У нас вы можете посмотреть бесплатно কাপ্তাই রেললাইনে ভারতকে হটিয়ে জায়গা করে নিলো জাপান !! KAPTAI Dual Gauge Railway Link Project или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
বাংলাদেশের যে কয়টি জেলায় কোন রকম রেল সংযোগ ছিল না তার মধ্যে প্রধান হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলা গুলো। এ অঞ্চলে রেললাইন নির্মাণ করা খুবই কঠিন, কারণ উঁচু-নিচু পাহাড়ি এলাকায় রেললাইন কার্যকর নয়। সেই সঙ্গে এ অঞ্চলে রেললাইন নির্মাণ করতে গেলে নির্মাণ ব্যয় প্রচুর। তবে নির্মাণ ব্যয় যাই হোক না কেন, দেশের এবং জনগণের সুবিধার কথা ভেবে বর্তমান সরকার হাতে নিয়েছে আরো একটি মেগা প্রকল্প। দেশে প্রথমবারের মতো পার্বত্য চট্টগ্রামের কোনো জেলায় রেল যাচ্ছে। চট্টগ্রামের রাউজান, রাঙ্গুনিয়া হয়ে রেলপথ যাবে রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে। এর মাধ্যমে পাহাড়, লেক ও কর্ণফুলী নদীর সৌন্দর্য ঘেরা কাপ্তাই যেতে পযটকদের আগ্রহ ব্যাপক হারে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এই রেললাইন নিয়েই আমাদের আজকের ভিডিও। জানানোর চেষ্টা করব প্রকল্প ব্যয় থেকে শুরু করে সরকারের সকল পরিকল্পনা এবং আরো জানার চেষ্টা করবো কবে নাগাদ শেষ হবে এর নির্মাণকাজ। গত জুনে প্রকল্পের বৈদেশিক ঋণ সংগ্রহ করতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) চিঠি দিয়েছে রেলওয়ে। সে প্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), জাপান সরকারের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা (জাইকা), এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকসহ (এআইআইবি) বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইআরডি। তবে চীনের অর্থায়ন ফেরতের সুযোগ কাজে লাগাতে চায় ভারত। এ লক্ষ্যে ভারত তাদের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইরকন ইন্টারন্যাশনাল লিমিটিডের মাধ্যমে কাজ পাওয়া সাপেক্ষে অর্থায়ন নিশ্চিত করার প্রস্তাব দিয়েছে। ভারতীয় অর্থায়নে কাপ্তাই পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণে এখনও আগ্রহী নয় রেলওয়ে। কারণ ভারতীয় ঋণে নানা ধরনের শর্ত এবং বাস্তবায়ন পর্যায়ে জটিলতা থাকে। এ অবস্থায় বিশ্বব্যাংক, এডিবি আর এআইআইবির মতো সংস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশাল ব্যয়ের এ প্রকল্পে সরকারি তহবলে থেকে এত টাকা যোগান দেওয়া কঠিন হবে। তবে অর্থায়ন জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনে দুটি পর্যায়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা ভাবা হচ্ছে। প্রথমটি চট্টগ্রামের জালানীহাট থেকে চুয়েট এবং পবর্তীতে চুয়েট থেকে কাপ্তাই পর্যন্ত। প্রথম পর্যায়ের কাজ বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৪ হাজার ১৪২ কোটি টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক ঋণ ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা। প্রথম পর্যায়ে জানালীহাট থেকে চুয়েট পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের ৫৫ শতাংশ ব্যয় হবে ভূমি অধিগ্রহণে। আর দ্বিতীয় পর্যায়ে (চুয়েট-কাপ্তাই) পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ৭৮৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে বিদেশি ঋণ ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৮২৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা। প্রকল্পের প্রাথমিক প্রস্তাবনা অনুযায়ী, চট্টগ্রাম শহর ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) এর সঙ্গে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ পর্যটন কেন্দ্র কাপ্তাই পর্যন্ত সহজে এবং মসৃণ পরিবহন যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা হবে। পরিবহন ব্যবস্থার একটি নতুন লাইন খোলার পাশাপাশি যাতে শহর এলাকায় প্রতিদিনের জনসমাগম হ্রাস পায়। এছাড়াও, দৈনিক যানজট কমিয়ে চট্টগ্রাম শহরে বসবাসের জন্য জনগণকে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে নতুন যোগাযোগ পথটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে ⚠ এই চ্যানেলের কোন ভিডিও ডাউনলোড করে, পুনরায় কোন অনলাইন মাধ্যমে আপলোড করবেন না। ⚠ DO NOT DOWNLOAD & RE-UPLOAD THIS VIDEO IN ANY OTHER ONLINE PLATFORM ✔✔✔ এই ইউটিউব ভিডিওর লিংক শেয়ার করুন। ☢☢☢ এই ভিডিওতে ব্যবহৃত কিছু ছবি প্রকৃত ব্যক্তি, ঘটনা, সময় বা স্থানকে উপস্থাপন করে না; দৃশ্যের শূণ্যতা পূরন করতে তা ব্যবহার করা হয়েছে। ☢☢☢