У нас вы можете посмотреть бесплатно ডোনাল্ড ট্রাম্প এর হুমকির মুখেও অটল ইরান—পিছিয়ে যাচ্ছে না কেন? | Rudra Barta или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
বিশাল বাহিনী দেখেও ভয়হীন ইরান! ভয়ংকর হুমকির মুখেও কেন শান্ত ইরান? যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে অনেক যুদ্ধজাহাজ আর সৈন্য পাঠিয়েছেন। তিনি ভেবেছিলেন, এত বড় বাহিনী দেখে ইরান ভয় পেয়ে হার মেনে নেবে এবং তাদের পারমাণবিক গবেষণা সংক্রান্ত কাজ চিরতরে বন্ধ করে দেবে। কিন্তু ইরান একটুও দমে যায়নি! ট্রাম্পের একজন বিশেষ দূত, স্টিভ উইটকফ জানিয়েছেন, ট্রাম্প এই বিষয়টা নিয়ে বেশ অবাক। তিনি কৌতূহলী হয়ে ভাবছেন, এত বড় সামরিক বাহিনী দেখার পরও ইরান কেন বলছে না যে, "ঠিক আছে, আমরা আর পারমাণবিক অস্ত্র বানাবো না!" আমেরিকা বলছে, ইরান এমন কিছু তৈরি করছে ৬০ শতাংশ ইউরেনিয়াম যা দিয়ে খুব সহজেই পারমাণবিক বোমা বানানো যায়। আমেরিকার মতে, ইরান হয়তো মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই বোমা বানানোর মতো বিপজ্জনক অবস্থায় পৌঁছে যাবে। কিন্তু ইরান বলছে সম্পূর্ণ অন্য কথা। তাদের দাবি, তারা কোনো বোমা বানাচ্ছে না। তারা শুধু সাধারণ বিদ্যুৎ বা শান্তির কাজের জন্য এই পারমাণবিক শক্তি ব্যবহার করতে চায়। উল্টো ইরান কড়া ভাষায় বলে দিয়েছে, যদি আমেরিকা তাদের ওপর হামলা করে, তবে তারাও আমেরিকার সেনা ঘাঁটিগুলোতে চরম পাল্টা হামলা চালাবে! এরই মধ্যে ট্রাম্পের নির্দেশে তাঁর দূত উইটকফ ইরানের পুরনো রাজার ছেলে, রেজা পাহলভির সাথে কথা বলেছেন। পাহলভি এখন আর ইরানে থাকেন না, কিন্তু তিনি চান আমেরিকা যেন ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ করে। তার মতে, এতে করে ইরানে যারা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে এবং মারা যাচ্ছে তারা বেঁচে যাবে। পাহলভি আমেরিকাকে আরও বলেছেন, তারা যেন ইরানের বর্তমান সরকারের সাথে কোনো চুক্তির আলোচনা করে সময় নষ্ট না করে।