У нас вы можете посмотреть бесплатно এক নজরে হজ্ব ও ওমরাহ্ | অধ্যাপক মফিজুর রহমান или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
হজের প্রকারভেদ ১. ইফরাদ : শুধু হজের নিয়তে ইহরাম ধারণ করে ওই ইহরামেই হজকার্য সম্পন্ন করা। ২. তামাত্তু : শুধু ওমরাহর নিয়তে ইহরাম ধারণ করে ওমরাহর কাজ সমাপ্ত করে মাথা মুণ্ডন করে ইহরাম থেকে মুক্ত হওয়া। অতঃপর ওই সফরেই হজের নিয়তে ইহরাম বেঁধে হজকার্য সম্পাদন করা। ৩. কিরান : একসঙ্গে ওমরাহ ও হজের নিয়তে ইহরাম ধারণ করে ওই একই ইহরামে ওমরাহ ও হজ পালন করা। এই তিন প্রকারের মধ্যে উত্তম হলো কিরান। কিন্তু ইহরাম দীর্ঘায়িত হওয়ার কারণে নিষেধাজ্ঞাবলি সঠিকভাবে মেনে চলতে না পারার আশঙ্কা থাকলে হজে তামাত্তুই উত্তম। (ফাতাওয়া শামি : ২/৫২৯) হজ ও জাকাতের ফরজের পার্থক্য জাকাত ফরজ ও হজ ফরজের মধ্যে পার্থক্য হলো, জাকাত সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর এক বছর গত হলে ফরজ হয়। এর মধ্যে যদি বছর শেষ হওয়ার পূর্বে সম্পূর্ণ সম্পদ ধ্বংস হয়ে যায় বা জাকাতের নির্ধারিত পরিমাণ থেকে কম হয়ে যায়, তাহলে জাকাত ওয়াজিব হবে না। তবে হ্যাঁ, যদি সম্পদ নিসাব (জাকাত ফরজ হওয়া পরিমাণ) পরিমাণ হয়ে বছর গত হয়, তখন জাকাত ওয়াজিব হবে। এভাবে যতকাল পর্যন্ত জাকাতের নিসাব পরিমাণ সম্পদ বহাল থাকবে, প্রতিবছর জাকাত আদায় করতে হবে। পক্ষান্তরে হজ হওয়ার বিষয়ে বক্তব্য হলো, মক্কা শরিফে যাওয়া-আসা, থাকা-খাওয়া, কোরবানি ইত্যাদি যাবতীয় খরচ এবং বাড়ি ফেরা পর্যন্ত পরিবারের যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করার ক্ষমতা কারো থাকলে তার ওপর হজ ফরজ হয়। এই পরিমাণ অর্থের মালিক যদি জীবনে একবারও হয়, এরপর তা কোনো কাজে ব্যয় হয় অথবা চুরি হয়ে যায়, তাহলেও হজের ফরজ তার ওপর বহাল থাকবে। এমনকি ভবিষ্যতে মৃত্যু পর্যন্তও যদি সে এই পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করতে সক্ষম না হয়, তাহলে হজের ফরজ তার জিম্মায় বহাল থাকবে। মৃত্যুর সময় অসিয়ত করে যাওয়া তার জন্য আবশ্যক হবে। যেন তার মৃত্যুর পর তার পরিত্যক্ত সম্পত্তি হতে শরিয়ত মোতাবেক বদলি হজ করানো হয়। তা ছাড়া হজ সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর জীবনে একবার ফরজ হয় আর জাকাত সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর প্রতিবছর ফরজ হয়। (মুকাম্মাল মুদাল্লাল মাসায়েলে হজ---- ও উমরাহ : ৫৪) অবৈধভাবে দখল করা সম্পদ দ্বারা হজ করা যাবে কি না অন্যের সম্পদ জবরদখল করে মালিক হওয়া কবিরা গুনাহ ও মারাত্মক অপরাধ। তাই ওই ব্যক্তি হজের লাভ ও উদ্দেশ্য থেকে বঞ্চিত হবে। কারণ হাদিস শরিফে আছে, এক ব্যক্তি বহুদূর থেকে সফর করে বায়তুল্লাহ শরিফে পৌঁছে, যার চুলগুলো এলোমেলো এবং শরীর ময়লাযুক্ত, সে সেখানে ‘হে আমার প্রতিপালক! হে আমার প্রতিপালক! বলে চিৎকার করে দোয়া করে, অথচ তার অন্ন, বস্ত্র ও খাদ্যসামগ্রী—সবই হারাম, তাহলে কিভাবে তার দোয়া কবুল হবে? অতএব, হজে যাওয়ার আগে নিচের বিষয়গুলোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত— ১. কারো কোনো হক বা পাওনা থাকলে তা আদায় করা। ২. কারো আমানত (গচ্ছিত সম্পদ) থাকলে তা পরিশোধ করা। ৩. কারো কোনো জিনিস অবৈধভাবে দখল করলে বা আটকে রাখলে তা ফেরত দেওয়া, অন্যথায় তা শুধু নামের হজ হবে। (ফতোয়ায়ে রহিমিয়া : ৩/১১৬)