У нас вы можете посмотреть бесплатно ♥️♥️কোনোদিন তোকে কিছু বলিনি।আজকে প্রথম ও শেষবারের মতো তোকে বলছি এই বিয়েটা তুই করেনে মা।" или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
#প্রণয়ের বিড়ম্বনা #সূচনা_পর্ব #তানজিম_তানাজ "কোনোদিন তোকে কিছু বলিনি।আজকে প্রথম ও শেষবারের মতো তোকে বলছি এই বিয়েটা তুই করেনে মা।"আজমল সাহব অনেক আকুতি ভরা কন্ঠে মেয়েকে উক্ত কথাটি বললেন।নূরের চোখ পানিতে টলমল করছে এখুনি তা গড়িয়ে পরবে।কিন্তুু নূর নিজেকে সংযত রাখলো কিছুতেই সে চোখের পানি ফেলবেনা। যারা তার সাথে অন্যায় করছে তাদের জন্য তো নয়ই।নূর নিরবে বিয়ের রেজিস্ট্রি পেপারে সই করে দিলো।নিজের মনের বিরুদ্ধে এক মানসিক রোগী বলতে গেলে পাগলের সাথে বিয়ে হয়ে গেলো তার। আজমল সাহেব রেজিস্ট্রির কাগজটা হাতে নিলেন।আরেক হাত নূরের মাথায় রেখে বললেন,"যা করেছি তোর ভালোর জন্য করেছি মা।তুই অনেক সুখী হবি। " আজমল সাহেবের কথাগুলো বিষের মতো বিধলো নূরের মস্তিষ্কে। এক পাগলের সাথে কীভাবে সে সারাজীবন থাকবে!নূরের তার বাবাকে কিছু বলতে উদ্ধত হয়েও কিছু বললোনা দাত চেপে চুপ করে রইলো।আজমল সাহেব নূরের রুম থেকে বেরিয়ে আত্মীয়স্বজনে ভরা ড্রইংরুমে আসলেন।ভরা বিয়ের মজলিসে শুধু একটাই কথা কানাঘুষা হচ্ছে "জেনেশুনে কীভাবে নিজের মেয়ের বিয়ে পাগলের সাথে দিচ্ছে!" আবার অনেক আত্মীয় বলছে আজমল সাহেব টাকার জন্য নিজের মেয়ের বিয়ে পাগলের সাথে দিচ্ছেন।"কোনো কথাই আজমল সাহেবের কানে এড়ালোনা তবু তিনি কোনো তোয়াক্কা না করে গিয়ে বরের পাশে বসলেন।সোফায় বরের বেশে এক অবুঝ শিশুসুলভ ব্যক্তি বসে আছে যাকে সামলাতে তার ভাইবোন হিমশিম খাচ্ছে।যে বারবার একই কথা বলছে" বউকে দেখবে।" "এ বোন দেখনা আমার বউ এখনো আসছেনা।কেনো আসছেনা।আমার কী বিয়ে হবেনা,এ ভাই..." নেহা শুধু ইশারায় চুপ করতে বলছে নিজের ভাইকে।আয়েশ আদ্রিয়ানকে জোরে ধমক দিয়ে বললো, "চুপ কর তুই" খানিকটা জোড়ে বলায় আদ্রিয়ান চুপ করে মুখের সামনে আঙ্গুল দিয়ে বসে রইলো। নূর এখনো তার বরকে দেখেনি। তার মনে খানিকক্ষণ আগে নিজের হবুবরকে দেখার প্রবল আগ্রহ এখন মরে গেছে।নিরবে শুধু চোখের অশ্রু ফেলছে।মনে শুধু একটাই প্রশ্ন কীভাবে তার বাবা এমনটা করতে পারলো তারসাথে?আর কী এমন কারণ যার জন্য হঠাৎ তার বিয়ে একদিনের মধ্যে করানো হলো!একদিন আগেও নূর জানতোনা আজকে তার বিয়ে।কালকে সকালে যখন তার বাবা তাকে বিয়ের কথা বললো নূর তার বাবাকে কোনো প্রশ্ন করেনি বিনা বাক্যে এই বিয়ের জন্য রাজি হয়ে যায়।নূরের তার বাবার উপর প্রবল আস্থা ছিলো তাই বিনা বাক্যে পাত্রকে না দেখে বিয়েতে রাজি হয়ে যায়।কিছুক্ষন আগে বধুবেশে নূর বসেছিলো মনের মধ্যে প্রবেল ইচ্ছা নিজের হবু বরকে দেখা। হাঠাৎ তার কানে আসলো কেউ একজন বলছে" বর পাগল!" নূর প্রথমে কথাটা বুঝতে পারেনি।পরে প্রত্যেক আত্মীয়স্বজনের মুখে শুনছে তার বর নাকি পাগল।নূরে মনে প্রশ্ন জাগলো সবাই এই কথা কেনো বলছে!আসলেই কী তার বর পাগল?না তার বাবা তাকে কোনো স্বাভাবিক মানুষের সাথেই বিয়ে দিবে।তারপরও নূরের মনে সন্দেহ লাগছে।বিষয়টা বুঝার জন্য এক কাজিনকে বিয়ের আসরে পাঠালো।আসর থেকে ফিরে কাজিন মুখে যা শুনলো তাতে নূরের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরলো।আসলে বাবা তার বিয়ে এক পাগলের সাথে বিয়ে ঠিক করেছে।তার হবু বর পাগল কথাটা জানার সাথে সাথে নূর বিয়েতে অমত করে দিয়েছে।কিন্তুু তবুও বাবার কাছে হার মেনে তাকে এই বিয়েটা করতে হলো।নূরের মা মারা গিয়েছে ছোট থাকতেই। বাবাই তাকে একা মানুষ করেছে।যখন যা চেয়েছে তাই দিয়েছে বিনিময়ে তার কাছে কখনো কিছু চায়নি।যার কারণে অনিচ্ছা শর্তেও নূর বিয়েটা করলো।কিন্তুু কেনো করলো তার সাথে এরকম!কিছু মূহর্তের ব্যাবধানে তার জীবন উলটপালট হয়ে গেলো।এখন সে আইনগতভাবে আদ্রিয়ানের স্ত্রী। অনিচ্ছা শর্তেও এখন সে আদ্রিয়ান স্ত্রী। রুমে কারো প্রবেশের আভাস বুজতে পেরে নূর চোখের পানি দ্রুত মুছে ফেললো।নূর ফ্লোরের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।তারপাশে কেউ বসে কাঁধে হাত রাখতেই নূর পাশে থাকিয়ে একটা অপরিচিত মেয়েকে দেখে ভ্রু কুচকালো।নূর যে মেয়েটাকে চিনতে পারেনি তা বুঝে মেয়েটা বললো, "আমি নেহা।তোমার ননন্দ।আদ্রিয়ান আমার বড় ভাই।" নূর ভ্রু সোজা করে সামনের দিকে তাকালো।নূর কালকেই শুনেছিল তার যার সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে তার নাম আদ্রিয়ান।নেহার সাথে কথা বলার কোনো ইচ্ছা নাই নূরের।তা বুঝতে বাকি রইলো না নেহার।সে এটাও বুঝতে পারছে নূরের এই বিয়েতে মত নেই।নেহা দ্বীর্ঘশ্বাস ছেড়ে নূরকে বললো, "চলো ভাবি তোমার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে। " নূর উঠে দাঁড়ালো। বিয়ের আসরে যেতেই অনেক কথা তার কানে আসলো।অনেকে নূরের জন্য আফসোস প্রকাশ করছে যা বুঝতে পরে নূরের মন ক্ষতবিক্ষত হতে লাগলো।নেহা নূরকে আদ্রিয়ানে পাশে বসিয়ে দিলো।নূর একবারও আদ্রিয়ানের দিকে তাকায়নি। মাথা নিচু করে রয়েছে।আদ্রিয়ান অপলক দৃষ্টিতে নূরের দিকে তাকিয়ে রয়েছে।এত সময় অনেক পাগলামি করলেও নূরকে দেখে এখন স্থির হয়ে বসে রয়েছে।কাজি বিয়ে পড়ানো শুরু করলো।কবুল বলার মাধ্যমে নূর পুরোপুরি ধর্মীয়গতভাবে আদ্রিয়ানের স্ত্রী হয়ে গেলো। বিয়ে পরানো পর সাথে সাথেই নূরের বিদায়ের ব্যবস্থা করা হলো।আজমল সাহেব যতদ্রুত সম্ভব নূরকে শশুরবাড়ি পাঠাতে চান।বাবার এতো তাড়াহুড়ো দেখে