У нас вы можете посмотреть бесплатно "বধূ কোন আলো লাগল চোখে" ।।অর্পিতা ঘোষ।। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
"বধূ কোন আলো লাগল চোখে" গানটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চিত্রাঙ্গদা' নৃত্যনাট্যের একটি গান, যেখানে চিত্রাঙ্গদা তাঁর নতুন রূপে মুগ্ধ হয়ে নিজেকে প্রশ্ন করছেন—"হে বধু (আমার নতুন রূপ), তোমার চোখে কোন আলো লাগল?" তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, তাঁর রূপে যেন এক স্বর্গীয় ঔজ্জ্বল্য এসেছে, যা জন্ম-জন্মান্তরের বিরহ শোক ভুলিয়ে দিয়েছে, যেন তিনি সূর্যলোক থেকে আসা কোনো আলো পেয়েছেন, যা তাঁকে এক নতুন জীবন ও সত্তা দিয়েছে—এই মুগ্ধতা ও বিস্ময়ের অনুভূতিই গানের মূল বিষয়। গানের মূল ভাব: প্রশ্ন ও বিস্ময়: নায়িকা (চিত্রাঙ্গদা) নিজের পরিবর্তিত রূপ দেখে বিস্মিত ও মুগ্ধ, নিজেকেই প্রশ্ন করছেন, "কোন আলো লাগল চোখে?"। রূপান্তর: তাঁর রূপ যেন সাধারণ নেই, তাতে এক দৈব বা স্বর্গীয় ঔজ্জ্বল্য এসেছে, যা সূর্যলোকের মতো দীপ্তিময়। বিরহের অবসান: এই নতুন আলোয় তাঁর দীর্ঘদিনের বিরহ ও দুঃখের যন্ত্রণা দূর হয়ে গেছে, যেন তা চিরকালের জন্য মুছে গেছে। নতুন সত্তা: গানটি আসলে এক আত্ম-উপলব্ধি, যেখানে নায়িকা নিজের রূপান্তরকে স্বীকার করে এক নতুন ও সুন্দর সত্তার জন্ম অনুভব করছেন। প্রেক্ষাপট: মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'চিত্রাঙ্গদা' থেকে নেওয়া এই গানটি চিত্রাঙ্গদার 'অরূপরূপ' ধারণের পরের অবস্থার বর্ণনা করে। মূল ভাববস্তু: এই গানটিতে এক গভীর আত্মিক জাগরণ এবং অজানার সাথে মিলনের আকুতি ফুটে উঠেছে। এখানে 'বঁধু' বা প্রিয়তমকে সম্বোধন করা হয়েছে, যা একইসাথে জাগতিক প্রেম এবং অলৌকিক বা ঈশ্বরীয় চেতনার প্রতীক হতে পারে। বিস্তারিত সারসংক্ষেপ: আলোর পরশ ও জাগরণ: গানের শুরুতেই বলা হয়েছে যে, প্রিয়তমের (বঁধুর) ছোঁয়ায় কবির চোখে এমন এক অদ্ভুত আলো লেগেছে, যা তাঁর চারপাশের চেনা জগতকে বদলে দিয়েছে। এই আলো কেবল বাহ্যিক দৃষ্টির নয়, বরং অন্তরের অন্তরালের এক নতুন বোধের উন্মেষ। বিস্ময় ও মুগ্ধতা: কবির মনে হচ্ছে, এই জগতের রূপ-রস-গন্ধ আজ এক নতুন মহিমায় তাঁর কাছে ধরা দিয়েছে। এক অজানা আনন্দের আবেশে তাঁর হৃদয় আপ্লুত। তিনি বুঝতে পারছেন না এই আলো কোথা থেকে এল, কিন্তু এর প্রভাব তাঁর সমস্ত চেতনাকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছে। আত্মসমর্পণ: কবি যখন এই পরম সুন্দরের বা প্রিয়তমের দেখা পান, তখন তাঁর সমস্ত দ্বিধা ও জড়তা কেটে যায়। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করতে চান। গানের চরণে ফুটে ওঠে এক ধরণের মধুর ব্যাকুলতা, যেখানে প্রিয়তমের সান্নিধ্যই জীবনের একমাত্র কাম্য হয়ে দাঁড়ায়। আধ্যাত্মিক চেতনা: রবীন্দ্রসংগীতের গভীরতর অর্থে এই 'বঁধু' হলেন পরমাত্মা। মানুষ যখন সাংসারিক মায়ার ঊর্ধ্বে উঠে সেই পরম জ্যোতি বা সত্যের সন্ধান পায়, তখন তার চোখের সামনে মিথ্যে অন্ধকার ঘুচে যায়। এই গানটি সেই আলোকপ্রাপ্তিরই এক শৈল্পিক বহিঃপ্রকাশ। গানটির মূল কথা হলো— প্রিয়তমের আগমনে হৃদয়ের অন্ধকারের অবসান এবং এক দিব্য আনন্দের স্পর্শে জীবনের নতুন অর্থ খুঁজে পাওয়া।