У нас вы можете посмотреть бесплатно জনপ্লাবনে ভেসে গেল ঠাকুর নগর// Thakur Nagar Matuya Mela 2025// ঠাকুর নগর মতুয়া মেলা// или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
ঠাকুর নগর মতুয়া ধর্মের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয় মধু কৃষ্ণ ত্রয়োদশী তে। শ্রী শ্রী হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্ম তিথি মধুকৃষ্ণ ত্রয়ো দশী ।ঐদিন কামনা সাগরে পুণ্য স্নানের মাধ্যমে শুরু হয় ঠাকুরনগরের মেলা। মতুয়া শব্দের অর্থ মেতে থাকা বা মাতোয়ারা হওয়া অর্থাৎ যিনি হরিনামে মেতে থাকেন বা মাতোয়ারা হন তিনিই মতুয়া।। কেউ কেউ মনে করেন ধর্মে যার মত আছে সেই মতুয়া মতুয়াদের ভজন সাধনের মাধ্যম হচ্ছে নাম সংকীর্তন। এই সাধন পদ্ধতির মাধ্যমে ঈশ্বর লাভ করায় মতুয়াদের মূল লক্ষ্য।। পবিত্রতা শরীর ও মনে প্রেম জাগ্রত করে ,ফলে প্রেমময় হুরি ভক্তের হৃদয়ে আবির্ভূত হন। মতুয়াধর্মে হিন্দু ধর্মের মত কোন জাতপাত নেই ধনী-দরিদ্র নেই যে কোন বর্ণ বা ধর্মের মানুষ ঈশ্বরের সন্তান এই মনোভাব নিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দের মধ্যে সকলে মিলিত হন। *মতুয়াধর্মে নারী পুরুষের সমান অধিকার রয়েছে এই ধর্মে বিধবা বিবাহ কে উৎসাহিত করে বাল্যবিবাহের বিরোধিতা করা হয়েছে। নারী পুরুষ সবাই এই ধর্মের প্রচার করতে পারেন। ধর্মপ্রচারকদের গোসাই বলা হয়। *মতুয়া ভক্তরা ঈশ্বরের প্রতি যে কতটা শ্রদ্ধা বান তা এই ঠাকুরনগরে এলেই বোঝা যায় মধুর সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসভূমি বাংলাদেশের ওড়াকান্দি। ঢাকা বিভাগের গোপালগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। বলা যায় বাংলাদেশের সর্বত্রই মতয়ারা বাস করেন এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উত্তর প্রদেশ মধ্যপ্রদেশ আন্দামান প্রভৃতি রাজ্য প্রচুর রয়েছে। *এক সময় সমাজের উচ্চ বর্ণের মানুষের কাছে অবহেলিত নিপীড়িত হয়ে সমাজের মূল স্রোত থেকে কিছু মানুষ অনেকটাই ছিটকে পড়েছিলেন ।তাই সেই রকম এক পরিবারে জন্ম নেয়া হরিচাঁদ ঠাকুর উচ্চ বর্ণের মানুষের অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন এবং তিনি নিম্ন বর্ণের মানুষের মুক্তির জন্য সারা জীবন ধরে আন্দোলন করে গেছেন তিনি দলিল শ্রেণীর মানুষের উন্নয়নে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রবর্তন করেন। শিক্ষা দীক্ষা সুপথে চলার সমস্ত প্রকার সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে তিনি ব্রতি হন। এই কারণে হরিচাঁদ ঠাকুরকে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রবর্তক বলা হয় ।তার সুযোগ্য পুত্র গুরুচাঁদ ঠাকুরের মতো সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য সারা জীবন কাজ করেছেন।