У нас вы можете посмотреть бесплатно বায়ুমণ্ডল : উপাদান, গঠন, তাপমাত্রা, চাপ, বায়ু প্রবাহ এবং বৃষ্টিপাত | Atmosphere | или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
বায়ুমণ্ডল : উপাদান, গঠন, তাপমাত্রা, চাপ, বায়ু প্রবাহ এবং বৃষ্টিপাত,( Amosphere: composition, structure, temperature, pressure, wind system and precipitation) ১. বায়ুমণ্ডলের সংজ্ঞা (Definition of Atmosphere) পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির আকর্ষণে ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০,০০০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত যে অদৃশ্য বায়বীয় পদার্থের আবরণ পৃথিবীকে বেষ্টন করে রয়েছে, তাকে বায়ুমণ্ডল বলে। অস্তিত্ব: বায়ুমণ্ডল চোখে দেখা যায় না, তবে গাছের পাতা নড়লে বা ঝড় হলে আমরা তা অনুভব করি। ধর্ম: বর্ণ বা গন্ধহীন হলেও বায়ুর ওজন, আয়তন ও প্রবাহ আছে। বিস্তার: আবহবিদ হিডোর ও অলিভারের মতে এর ঊর্ধ্বসীমা ১০,০০০ কিমি। তবে বিজ্ঞানী স্ট্রলারের মতে, বায়ুমণ্ডলের মোট উপাদানের ৯৭% ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৩০ কিমি উচ্চতার মধ্যে সীমাবদ্ধ। ২. বায়ুমণ্ডলের উপাদান (Composition of Atmosphere): বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন উপাদানের একটি যৌগিক মিশ্রণ। এটি প্রধানত তিন প্রকার উপাদানে গঠিত: (i) গ্যাসীয় উপাদান (Gaseous Elements): বায়ুমণ্ডলের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো গ্যাস। প্রধান গ্যাস: নাইট্রোজেন ($78.08\%$) ও অক্সিজেন ($20.94\%$)। নিষ্ক্রিয় গ্যাস: আর্গন ($0.93\%$), নিওন, হিলিয়াম, ক্রিপ্টন প্রভৃতি। স্বল্পমাত্রার গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস: কার্বন ডাই-অক্সাইড ($0.035\%$), ওজোন, মিথেন ও হাইড্রোজেন। এগুলি জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখে। (ii) জলীয় বাষ্প (Water Vapour): জলাশয় ও উদ্ভিদ থেকে বাষ্পীভবনের মাধ্যমে এটি বায়ুমণ্ডলে মেশে।বায়ুর মোট ভরের মাত্র 0.25% জলীয় বাষ্প। এর ৯০% অবস্থান করে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬ কিমি উচ্চতার মধ্যে।এটি বৃষ্টি, মেঘ, তুষারপাত ও কুয়াশা সৃষ্টিতে সাহায্য করে এবং বায়ুর উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণ করে। (iii) ধূলিকণা (Dust Particles): বায়ুমণ্ডলে ভাসমান অতি ক্ষুদ্র খনিজ কণা, সমুদ্রের লবণ কণা ও ধোঁয়া ধূলিকণা হিসেবে পরিচিত। ৩. বায়ুমণ্ডলের স্তরবিন্যাস (Layers of the Atmosphere): উপাদান এবং উষ্ণতার তারতম্য অনুযায়ী বায়ুমণ্ডলকে বিভিন্ন স্তরে ভাগ করা হয়। ক) রাসায়নিক গঠন অনুসারে স্তরবিন্যাস: ১. সমমন্ডল (Homosphere): ভূপৃষ্ঠ থেকে ৮০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে গ্যাসের অনুপাত প্রায় সমান থাকে। ২. বিষমমন্ডল (Heterosphere): ৮০ কিমি থেকে ১০,০০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে গ্যাসীয় উপাদানের অনুপাত সমান থাকে না। একে ৪টি উপস্তরে ভাগ করা হয়: আণবিক নাইট্রোজেন স্তর (৮০-২০০ কিমি) পারমাণবিক অক্সিজেন স্তর (২০০-১,১০০ কিমি) হিলিয়াম স্তর (১,১০০-৩,৫০০ কিমি) হাইড্রোজেন স্তর (৩,৫০০-১০,০০০ কিমি) খ) উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে স্তরবিন্যাস: ১. ট্রপোস্ফিয়ার (Troposphere): সর্বনিম্ন স্তর (গড় উচ্চতা নিরক্ষীয় অঞ্চলে ১৮ কিমি, মেরুতে ৮ কিমি)। এখানে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি হয় বলে একে 'ক্ষুব্ধমন্ডল' বলে। উচ্চতা বাড়লে তাপমাত্রা কমে (প্রতি কিমি-তে 6.40 C)। ট্রপোপজ: ট্রপোস্ফিয়ারের উপরের সীমাকে ট্রপোপজ বলা হয়। এই অঞ্চলে তাপমাত্রা স্থির থাকে এবং এর ওপরে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তর শুরু হয়। ২. স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার (Stratosphere): ট্রপোপজের ওপর থেকে ৫০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে মেঘ-বৃষ্টি নেই বলে এটি 'শান্তমন্ডল'। এই স্তরে ২০-৩৫ কিমি উচ্চতায় ওজোন স্তর থাকে যা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে। এর ঊর্ধ্বসীমা স্ট্র্যাটোপজ। ৩. মেসোস্ফিয়ার (Mesosphere): ৮০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। উচ্চতা বাড়লে উষ্ণতা হ্রাস পায়। এর ঊর্ধ্বসীমা মেসোপজ। ৪. আয়নোস্ফিয়ার (Ionosphere): মেসোপজের ওপর থেকে ৫০০ কিমি পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে গ্যাসীয় কণাগুলি আয়নিত অবস্থায় থাকে। এখান থেকে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয় এবং মেরু অঞ্চলে মেরুজ্যোতি দেখা যায়। ৫. এক্সোস্ফিয়ার (Exosphere): ৫০০-৭০০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত বিস্তৃত। বায়ু অত্যন্ত হালকা। ৬. ম্যাগনেটোস্ফিয়ার (Magnetosphere): বায়ুমণ্ডলের সর্বশেষ স্তর। এখানে ইলেকট্রন ও প্রোটনের প্রভাবে একটি স্থায়ী চুম্বকীয় ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।