У нас вы можете посмотреть бесплатно ❖ রোজা না রাখার শাস্তি ও ভয়াবহতা কী? ❖ তিন ব্যক্তি, যাদেরকে জিবরাঈল (আ.) অভিশাপ দিয়েছেন или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
রোজা না রাখার শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ। আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারীম-এ বলেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে…” (সূরা বাকারা ১৮৩) অতএব, ইচ্ছাকৃতভাবে ফরজ রোজা না রাখা মারাত্মক গুনাহ। ❖ রোজা না রাখার শাস্তি ও ভয়াবহতা ১️⃣ কবীরা গুনাহ ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভঙ্গ বা না রাখা বড় গুনাহ। তওবা ছাড়া মুক্তি নেই। ২️⃣ হাদীসের কঠিন সতর্কবার্তা রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন— “যে ব্যক্তি বৈধ ওজর ছাড়া রমজানের একটি রোজা ভঙ্গ করল, সে যদি সারাজীবন রোজা রাখে তবুও তার ক্ষতিপূরণ হবে না।” — সুনানে আবু দাউদ ৩️⃣ মিরাজে ভয়াবহ দৃশ্য রাসূল ﷺ মিরাজে দেখেছেন—কিছু লোককে উল্টো করে ঝুলানো হয়েছে, তাদের মুখ ছিঁড়ে রক্ত ঝরছে। বলা হলো, এরা রোজা পূর্ণ করার আগেই ইচ্ছাকৃতভাবে ভঙ্গ করত। — সহীহ ইবনে খুযাইমাহ ⚠️ এটি প্রমাণ করে, রোজাকে হালকাভাবে নেওয়া ভয়ংকর পরিণতির কারণ। ❖ তিন ব্যক্তি, যাদেরকে জিবরাঈল (আ.) অভিশাপ দিয়েছেন এক হাদীসে এসেছে, জিবরাঈল (আ.) তিন ব্যক্তির জন্য বদদোয়া করেন, আর রাসূল ﷺ বলেন “আমীন”। হাদীসটি রয়েছে— মুসনাদে আহমদ ১️⃣ যে ব্যক্তি রমজান পেল, কিন্তু গুনাহ মাফ করাতে পারল না অর্থাৎ—রমজানের রহমত, মাগফিরাত পেয়েও তওবা করল না। ২️⃣ যার সামনে রাসূল ﷺ–এর নাম উচ্চারিত হলো, কিন্তু দরুদ পড়ল না ৩️⃣ যে ব্যক্তি মা–বাবা উভয় বা একজনকে জীবিত পেল, তবুও তাদের খেদমত করে জান্নাত অর্জন করতে পারল না ❖ আমাদের করণীয় ✔️ রোজাকে গুরুত্ব দেওয়া ✔️ গুনাহ থেকে তওবা করা ✔️ বেশি বেশি ইস্তিগফার ও দরুদ শরীফ পড়া ✔️ মা–বাবার খেদমত করা রমজান আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমতের বিশেষ মাস। অবহেলা করলে ক্ষতি আমাদেরই।