У нас вы можете посмотреть бесплатно "অবুঝ হৃদয়ের স্পন্দন"♥️(গল্পের ৯ম অংশ) উঠল টুশির সর্বাঙ্গ। নিঃশ্বাসের বেগ ভারি হয়ে আসল। লজ্জায় বুকে или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
"অবুঝ হৃদয়ের স্পন্দন"♥️(গল্পের ৯ম অংশ) উঠল টুশির সর্বাঙ্গ। নিঃশ্বাসের বেগ ভারি হয়ে আসল। লজ্জায় বুকে সুন্দর করে ভালোবেসে বুঝচ্ছিলাম, তাই হয়তো কথা বুঝতে পারো নি। এইবার লাস্ট বারের মত বলছি মাথায় ঢুকিয়ে নাও। আমি ততটাই শান্ত থাকবো যতটা স্বাভাবিক তুমি আমাকে রাখতে পারবে। আমি ততটাই অশান্ত হব যতটা অস্বাভাবিক তুমি আচরণ করবে ... টুশি কান্না থামিয়ে মাথা নিচু করে আড়চোখে রাফির দিকে একবার তাকিয়ে চোখ নিচে নামিয়ে নেয়। এভাবে রাফির সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে খুব অস্বস্তি বোধ করছে টুশি কিন্তু বাইরে বেরিয়ে যেতেও পারছে না এই অবস্থায়। হাউ মাউ করে কান্না আসছে টুশির কিন্তু কাঁদতে পারছে না সে। তাই পেছন ঘুরে দাঁড়িয়ে থাকে টুশি। রাফি এটা দেখে নিজের আনা লেহেঙ্গা বের করে টুশির দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল এটা নাও ...! আর ওয়াশরুম থেকে চেঞ্জ করে আসো । আমি অপেক্ষা করছি এখানে। ______ ছাদে বরযাত্রীদের জন্য বসা এবং খাবারের আয়োজন করা হয়েছে । কিছুক্ষণ আগে রুনা আর তানভীরের তিন কবুল বলে বিয়ে সম্পূর্ণ করা হয়েছে। গুরুজন আর বর যাত্রীরাদের অলরেডি খাওয়া প্রায় শেষের দিকে। বাকি ইয়াং দের খাবার দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। মেরুন এসে ধরেই টুশির সাথে ননস্টপ বকবক করেই চলছে কিন্তু টুশির মুখে একটি কথাও নেই না আছে বিয়ে উপলক্ষে কোন সাজ। মোটা গাঢ় কাজল , পরনে লেহেঙ্গা ছাড়া কান গলা হাত সব শূন্য। সুজন বর যাত্রী দের সাথে কথায় ব্যাস্ত সবার সাথে এবার সেও খেতে বসবে।ছাদের এক কোণে চিলেকোঠার পাশেই টুশি দাঁড়িয়ে আছে সাথে মেরুন। চিলেকোঠার অন্য পাশ থেকে পেন্ডেলের ভেতরে যাওয়ার রাস্তা করা হয়েছে। রাফি বরের পাশে বসে অনেকক্ষণ আলাপ করে।আশে পাশে চোখ ঘুরিয়ে কোথাও টুশিকে না দেখতে পেয়ে রাফি তানভীর এর কাছ থেকে উঠে আসে। বন্ধুদের সাথে এবার সেও খেতে বসবে। সারা বাড়িতে কোথায় টুশি সহ সুজনকে না পেয়ে রাফি ভীষণ রেগে যায়। ফিরে আবার