У нас вы можете посмотреть бесплатно হযরত আইয়ুব (আ.) এর গায়ের পোকা নিয়ে মিজানুর রহমানের আলোচনা। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
হযরত আইয়্যুব (আঃ) ছবরকারি নবিগনের মধ্যে সবচেয়ে উচু স্তরের বা শিরষ স্থানীয় ছিলেন। কুরানের ৪টি সুরার ৮টি আয়াতে হযরত আইয়্যুব (আঃ) এর কথা এসেছে। যথা: সুরা নিসা: আয়াত-১৬৩, সুরা আনআম: আয়াত-৮৪, সুরা আমবিয়া: আয়াত: ৮৩-৮৪ এবং সুরা ছোয়াদ/সা’দ: আয়াত-৪১-৪২। হযরত আইয়্যুব (আঃ) এর শরীর পচে গিয়ে তাতে পোকা হওয়ার যে কাহিনী সচরাচর আমরা শুনে থাকি তা সত্য নয়। হযরত আইয়্যুব (আঃ)-কে শয়তান কি ধরনের বিপদে ফেলেছিলেন, কেমন রোগে তিনি আক্রান্ত হয়েছিলেন, দেহের সবখানে কেমন পোকা ধরেছিল, জিহবা ও কলিজা ব্যতিত দেহের সব মাংস খসে পড়েছিল, পচা দুর্গন্ধে সবাই তাকে নিজৃন যা্য়গায় ফেলে পালিয়েছিল, ইত্যাকার ১৭ রকমের কালপনিক কাহিনি যা ‘কুরতুবি’ নিজ তাফসিরে জমা করেছেন (কুরতুবি, আমবিয়া-৮৪) এবং অন্যান্য মুফাসসিরগন আরও যেসব কাহিনি বরননা করেছেন, সে সবের কোন ভিততি নাই। বরং এটা ইসরাইলি ইহুদীদের উপকথা যা কুরআনের ব্যাখ্যা হিসেবেই আমাদের কাছে বহুল প্রচলিত হয়ে এসেছে। রোগ কতদিন ছিল: কতদিন তিনি রোগ ভোগ করেন সে বিষয়ে ৩, ৭, সাড়ে ৭, ৭ বছর ৭ মাস ৭ দিন, ১৮ বছর, ৩০ বছর, ৪০ বছর, ইত্যাদি যা কিছু বলা হয়েছে তা সবই ইসারাইলি ইহুদিদের উপ কথা – যার কোন ভিততি নাই। বরং নবিদের প্রতি ইহুদিদের বা ইহুদি নেতাদের বিদেষ থেকে কলপনা করা। আমরা ছোটকাল থেকেই শুনে আসছি যে, হযরত আইয়্যুব (আঃ) কে আল্লাহ তায়ালা পরীক্ষা করেছিলেন। তার ধন সম্পদ নষ্ট হয়ে যায়, সন্তান-সন্ততি সবাই মারা যায় এবং তার শরীরের সব গোশত পচে যায় এবং সারা শরীরে পোকার সংক্রমণ শুরু হয়। সারা শরীর পচে যাওয়া এবং পোকায় খাওয়ার পর তিনি আল্লাহ তায়ালার কাছে দুয়া করলেন যে, আল্লাহ আমার সারা শরীরের গোশত পচে গেছে এবং তাতে পোকার সংক্রমন হয়েছে এতে আমার বিন্দুমাত্র দুঃখ নেই। তোমার কাছে আবেদন করি আল্লাহ! আমার জিহ্বাটাকে অন্ততঃপক্ষে ভাল রাখ। যেন ওটা দিয়ে তোমার নামের জিকির করতে পারি। আশেপাশে দুর্গন্ধ ছড়ানোর কারণে সমাজের লোকেরা তাকে সমাজ থেকে বের করে জঙ্গলে কিংবা ময়লা ফেলার স্থানে ফেলে আসল। তার আত্মীয় স্বজন বন্ধু-বান্ধবদের কেউ তার কাছে যায় না শরীর থেকে উৎকট দুর্গন্ধ আসার কারণে। একমাত্র তার স্ত্রী রাহীমা সর্বদা তার পাশে থেকে জঙ্গলে তার সেবাযত্ন করতে থাকেন। রাহীমা মানুষের বাড়ী কাজ করে করে যা দু এক মুঠো খাদ্য উপার্জন করতেন তা এনে তাকে খাওয়াতেন। কোন একবার বাধ্য হয়ে নিজের চুল কেটে দিয়ে বিনিময়ে খাদ্য এনেছিলেন। এভাবে বেশ কয়েক বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর তিনি সুস্থ হন।