У нас вы можете посмотреть бесплатно রুটি মদ ফুরিয়ে যাবে, প্রিয়ার কালো চোখ ঘোলাটে হয়ে আসবে। উক্তিটি ওমর খৈয়ামের নয়। তাহলে এটি কার উক্তি? или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
রুটি মদ ফুরিয়ে যাবে, প্রিয়ার কালো চোখ ঘোলাটে হয়ে আসবে, কিন্তু বইখানা অনন্ত-যৌবনা-যদি তেমন বই হয়। বইপড়া বা বই কেনাবেচায় উৎসাহী করার জন্য এরচেয়ে ভাল বিজ্ঞাপন আর হয়না তাই বোধহয় বই প্রসঙ্গে এই উদ্ধৃতিটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যারা এই উদ্ধৃতিটি ব্যবহার করেন তাদের প্রায় সবাই এটিকে ওমর খৈয়ামের নামে চালিয়ে দেন কিন্তু বাস্তবে কি ওমর খৈয়াম এ জাতীয় কিছু তাঁর কোনো রুবাইতে বলেছেন? মনের ভেতর বিচিত্র ভুবন সৃষ্টির অন্যতম উপায় হিসেবে বইকে প্রাধান্য দিতেই সৈয়দ মুজতবা আলী ওমর খৈয়ামের রুবাইটির উল্লেখ করেছেন কেননা এতে বর্ণিত বেহেশতের চার অনুসঙ্গের একটি হলো বই। এটি ফার্সিতে কি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছিলেন ফিটজেরাল্ড নামের একজন। তিনি লিখেছেন, Here with a loaf of bread beneath the bough. A flash of wine, a book of verse and thou, Beside me singing in the wilderness And wilderness is paradise enow. এই রুবাইয়ের ঠিক নিচেই মুজতবা আলী তাঁর অবিস্মরণীয় মন্তব্যে লিখেন- “রুটি মদ ফুরিয়ে যাবে, প্রিয়ার কালো চোখ ঘোলাটে হয়ে আসবে, কিন্তু বইখানা অনন্ত-যৌবনা-যদি তেমন বই হয়। তাই বোধ করি খৈয়াম তাঁর বেহেশতের সরঞ্জামের ফিরিস্তি বানাতে গিয়ে কেতাবের কথা ভোলেন নি” বিভ্রান্তিটি বেঁধেছে ঠিক এখানেই। সৈয়দ মুজতবা আলী রুবাইটির কোনো আক্ষরিক বা কাব্যিক অনুবাদ না দিয়ে নিজের মতামতটিই এখানে ব্যক্ত করেছেন আর তাকেই বাঙালি পাঠক ধরে নিয়েছেন রুবাইয়ের বাংলা অনুবাদ বা ভাবানুবাদ হিসেবে। বক্তব্যটি এতই হৃদয়গ্রাহী হয়েছে যে এর বিপুল জনপ্রিয়তা্র নিচে চাপা পড়ে গেছে ওমর খৈয়ামের মূল রুবাইটি এবং তা ই হয়ে পড়েছে খৈয়ামের নিজের বক্তব্য। বাংলায় রুবাইয়াত অনুবাদকারীদের মধ্যে একমাত্র নজরুলই মূল ফার্সি থেকে তা বাংলায় ভাষান্তর করেন। আমরা এবার দেখে নিই ফিটজেরাল্ড তাঁর অনুবাদ গ্রন্থে এগারো নম্বরে যে রুবাইটিকে স্থান দিয়েছেন মূল ফার্সি থেকে নজরুল তার কেমন অনুবাদ করেছেন। নজরুলের অনুবাদ- “এক সোরাহি সুরা দিও, একটু রুটির ছিলকে আর প্রিয়া সাকী, তাহার সাথে একখানি বই কবিতার জীর্ণ আমার জীবন জুড়ে রইবে প্রিয়া আমার সাথ এই যদি পাই চাইব নাকো তখত আমি শাহানশার। কবি গীতিকার নাট্যকার ও সম্পাদক সিকান্দর আবুজাফর কৃত ‘রুবাইয়াত ; ওমর খৈয়াম’ প্রকাশিত হয় ১৯৬৬ সালে। তাঁর অনুবাদ- “এখানে কোথাও পল্লবঘন নির্জন তরুতলে বসে থাকি যদি নিরুদ্বিগ্ন দিন কাটাবার ছলে সাথে থাকে যদি কিছু আহার্য, মদিরা পাত্র ভরা একটি কাব্য সুরভিসিক্ত ছন্দের শতদলেঃ নব জীবনের সলাজ মধুর বিষ্ময়ে সচকিতা/সাথে থাকো যদি লীলায়িত তনু মধুমুখী মধুমিতা তনুতে মুছায়ে তনুর পিপাসা আর যদি গাহো তুমি ফিরদৌসের সমারোহে হবে এ বনানী সুশোভিতা। বাংলায় রুবাইয়াত রচনায় সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম কান্তিচন্দ্র ঘোষ। তাঁর রুবাই পড়তে যেমন ছন্দময় তেমন এর আবেদনও পাঠকের চিত্ত স্পর্শ করে। কান্তিচন্দ্র ঘোষের অনুবাদটি এ রকম- “সেই নিরালা পাতায়-ঘেরা বনের ধারে শীতল ছায় খাদ্য কিছু, পেয়ালা হাতে ছন্দ গেঁথে দিনটি যায় মৌণ ভাঙ্গি মোর পাশেতে গুঞ্জে তব মঞ্জু সুর সেইতো সখি স্বপ্ন আমার, সেই বনানী স্বর্গপুর। কবি ঔপন্যাসিক ও অনুবাদক নরেন্দ্র দেব রুবাইয়াত অনুবাদ করেন। তাঁর অনুবাদ গ্রন্থ ‘ওমর খৈয়াম’ ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। তাঁর অনুবাদটি এ রকম- এইখানে-এই তরুতলে- তোমায় আমায় কুতুহলে এ-জীবনের যে-কটা দিন কাটিয়ে যাবো প্রিয়ে সঙ্গে রবে সুরার পাত্র, অল্প কিছু আহার মাত্র, আর একখানি ছন্দ-মধুর কাব্য হাতে নিয়ে থাকবে তুমি আমার পাশে, গাইবে সখি প্রেমোচ্ছাসে, মরুর মাঝে স্বপ্ন সরগ করব বিরচন, গহন কানন হবে লো সই নন্দনেরই বন। কারো অনুবাদেই মদ রুটি ফুরিয়ে যাবার কথা নেই। তাহলে কেন আমরা যুগ যুগ ধরে একই বিভ্রান্তির আবর্তে ঘুরপাক খেয়ে খেয়ে একজনের সৃষ্টিকে অন্যের নামে চালাচ্ছি? এতে যার নামে চালানো হচ্ছে তাকে যেমন ছোট করা হচ্ছে আর যারটি চালানো হচ্ছে তাঁকেও বঞ্চিত করা হচ্ছে। #সংস্কৃতি #জনগণেরঐক্য #UnityOfPeople #ThinkBangladesh #জনগণেরসংস্কৃতি #সাংস্কৃতিকঐক্য #জনগণেররাজনীতি #Politics #Culture #শিক্ষা #Education #সুফিবাদ #সুফি #মাজার #ওয়াসিফ #followers #everyone #highlights #motivation #ওমরখৈয়াম