У нас вы можете посмотреть бесплатно বাজারের মতো টক-ঝাল কাশ্মীরি আমের আচার এখন ঘরে! ফ্রিজে রাখলে ৬ মাস থাকবে ফ্রেশ | Global Food Discover или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
বাজারের মতো টক-ঝাল কাশ্মীরি আমের আচার এখন ঘরে! ফ্রিজে রাখলে ৬ মাস থাকবে ফ্রেশ ভূমিকা আমের আচার—একটি এমন স্বাদের জাদু যা আমাদের প্রতিটি বাঙালি পরিবারের রান্নাঘরে চিরকালীন অবস্থান করে আসছে। সময়ের সঙ্গে বদলেছে স্বাদ, উপকরণ আর রূপ। তবে কাশ্মীরি আমের আচার তার টক, ঝাল, ঝাঁঝালো স্বাদের জন্য আজও স্বকীয়তা বজায় রেখেছে। কাশ্মীরি লাল মরিচের উষ্ণতা, মেথির দানা, সরষের তেল আর টক আম—সব মিলিয়ে এই আচার যেন এক অব্যর্থ কাব্য! আর সুখবর হলো, এই স্বাদ আর শুধুই বাজার থেকে কিনতে হবে না—ঘরেই বানিয়ে ফেলা যাবে স্বাস্থ্যসম্মত, সংরক্ষণযোগ্য এবং সুস্বাদু কাশ্মীরি আমের আচার। এই লেখায় থাকছে এই আচারের বিশদ রেসিপি, প্রয়োজনীয় উপকরণ, প্রস্তুতির ধাপ, সংরক্ষণের কৌশল, স্বাদ ঠিক রাখার টিপস, স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং ঘরোয়া এই উদ্যোগে সফল হওয়ার নানা উপায়। ১. কাশ্মীরি আমের আচারের সংক্ষিপ্ত পরিচয় কাশ্মীরি আমের আচার মূলত উত্তর ভারতীয় একটি জনপ্রিয় আচার ধরনের মধ্যে পড়ে। এতে ব্যবহৃত হয় কাশ্মীরি লাল মরিচ, যা ঝাল কম কিন্তু রঙে উজ্জ্বল এবং স্বাদে অনন্য। টক দারুনভাবে ব্যালান্স করে ঝাল ও মিষ্টতার সঙ্গে। এটি সাধারণত সরষের তেল, মেথির দানা, মৌরি, কালো জিরে, হিং, আদা ও রসুন দিয়ে তৈরি করা হয়। এই আচারের বিশেষত্ব: ঝাঁঝালো স্বাদ কাশ্মীরি মরিচের কারণে টক-ঝাল-মিষ্টি স্বাদের পারফেক্ট মিশ্রণ দীর্ঘদিন সংরক্ষণের উপযোগী রুটি, পরোটা, ভাত—সব কিছুর সঙ্গেই মানানসই ২. উপকরণ (১০০০ গ্রাম কাঁচা আমের জন্য) উপকরণ পরিমাণ কাঁচা আম ১ কেজি কাশ্মীরি লাল মরিচ গুঁড়ো ৫০ গ্রাম হলুদ গুঁড়ো ২ চা চামচ মেথি দানা ২ টেবিল চামচ মৌরি (সৌফ) ২ টেবিল চামচ কালো জিরে ১ টেবিল চামচ সরষের তেল ২৫০ মিলি হিং ১/২ চা চামচ আদা-রসুন বাটা ৩ টেবিল চামচ নুন ৩ টেবিল চামচ ভিনিগার (ঐচ্ছিক) ২ টেবিল চামচ চিনির গুঁড়ো (ঐচ্ছিক) ১ টেবিল চামচ ৩. প্রস্তুতির ধাপ ধাপ ১: আম ধোয়া ও কাটা কাঁচা, টক আম নির্বাচন করুন—যতটা সম্ভব আঁশবিহীন। ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন। ভালোভাবে ধুয়ে রোদে বা পাখার নিচে রেখে শুকিয়ে নিন যাতে পানিশূন্য হয়। পানির অস্তিত্ব আচারের আয়ু কমিয়ে দিতে পারে। ধাপ ২: মশলা রোস্ট ও গুঁড়া মেথি, মৌরি, কালো জিরে শুকনো কড়াইয়ে হালকা রোস্ট করুন। ঠান্ডা হলে মিক্সারে মোটা করে গুঁড়া করুন। ধাপ ৩: তেল গরম ও মশলা ভাজা সরষের তেল গরম করুন, ধোঁয়া উঠলে নামিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে তাতে হিং, আদা-রসুন বাটা দিন। এরপর কাশ্মীরি মরিচ গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া দিয়ে নাড়ুন। গুঁড়া করা রোস্ট মশলা দিন। ধাপ ৪: আম মেশানো এই মশলার মিশ্রণে আম মিশিয়ে নিন। ভালোভাবে হাত বা কাঠের চামচ দিয়ে নেড়ে মশলা আমে লেগে গেলে নুন ও ভিনিগার মেশান। চাইলে সামান্য চিনি দিন স্বাদ ব্যালান্স করতে। ধাপ ৫: বোতলে ভরা ও সংরক্ষণ পরিষ্কার, শুকনো কাচের বোতলে পুরে দিন। ৩ দিন রোদে দিন বোতল ঢেকে। এরপর ফ্রিজে রাখলে ৬ মাস পর্যন্ত ফ্রেশ থাকবে। ৪. সংরক্ষণের টিপস ব্যবহারের সময় শুকনো চামচ ব্যবহার করুন। রোদ না পেলে বোতলটি একটি উষ্ণ জায়গায় রাখুন ৩–৪ দিন। মাঝে মাঝে বোতল নাড়িয়ে দিন যাতে তেল সব জায়গায় পৌঁছায়। তেল আচারের উপর যেন সবসময় থাকে, না হলে ছাঁচ পড়ে যাবে। ৫. স্বাদের টিপস চিনি পরিমাণমতো দিলে এক ঝটকায় টক-ঝাল-মিষ্টি স্বাদ পাওয়া যায়। কাশ্মীরি মরিচের সঙ্গে সামান্য শুকনো লঙ্কা দিলে বাড়তি ঝাঁজ আসে। একটু কালোজিরে ও পেঁয়াজবাটা দিলে নতুন স্বাদে ভিন্নতা আসে। ৬. উপকারিতা হজমে সহায়ক: মৌরি, মেথি, আদা হজমে সাহায্য করে। প্রাকৃতিক সংরক্ষণকারী: ভিনিগার ও সরষের তেল প্রাকৃতিকভাবে সংরক্ষণে সাহায্য করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর: কাশ্মীরি লঙ্কা ও আমে থাকে ভিটামিন C। ৭. সমস্যা ও সমাধান সমস্যা সমাধান আচারে ফাংগাস বা ছাঁচ পড়ে যাচ্ছে পানিশূন্য আম ব্যবহার করুন, তেল যেন ঢেকে রাখে আচারে গন্ধ হয়ে যাচ্ছে পুরনো তেল বা ভেজা বোতল ব্যবহার না করুন স্বাদ তেমন লাগছে না রোস্ট মশলা ঠিকভাবে ব্যবহার করুন ৮. ব্যক্তিগত টিপস ও গল্প আমার মা যখন প্রথম কাশ্মীরি আমের আচার বানাতেন, তখন বাড়ি জুড়ে থাকত তেলের ঘ্রাণ আর লঙ্কার ঝাঁজ। এই আচারের স্বাদে এখনো সেই শৈশবের স্মৃতি লুকিয়ে। আপনি যদি একবার বানান, দেখবেন বাজারের চেয়ে অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর ও স্বাদের এই আচার বানাতে পেরে আপনি গর্বিত হবেন। উপসংহার কাশ্মীরি আমের আচার বানানো মোটেই কঠিন কিছু নয়। বরং একটু সময়, যত্ন আর ভালোবাসা থাকলেই আপনি নিজেই হয়ে উঠতে পারেন আচারের কারিগর। বাজারের রাসায়নিক মিশ্রণযুক্ত আচারের পরিবর্তে ঘরে তৈরি এই স্বাস্থ্যকর, সুস্বাদু এবং দীর্ঘস্থায়ী আচারের স্বাদ আপনার পরিবার ও অতিথিদের মুখে হাসি ফোটাবে। আপনার ঘরের মশলা দিয়েই হোক এবার রেস্তোরাঁ-স্টাইলের আচার তৈরির শুরু। হাতে সময় থাকলে একবার ট্রাই করেই দেখুন—ফ্রিজে ৬ মাস ফ্রেশ থাকবে এই অসাধারণ কাশ্মীরি আমের আচার!