У нас вы можете посмотреть бесплатно গোপালগঞ্জের নিরব বিপ্লব !! ধানের চারায় কোটি টাকার অর্থনীতি !! Biggest Rice Tree Market in Bangladesh или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
গোপালগঞ্জ জেলা সদর থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে উলপুর ইউনিয়নের এক অজপাড়া গ্রাম—রাউৎখামার। মানচিত্রে হয়তো নামটা খুব বড় করে লেখা নেই, কিন্তু কৃষির ইতিহাসে এই গ্রাম আজ এক নীরব বিপ্লবের প্রতীক। কোনো সরকারি প্রকল্প, কোনো ভর্তুকি বা বিশেষ সহায়তা ছাড়াই এখানকার কৃষকেরা নিজেদের শ্রম, মেধা আর অভিজ্ঞতা দিয়ে গড়ে তুলেছেন একটি টেকসই কৃষি অর্থনীতি। রাউৎখামার গ্রামের প্রায় ২০০টি পরিবার বছরের পর বছর ধরে ইরি ধানের চারা উৎপাদন ও বিক্রি করে আসছে। শুধু নিজেদের এলাকার চাহিদা নয়—গোপালগঞ্জ জেলার সব উপজেলা ছাড়িয়ে এই চারার চাহিদা ছড়িয়ে পড়েছে পাশের জেলা মাদারিপুর, বাগেরহাট, নড়াইল ও খুলনা পর্যন্ত। প্রতি বছর এই একটি গ্রাম থেকেই ইরি ধানের চারা বিক্রি হয় প্রায় কোটি টাকার, যা নিঃসন্দেহে গ্রামীণ অর্থনীতির এক বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত। এই চারার প্রধান বিপণনকেন্দ্র হলো কাশিয়ানি উপজেলার ঐতিহ্যবাহী রামদিয়া হাট। প্রতি সপ্তাহে সোমবার ও বৃহস্পতিবার এই হাটে গোপালগঞ্জের বিভিন্ন গ্রাম থেকে কৃষকেরা ধানের চারা নিয়ে আসেন। তবে রাউৎখামারের চারার সুনাম আলাদা করে চোখে পড়ে। শুধু ধানের চারা বিক্রিই হয় এই হাটে, আর প্রতি হাটবারে লেনদেন হয় প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা। শত বছরের বেশি পুরোনো এই রামদিয়া হাট আজ গোপালগঞ্জ জেলার সবচেয়ে বড় ধানের চারা বিক্রির হাট হিসেবে পরিচিত। রাউৎখামারের এই সাফল্যের পেছনে নেই আধুনিক যন্ত্রনির্ভর কৃষি বা বড় কোনো পুঁজির বিনিয়োগ। আছে সঠিক সময়ের চারা প্রস্তুত, উন্নত বীজ নির্বাচন, মাঠভিত্তিক অভিজ্ঞতা আর পারস্পরিক সহযোগিতা। এখানকার কৃষকেরা জানেন—ভালো ফলনের শুরু ভালো চারায়। তাই তারা চারা উৎপাদনে কোনো আপস করেন না। এই মানের ধারাবাহিকতাই তাদের চারাকে বাজারে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।