেঁথে ফেলার স্বপ্ন । গঙ্গা–সিন্ধু সভ্যতার অচেনা আলো, অরণ্যের গন্ধ আর অজানা যুদ্ধহাতির খবর তাঁর কানে পৌঁছে এক অদম্য কৌতূহলের জন্ম দিলেও, একই সঙ্গে সৈন্যদের অন্তরে বুনে দিল অদৃশ্য এক ভয়ের বীজ । বৃষ্টিভেজা পথ, দীর্ঘ বছরের রক্তমাখা যাত্রা আর বাড়ি ফেরা না-পারা ক্লান্তি যখন কাঁধে কাঁধে জমে পাথর হয়ে উঠল, তখন হাইফাসিস নদীর তীরে দাঁড়িয়ে সৈন্যরা গোপনে না, সরাসরি ঘোষণা করল—আর নয়, ভারতের সেই অজেয় হাতি আর অমিত সৈন্যসেনার দিকে এক কদমও তারা যাবে না । সম্রাটের চোখে তখনও দূরের অদেখা সমুদ্রের নীল আগুনের মতো জ্বলে উঠছিল নতুন জয়ের স্বপ্ন, কিন্তু সঙ্গীদের অবিচল অস্বীকৃতির সামনে তিনি প্রথমবার বুঝলেন, সাম্রাজ্যের সীমা কখনো কখনো মানচিত্রে নয়, মানুষের ক্লান্ত হৃদয়ের ভেতরেই নির্ধারিত হয়ে যায় । শেষ পর্যন্ত আকাশভরা বৃষ্টির শব্দ আর পরাজিত নীরবতার মাঝখানে আলেকজান্ডার ফিরে যাওয়ার আদেশ দিলেন; ভারতের গঙ্গার জল ছুঁয়ে না গিয়েই তাঁকে পেছন ঘুরতে হলো, আর ইতিহাসের বুকেও রয়ে গেল সেই অপূর্ণ যাত্রার নরম ব্যথা—যেখানে বিজেতা সম্রাটের চেয়েও শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল তার নিজেরই যুদ্ধশ্রান্ত মানুষদের নীরব, কিন্তু অটল না–বলার সাহস ।