У нас вы можете посмотреть бесплатно ১১০বছর পুরোনো "হার্ডিঞ্জ ব্রিজ"।রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।১বার হলেও ঘুরে আসো "পাকশী" 💚 или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
১১০বছর পুরোনো "হার্ডিঞ্জ ব্রিজ"। #রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।১বার হলেও ঘুরে আসো "পাকশী" 💚 ১. #পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদীর পাকশী ও কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার মধ্যে পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত দেশের দীর্ঘতম (১.৮ কি.মি.) ও ঐতিহাসিক রেলসেতু। ১৯১০-১৯১৫ সালে নির্মিত এই ইস্পাত কাঠামোটি ব্রিটিশ আমলে স্থাপিত, যার নামকরণ করা হয় তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের নামে। ১৫টি স্প্যান বিশিষ্ট এই সেতুটি দেশের রেল যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম [৬]। ====================================== #হার্ডিঞ্জ ব্রিজের বিস্তারিত তথ্যসমূহ: •অবস্থান: #পাকশী, #ঈশ্বরদী (পাবনা) থেকে ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া)। •নির্মাণকাল: ১৯১০ সালে কাজ শুরু এবং ১৯১৫ সালের ৪ মার্চ উদ্বোধন করা হয় •দৈর্ঘ্য: প্রায় ১.৮ কিলোমিটার (৫৮৯৪ ফুট বা ১,৭৯৮.৩২ মিটার) •নকশাকার: প্রধান প্রকৌশলী ছিলেন স্যার আলেকজান্ডার মেডাস রেনডেল (Sir Alexander Meadows Rendel) •নির্মাণ ব্যয় ও জনবল: তৎকালীন সময়ে প্রায় ৩৫ মিলিয়ন টাকা ব্যয় হয় এবং ২৪,৪০০ জন শ্রমিক নির্মাণকাজে নিযুক্ত ছিলেন। •বৈশিষ্ট্য: এটি ১৫টি স্টিল ট্রাস স্প্যান বা গার্ডার দ্বারা নির্মিত। •গভীরতা: পানির সর্বনিম্ন স্তর থেকে প্রায় ১৬০ ফুট মাটির গভীরে এর ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছিল, যা তৎকালীন সময়ে রেকর্ড ছিল। •যোগাযোগ: এটি একটি ডবল লাইন ব্রডগেজ রেলওয়ে সেতু। •ঐতিহাসিক গুরুত্ব: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় এই সেতুর ১২ নম্বর স্প্যানটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা পরে মেরামত করা হয়। 👉পাকশীর এই লাল রঙের ব্রিজটি বর্তমানে একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত।হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী থেকে কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলা পর্যন্ত যুক্তকারী একটি রেলসেতু। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘতম রেলসেতু। ====================================== The Paksey Hardinge Bridge is Bangladesh's longest (1.8 km) and historic railway bridge over the Padma River, connecting Paksey (Pabna) and Bheramara (Kushtia). Built between 1910-1915 during the British era, this steel structure is named after the then Viceroy, Lord Hardinge, and serves as a major railway link with 15 spans. ===================================== ✅Hardinge Bridge Detailed Information: Location: Paksey, Ishwardi (Pabna) to Bheramara (Kushtia). Construction Period: Work began in 1910 and inaugurated on March 4, 1915. Length: Approximately 1.8 kilometers Designer: Chief Engineer Sir Alexander Meadows Rendel. Cost & Personnel: Cost about 35 million rupees at the time; 24,400 workers were employed. Features: Built with 15 steel truss spans or girders. Depth: The foundation was laid about 160 feet deep from the lowest water level, a record at the time. Communication: It is a double-line broad gauge railway bridge. 👉Historical Significance: The 12th span of this bridge was damaged during the 1971 Liberation War, which was later repaired. ======================================== ২. #রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশের প্রথম ও বৃহত্তম (২.৪ গিগাওয়াট) পারমাণবিক প্রকল্প, যা #পাবনার #ঈশ্বরদীতে রাশিয়ার প্রযুক্তি ও সহায়তায় নির্মিত হচ্ছে । এটি পরিবেশবান্ধব, ৩+ প্রজন্মের (VVER-1200) দুইটি ইউনিটে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের এই প্রকল্প দেশের বিদ্যুৎ নিরাপত্তায় দীর্ঘমেয়াদী অবদান রাখবে। 👉প্রকল্পের মূল বিবরণ: •অবস্থান: পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর (পদ্মা নদীর তীরে) •ক্ষমতা: মোট ২৪০০ মেগাওয়াট (১২০০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট) •প্রযুক্তি: রাশিয়ার সর্বাধুনিক ৩+ প্রজন্মের VVER-1200 রিয়্যাক্টর। 👉বি:দ্র: পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রকল্পটির প্রথম ইউনিট ২০২৩-২৪ সালের মধ্যে এবং দ্বিতীয় ইউনিট ২০২৪ সালের মধ্যে চালু করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ====================================== ✅"Rooppur Nuclear Power Plant is the first and largest (2.4 GW) nuclear project in Bangladesh, being constructed in Ishwardi, Pabna, with Russian technology and assistance. It will produce a total of 2400 MW of electricity through two eco-friendly Generation 3+ (VVER-1200) units. With a cost exceeding 1.13 lakh crore BDT, this project will contribute to the country's long-term energy security." ৩.#পাকশী রেলওয়ে স্টেশন প্রকৃতির এক অপরুপ সৌন্দর্যয়ের স্থান। এখানকার প্রাকৃতিক দৃশ্য আর মনোরম শান্ত ও নিরিবিলি পরিবেশ আমাকে ভীষণ মুগ্ধ করে।আমি প্রতিবছর এখানে একবার করে ঘুরে আসি আর এখানকার দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখি।#পাকশীরেলওয়েস্টেশন বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক স্টেশন। এটি পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগের সদর দপ্তর এবং বিভাগীয় শহর হিসেবে পরিচিত। ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ সংলগ্ন এই স্টেশনটি চমৎকার প্রাকৃতিক দৃশ্য এবং পদ্মা নদীর তীরের জন্য জনপ্রিয়, যা এখন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিকটবর্তী। ✅পাকশী রেলওয়ে স্টেশনের বিস্তারিত: অবস্থান: পাকশী, ঈশ্বরদী উপজেলা, পাবনা, #রাজশাহী বিভাগ। বিভাগ: বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলীয় জোনের পাকশী বিভাগীয় সদর দপ্তর। স্থাপত্য ও দৃশ্য: স্টেশনটি উঁচু প্ল্যাটফর্মের ওপর অবস্থিত, যেখান থেকে ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও পদ্মা নদী দেখা যায়। ঐতিহাসিক গুরুত্ব: এটি ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এবং আগে রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিলো। সুবিধা: টিকিট কাউন্টার ও যাত্রীদের জন্য অপেক্ষাগার (waiting room) সুবিধা রয়েছে। যোগাযোগ: রাজশাহী ও দেশের অন্যান্য প্রান্ত থেকে সরাসরি ট্রেন চলাচল করে।