У нас вы можете посмотреть бесплатно মসনবী শরীফের গল্প (৯৭) ওলী আল্লাহর শান মান || মওলানা জালাল উদ্দীন রুমী или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
Masnavi Sharif Bangla || Maulana Jalal Uddin Rumi 00:00 ওলীদের সাথে আল্লাহর সম্পর্কের স্বরূপ 10:15 পেঁচাদের ঝাড়ে পথভোলা বাজপাখির দুর্দশা 04:30 পেঁচাদের শত্রুতা, বাজপাখির ব্যাখ্যা 07:00 মহামহিম বাদশাহর দয়ার পরশে ঋদ্ধ বাজপাখি 08:00 নবী-রাসূল আউলিয়াগণ আল্লাহর বাজপাখিতুল্য 09:00 যারা আল্লাহর ওলীদের দুশমন তারা আল্লাহর দুশমন 10:15 আল্লাহর সাথে আউলিয়ায়ে কেরামের সম্পর্ক ও সমজাত্য 13:00 ‘আল্লাহ বান্দার সাথে আছেন’ এ কথার তাৎপর্য =============================== #বাজপাখি #দুনিয়া #আউলিয়া #বন্ধু ---------------------------- আজকের আলোচ্য অংশে মওলানা রূমী আল্লাহর সাথে ওলী আল্লাহদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করেছেন। আল্লাহর বন্ধু নবী ওয়ালীগণ কীভাবে দুনিয়াপূজারীদের শত্রুতার শিকার হন, তারও বিবরণ দিয়েছেন। একই সাথে আল্লাহ বান্দার একান্ত নিকটে বা সাথে আছেন বলতে কি বুঝায় তারও তাৎপর্য তুলে ধরেছেন। এসব জটিল ও সূক্ষ্ম বিষয় মওলানা অত্যন্ত সহজভাবে উপস্থাপন করেছেন একটি গল্প দিয়ে। এক বাজপাখি পথ ভুলে বিরানভুমে উজাড় বাঁশঝাড়ে, পেঁচাদের আখড়ায় আশ্রয় নিল। অথচ বাজপাখির বাসা ছিল বাদশাহর বালাখানায়। যখন তখন সে উড়ে এসে বসত বাদশাহর বাহুর উপর। পথ হারিয়ে এখন সে বিরানভুমে পেঁচাদের ঝাড়ে। এ জন্যে তার মর্মবেদনার অন্ত নাই। এর সাথে মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দেখা দিল পেঁচাদের হিংসা ও শত্রুতার যন্ত্রণা। পেঁচারা থেকে থেকে তার মাথায় ঠোকর দেয়। তার গর্বের ধন পালকগুলো টেনে টেনে উপড়ে ফেলে। তাদের উদ্দেশ্যে- বাজ বলে, পেঁচার ঝাড়ে থাকার প্রাণী কি আমি হাজারো বিরানভুমি পেঁচাদের জন্য দিয়েছি ছাড়ি। আমি পেঁচাদের এ উজাড় ভুমিতে কি করব। এটি কি আমার থাকার জায়গা হতে পার? আমি তো অন্য জগতের মানুষ। আমার চিন্তা, মনোবৃত্তি, রুচি, প্রকৃতি তো অনেক উপরের। আমার বাড়ি পরম বন্ধুর দেশে। তোমরা আমাকে নিয়ে যন্ত্রণায় কাতরাও কেন? আমি এখানে থাকব না। তকদিরের ফেরে আমি পথ হারিয়ে এখানে এসেছি। বাজের বক্তব্য শুনে পেঁচারা বলে : দেখছ! কি দারুণ চালাক! বাজের উদ্দেশ্য হল, আমাদের পৈত্রিক সহায় সম্পত্তি আত্মসাৎ করা। আমাদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে তার দখল নেয়া। বাজ যে বলছে তোমাদের কোনো কিছুর প্রয়োজন আমার নাই, সব মিথ্যা। বাদশাহ আর বালাখানার যে দোহাই দেয় তা তার আস্ফালন, প্রতারণার কৌশল। গায়ে মানায় না আপনি মোড়ল। মনে করেছে, তোমরা সরল মনের মানুষ। সহজে ধোঁকা দিতে পারবে। বাজ বারবার বলছিল, বাদশাহ ও তার সভাসদরা এ মুহূর্তে আমাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। আমি তাদের লোক। বাদশাহর বালাখানা আমার নিবাস। পেঁচারা হাসাহাসি করে বলল, এসব পাগলের প্রলাপ। পাগলে কি না কয়, ছাগলে কি না খায়। ছোট্ট পাখি কিনা বাদশাহর সাথী। হা হা হা। বাজপাখি একটু কড়া ভাষায় বলল, পেঁচা কোন্ ছাড়, অন্য কোনো বাজও যদি আমার ডানার একটি পালক উপড়ায়, বাদশাহ তার বাপ-দাদার নাম ভুলিয়ে দেবে। আমার পক্ষে আছেন স্বয়ং তিনি। তার দয়ার পরশ আমাকে পাহারা দেয় সারাক্ষণ। আমি একান্ত তার। মওলানা রূমী (র) বলেন, আম্বিয়া ও আওলিয়াগণ এমন বাজপাখির তুল্য, যাদেরকে আল্লাহ তার বালাখানার জন্য বেছে নিয়েছেন। তারা বালাখানা ছেড়ে এই মাটির দেশে এসেছেন। তারা আল্লাহর নূরের তাজাল্লীর বাহক। মানুষের বেশে এসেছেন দুনিয়ায়। তারা আল্লাহর খলিফা। আল্লাহর বন্ধুজন। তাদের ভালোবাসা মানে আল্লাহকে ভালোবাসা। তাদের কষ্ট দেয়া মানে আল্লাহকে কষ্ট দেয়া। তাদের যারা দুশমন তাদের সাথে আল্লাহর দুশমনি। মওলানা রূমীর এ বক্তব্যের সাথে বুখারী শরীফে বর্ণিত হাদীসে কুদসীর ভাবার্থের চমৎকার মিল পাওয়া যায়। “আল্লাহ তাআলা বলেন, যে ব্যক্তি আমার কোনো ওলির সঙ্গে শত্রুতা করেছে আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছি...।” (বুখারী শরীফ: হা নং-৬৫০২) কিন্তু পেঁচা স্বভাবের মূর্খরা, যারা বিরান ভুমি মাটির পৃথিবীকে স্বর্গরাজ্য বলে ভাবে, তারা এর হাকিকত বুঝে না। তারা হিংসার বশবর্তী হয়ে আম্বিয়া আউলিয়াদের, আল্লাহর পথের পথিক সত্যিকার ঈমানদার, আল্লাহর ওলীদের প্রতি হিংসা বিদ্বেষ পোষণ করে, তাদের কষ্ট দেয়, নির্যাতন চালায়। দেশান্তর করে। হত্যা করে। অথচ তারা বুঝে না যে, দুনিয়াদাররা ও আল্লাহর পথের পথিকরা এক জাতের নয়। উভয়ের মাঝে সমজাত্য নেই। তাদের সম্পর্ক স্বয়ং আল্লাহর সাথে। আল্লাহর ধ্যান ও আল্লাহর পথে সাধনা নিয়ে এরা ব্যস্ত। আল্লাহর নূরের তাজাল্লীতে তাদের দিল উদ্ভাসিত। তাদের মিল ও সমজাত্য যদি থাকে আল্লাহর সাথেই আছে। তবে এই সমজাত্য আমরা তোমরা যেরূপ বুঝি সেরূপ নয়। যোজন দূরত্ব ও পার্থক্য মাঝখানে। বাজপাখির জবানীতে মওলানা এ পার্থক্য নির্ণয় করে বলেন, আমি নই শাহানশাহর সমজাত, তার অনেক দূরে তবে নূর বিচ্ছুরণে আমি আলোকিত তারই নূরে। এই সূক্ষ্ম আধ্যাত্মিক জীবন দর্শন আলোচনা করেছেন ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ প্রকাশিত মসনবী শরীফের বাংলা অনুবাদ ও ব্যাখ্যার প্রণেতা ড. মওলানা মুহাম্মদ ঈসা শাহেদী।