У нас вы можете посмотреть бесплатно স্বপ্নের হাসি,স্বপ্নের কান্না | Kasham Ft Olevia(Ai Voice) | Bangla Audio Song 2025 или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
Album-Heart of Kasham: Inspired by Mymensingh Gitika Speaks of inner feelings, love, and the struggles of the heart. Lyrics,Tune & Concept: Kasham Sikder Inspired by Maimansingha Gitika – চন্দ্রবতী Voice (AI Performance): Olevia “স্বপ্নের হাসি স্বপ্নের কান্না”— চন্দ্রাবতীর প্রেম-বেদনার আধুনিক পুনরভাবনা। ময়মনসিংহ গীতিকার চন্দ্রাবতী পালায় যেমন গভীর হৃদয়ভাঙা, অনুতাপ, আর অম্লান প্রেম ছিল— এই গানটি সেই আবেগকে আধুনিক সুরে নতুনভাবে ফুটিয়ে তোলে। এটি এক হৃদয়বিদারক প্রেম-গান,যেখানে প্রেম অন্ধ করে,আবার ভেঙেও দেয়।নিজের দুঃখ কাউকে বোঝাতে না পারার যন্ত্রণা, অবহেলিত প্রেমের আর্তনাদ,আর বিশ্বাসঘাতী ভালোবাসার শেষ শ্বাস—সবই একত্রিত হয়েছে তোমার গানের কথায়। 🎶 স্বপ্নের হাসি স্বপ্নের কান্না, নয়নের জলে মিশে যায়। নিজের হৃদয়ের দুঃখ, অন্যকে বোঝানো দায়... আমি তোমার প্রেমে ডুবে,ডুবে হয়েছি অন্ধ আমি তোমার কথা বলে,বলে হয়েছি বিষন্ন আমি তোমার প্রেমে ডুবে,ডুবে হয়েছি অন্ধ আমি তোমার কথা বলে,বলে হয়েছি বিষন্ন জানি না আমি আমার,শুকের পিঞ্জিরা বোঝাতে গিয়ে নিজেকে বোঝাতে পারি না না কাঁদি, না হাসি, না আছে মুখের তাজ— তোমাকে দিয়ে মন হলো আজ পাথরের ভাঁজ আমি তোমার প্রেমে ডুবে,ডুবে হয়েছি অন্ধ আমি তোমার কথা বলে,বলে হয়েছি বিষন্ন আমি তোমার প্রেমে ডুবে,ডুবে হয়েছি অন্ধ আমি তোমার কথা বলে,বলে হয়েছি বিষন্ন তোমাকে দেখব বলে আমি,নয়ন ভরে তাই তোমায় দিলাম ঠাই এই হৃদয়ে জুড়ে বিশ্বাস করে দিয়েছি,দিয়েছি এই মন, ঘাতক হয়ে শেষে তুমি নিলে আমার প্রাণ। আমি তোমার প্রেমে ডুবে,ডুবে হয়েছি অন্ধ আমি তোমার কথা বলে,বলে হয়েছি বিষন্ন আমি তোমার প্রেমে ডুবে,ডুবে হয়েছি অন্ধ আমি তোমার কথা বলে,বলে হয়েছি বিষন্ন স্বপ্নের হাসি স্বপ্নের কান্না, নয়নের জলে মিশে যায়। নিজের হৃদয়ের দুঃখ, অন্যকে বোঝানো দায়... পুরো কবিতা : শত ফুলের সন্ধানে তুমি, আমি তোমার নাগর— ডাল নোয়াইয়া দাঁড়িয়ে আমি, পেতে তোমার আদর। চম্পা তুমি,নাগেশ্বর তুমি,তুমি রক্তজবা। মালতীর সাজে সাজে তুমি লাগছো অপরাজিতা। গেন্দা ফুলের সুগন্ধে জুঁই—গেলে না ভুলে, মল্লিকা হয়ে গাছে থাকবে—গেলে না সেটাও ভুলে। কইতে গেলে মনের কথা কইতে পারি না, সকল কথা তোমার কাছে কইতে পারি না। ফুলের পাপড়িতে লিখলাম কথা আড়াই অক্ষরে। মাথার উপরে ছাউনি আমার অল্প পরিসরে। চাঁদমুখখানি দেখে আমি পাগল হয়েছি প্রায়, উৎসর্গ করে দেবো সবই—মনের কথা জানতে পারি হায়। আকাশে যখন সোনার বরণে মেঘ ঝলমল করেছে,হলুদ মেখে যেন সূর্য উঠেছে। গুচ্ছ তুমি রাখো—আমার কথা শুনো, শুনবো তোমার কথা। বেলা হয়েছে অনেক—বলে হাটা দিলো সে, আস্তে করে আলতো হাতে পাপড়িটা দিলাম ভরে। পাপড়ি নিলাম তোমার,আমার আচলে বেঁধে— পড়তে পড়তে দুচোখ আমার গেলো যে ভিজে। এমন কেন আমার শুকের পিঞ্জরা, বোঝাতে গিয়ে নিজেকে—বোঝাতে পারি না। মনের কথা রাখলাম গোপন করে— চন্দ্র-সূর্যকে সাক্ষী রেখে। পত্রখানি লিখলাম বড় সাবধানে, আমার প্রাণ—তোমার করে মনে। বাড়ির সামনে ফুটে আমার চম্পা-নাগেশ্বর, তুলতে এলাম আমি একা বড় সময় পর। তোমাকে দেখব আমি নয়ন ভরে, তোমাকে নেব আমি হৃদয়ে জুড়ে। বাড়ির সামনে ফুটে আমার মালতী-বকুল, তুলবো আমি আঁচল ভরে তোমার মালার ফুল। বাড়ির সামনে ফুটে আমার রক্তজবা-সারি, ধারণ করবো তোমায় আমি প্রাণে—আশা করি। বাড়ির সামনে ফুটে আমার মল্লিকা-মালতী, জন্মে জন্মে পাই যেন তোমার মতো সাথী। সব জল্পনা শেষে কিন্তু ‘তে’ এসে ‘বিন্দু’তে হলো মিল—শেষ কথার পরে হলো মিলনেরও কুল। আনন্দ আয়োজনে নেই কোনো কমতি, একটু পরে ঘটবে স্বপ্নের সারথি। লোকে লোকারণ্য হয়ে চলছে কথার ফুলঝুরি, নিয়ম ভেঙে অনিয়মে জাতিনাশ করলো— বলছে আবাল হতে বুড়ি। কপালের দোষ—দোষ নহে বিধাতার, যে লেখা লেখাছিল বিধি কপালে আমার। না কাঁদি,না হাসি,না আছে মুখের তাজ— এসপার-ওসপার হয়ে মন হলো পাথরের ভাঁজ। এক দিন দুই দিন তিন দিন যায়, চোখের জলে বালিশ ভিজে হলো নদীময়। সেই হাসি,সেই কথা সদা পড়ে মনে, ঘুমালে দেখি আমি তোমাকে স্বপনে। নয়নে না আসে নিদ্রা—অঘুমে রজনী, ভোর হতে উঠে আমি হলাম পাগলিনী। বিশ্বাস করে দিয়েছি তোমাকে মন, ঘাতক হয়ে নিলে তুমি আমার প্রাণ। শত বুঝিয়ে আমায় মন নাহি গলে, দেশি-বিদেশ দেখিয়েও আমায় মন নাহি চলে। এই জন্মে মনে ফুটবে না কোনো ফুল, লালিত হবে না স্বপ্ন—বেঁচে থেকেই হলাম আমি জিন্দা লাশের চিহ্ন। শোনো,তোমাকে জানাই— মনের আগুনে আমার দেহ পুড়ে ছাই। অমৃত ভেবে আমি খেয়েছি গরল, কণ্ঠে লেগে রয়েছে বিষাক্ত হেমল। জেনে-শুনে ফুলের মালা—কালসাপ দিলাম গলে,মরণ ডেকে আনিয়েছি আমি অকালে। তুলসী ছেড়ে আমি নিলাম শেওড়া, নিজ মাথায় নিলাম দুঃখের পসরা। চারদিকে বিষ—আমার না দেখি উপায়, ক্ষমা করো আমায়—ধরি তোমার পায়। দেখবো তোমায় একবার—জন্মের শেষ দেখা। দেখবো তোমায় একবার—নয়নভঙ্গি বাঁকা। শুনবো তোমার একবার মধুরস বাণী, নয়নজলে ভিজাব রাঙা পা দুখানি। না ছুঁব,না ধরব,দূরে থেকে রবো খাড়া— পুণ্যমুখ দেখে আমি জুড়াব অন্তরখানা। শিশুকালের সঙ্গী তুমি—যৌবনকালের মালা, তোমাকে দেখতে আমার মন হলো উতালা। জলে ডুবে বা বিষে—গলায় দড়ি দিবো নিজের প্রাণ— শেষবারের মত তোমায় দেখতে চাই—ও আমার জান। ভালো না বাসো এই পাপিষ্ঠ জনে— জন্মের মতো হলাম বিদায় ধরে চরণে। বেথা বিষণ্ন অন্তরে— না পারি সহিতে, তোমাকে দেখলে আবার— মন রহিবে না ঘরেতে। নিষঙ্গ ভেসে পূর্ণিমার চাঁদ— আঁখিতে পলক নেই,মুখে নেই সে বাণী। পারে দাঁড়িয়ে আছি আমি কামিনী— স্বপ্নের হাসি, স্বপ্নের কান্না নয়নের জলে মিশে যায়।নিজের হৃদয়ের দুঃখ অন্যকে বোঝানো দায়। -kasham 17-19.11.2025 Inspired by Maimansingha Gitika-চন্দ্রবতী #banglasong2025 #foryou #Chandrabati #MaimansinghaGitika #Kasham #BanglaFolkSong #Bangla2025 #HeartbreakSong #BirahoSong #FolkFusion #ChandrabatiPala #OriginalBanglaMusic