У нас вы можете посмотреть бесплатно জ্বলছে আগুন;পুড়ছে মানুষ; হাসছে ফানুস দেখার কেউ নাই|ওরা শ্রমিক হয়েই কি করেছিল ভুল ভাই!মরতে হবে তাই! или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
গত ২৬ জানুয়ারি ভোরের দিকে দক্ষিণ কলকাতার আনন্দপুর থানার অন্তর্গত নাজিরাবাদ এলাকায় একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ১. ঘটনার বিবরণ সময়: ২৬ জানুয়ারি রাত ২:৩০ থেকে ৩:০০টের মধ্যে এই আগুন লাগে। স্থান: আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকা (এটি নরেন্দ্রপুর থানার অন্তর্ভুক্ত এলাকা হিসেবেও চিহ্নিত)। সেখানে দুটি বড় গুদাম ছিল—একটি ডেকোরেটরের গুদাম এবং অন্যটি একটি জনপ্রিয় খাবার চেইন সংস্থার(Wow! Momo)স্টোর-হাউস। হতাহতের সংখ্যা: সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১ জনে দাঁড়িয়েছে। আরও প্রায় ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। অধিকাংশ শ্রমিকই রাতে গুদামের ভেতরে ঘুমাচ্ছিলেন, ফলে বের হওয়ার সুযোগ পাননি। ২. ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃতি গুদাম দুটিতে প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ যেমন—থার্মোকল, শুকনো খাবার, সফট ড্রিংকসের বোতল এবং প্লাস্টিক মজুত ছিল। এর ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং বিধ্বংসী রূপ নেয়। ১৫টিরও বেশি দমকলের ইঞ্জিন টানা কয়েক দিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সরু গলি হওয়ার কারণে দমকল কর্মীদের ভেতরে ঢুকতে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ৩. তদন্ত ও বর্তমান পরিস্থিতি তদন্ত: প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, একটি গুদামে রান্নার ওভেন বা শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছিল। ফরেনসিক দল ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করেছে। আইনি পদক্ষেপ: পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা না থাকা এবং অবহেলার কারণে পুলিশ গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করেছে। ক্ষতিপূরণ: রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করা হয়েছে। শনাক্তকরণ: দেহগুলি এতটাই পুড়ে গেছে যে পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ (DNA) টেস্ট করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় উত্তেজনা এড়াতে এবং উদ্ধারকাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ১৬৩ ধারা (পুরানো ১৪৪ ধারা) জারি করা হয়েছে। আপনি কি এই ঘটনার নির্দিষ্ট কোনো আপডেট বা নিখোঁজ ব্যক্তিদের সম্পর্কে আর কোনো তথ্য জানতে চান? হ্যা আনন্দপুরের নাজিরাবাদ অগ্নিকাণ্ড নিয়ে বর্তমানে উদ্ধারকাজ এবং তদন্তের যে সর্বশেষ আপডেটগুলো পাওয়া গেছে, তা নিচে দেওয়া হলো: উদ্ধারকাজ ও নিখোঁজদের পরিস্থিতি শনাক্তকরণ প্রক্রিয়া: উদ্ধার হওয়া দেহগুলো এতটাই পুড়ে গেছে যে খালি চোখে চেনার উপায় নেই। তাই পুলিশ এবং ফরেনসিক বিভাগ ডিএনএ (DNA) পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার কাজ শুরু করেছে। নিখোঁজ ২৭ জনের পরিবারের সদস্যদের রক্ত সংগ্রহ করে লাশের ডিএনএ-র সাথে মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ: ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ এখনও চলছে। রোবট এবং ড্রোন ব্যবহার করে দেখা হচ্ছে ভেতরে আর কোনো দেহ আটকে আছে কি না। তদন্তের গতিপ্রকৃতি মালিকের বয়ান: ধৃত গুদাম মালিক গঙ্গাধর দাসকে জেরা করে জানা গেছে, গুদাম দুটিতে কোনো অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা (Fire License) ছিল না। এমনকি সেখানে ঢোকা-বেরোনোর পথ অত্যন্ত সরু থাকায় শ্রমিকরা পালানোর সুযোগ পাননি। ফরেনসিক রিপোর্ট: প্রাথমিক ফরেনসিক রিপোর্ট অনুযায়ী, আগুনের শিখা প্রথম Wow! Momo-র স্টোর-হাউস থেকে শুরু হয়েছিল, যেখানে রান্নার জন্য প্রচুর গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ছিল। বর্তমান প্রশাসনিক অবস্থা নিষেধাজ্ঞা: ঘটনাস্থলের ৫০০ মিটারের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশে এখনও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এলাকাটি পুলিশি পাহারায় ঘিরে রাখা হয়েছে। সহায়তা কেন্দ্র: নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য স্থানীয় আনন্দপুর থানায় একটি হেল্পডেস্ক খোলা হয়েছে। সেখানে পরিবারের সদস্যরা ছবি এবং পরিচয়পত্র দিয়ে খোঁজ নিতে পারছেন। আপনি যদি নিখোঁজ নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম বা আপনার পরিচিত কারো বিষয়ে খোঁজ করতে চান, তবে আমাকে জানাতে পারেন। আমি সিস্টেমের সর্বশেষ তথ্য দেখে আপনাকে সাহায্য করার চেষ্টা করব। আমি কি আপনার জন্য নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকা বা হেল্পলাইন নম্বর সংক্রান্ত কোনো তথ্য খুঁজব? আমি এই ব্যাপারে একটি খবর প্রতিবেদন বার করার চেষ্টা করছি আপনার প্রতিবেদনটি তৈরি করতে সাহায্য করার জন্য আমি একটি খসড়া কাঠামো (Draft) তৈরি করে দিচ্ছি। আপনি আপনার প্রয়োজনমতো এটি পরিবর্তন বা পরিমার্জন করতে পারেন। প্রতিবেদন: আনন্দপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড—ছাইয়ের স্তূপে হারালো ২১টি প্রাণ নিজস্ব সংবাদদাতা, আনন্দপুর: ২৬শে জানুয়ারি, যখন সারা দেশ উৎসবে মগ্ন, ঠিক তখনই দক্ষিণ কলকাতার আনন্দপুর থানার নাজিরাবাদ এলাকায় নেমে এল অন্ধকারের কালো ছায়া। গভীর রাতে একটি ডেকোরেটর এবং একটি নামী খাদ্য প্রস্তুতকারক সংস্থার গুদামে লাগা ভয়াবহ আগুনে প্রাণ হারালেন অন্তত ২১ জন শ্রমিক। এখনও নিখোঁজ প্রায় ২৭ জন। অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ও ধ্বংসলীলা রাত তখন আনুমানিক আড়াইটে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে বিকট শব্দ এবং তারপরেই আকাশছোঁয়া আগুনের শিখা দেখতে পান। দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা গুদামে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা শ্রমিকদের বাঁচার কোনো সুযোগই ছিল না। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ১৫টি দমকলের ইঞ্জিন দীর্ঘ চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তদন্তে উঠে আসা চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ওই গুদাম দুটিতে ছিল না কোনো বৈধ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। দমকলের প্রবেশাধিকারের জন্য পর্যাপ্ত রাস্তাও ছিল না সেখানে। পুলিশ ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের মতে: গুদামে প্রচুর পরিমাণে প্লাস্টিক, থার্মোকল এবং রান্নার সিলিন্ডার মজুত ছিল। শর্ট সার্কিট বা রান্নার উনুন থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অবৈধভাবে গুদাম পরিচালনার অভিযোগে মালিক গঙ্গাধর দাসকে পুলিশ ইতিমধেই গ্রেফতার করেছে। পরিবার ও প্রশাসনের বর্তমান অবস্থান মৃতদেহগুলি এতটাই দগ্ধ যে চেনার উপায় নেই। বর্তমানে এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে ডিএনএ (DNA) পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে। প্রিয়জনদের সন্ধানে হাহাকার করছে নিখোঁজ ২৭ জনের পরিবার। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এবং এলাকায় বর্তমানে ১৬৩ ধারা জারি রয়েছে।