У нас вы можете посмотреть бесплатно দক্ষিনাঞ্চলের প্রান পায়রা(লেবুখালী) সেতু !!|| payra setu ||পায়রা সেতু или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
#পায়রা_সেতু #লেবুখালী_সেতু #payra_bridge #Barisal পায়ার সেতু বাংলাদেশের একটি সেতু যা পায়রা নদীর ওপর ২০২১ সালে নির্মাণ করা হয়েছে। সেতুটির দৈর্ঘ্য ১,৪৭০ মিটার (৪,৮২০ ফু)। এটি চার সড়কবিশিষ্ট। নদীর জলতল থেকে ১৮.৩০ মিটার উচু। সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে আলোকিত হয় সেতুটি। এ সেতু দ্বারা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল জেলা ও পটুয়াখালী জেলা যুক্ত হয়েছে। পটুয়াখালী ও রাজধানী ঢাকার মধ্যে সড়ক সংযোগে এই সেতুটি গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর যানবাহন চলাচলের জন্য সেতুটি খুলে দেয়া হয়। বরিশাল-পটুয়াখালী সড়কটি কুয়াকাটা অবধি বিস্তৃত। ঢাকাসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানের সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা হচ্ছে এটি। ঢাকা থেকে বরিশাল পর্যন্ত বিভিন্ন নদীতে সেতু নির্মাণের ফলে সড়ক পথে যেতে কোথাও জনগণকে ফেরিতে পারাপার হতে হয় না। কিন্তু পায়রা নদীতে ফেরি ছাড়া পটুয়াখালী যাওয়া অসম্ভব ছিলো। এতে সময়ের সঙ্গে অর্থেরও অপচয় হতো। তাই বাংলাদেশ সরকারের সড়ক ও জনপথ অধিদফতর পায়রা সেতু নির্মাণের জন্য একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়ন করে। এ প্রকল্পে বরিশাল-পটুয়াখালী সড়কে বাকেরগঞ্জ ও দুমকী উপজেলার লেবুখালী নামক স্থানে পায়রা নদীর ওপর এ সেতুটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়। ২০১২ সালের ৮ মে একনেক সভায় প্রকল্পটি সরকারের অনুমোন লাভ করে। বাস্তবায়নকাল ধরা হয় ২০১২ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। এতে ব্যয় ধরা হয় ৪১৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে বৈদেশিক সহায়তা অর্থাৎ কুয়েত ফান্ড থেকে ৩৩৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়। বাংলাদেশ সরকার জোগাবে ৭৭ কোটি ৩ লাখ টাকা। প্রকল্প বাস্তবায়ন বিলম্বিত হলে ২০১৫ সালের ৩১ মে ব্যয় প্রাাক্কলন বাড়িয়ে ৪১৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়। ২০১৭ সালে আবার এই সেতু নির্মাণে গতি আসে সেতু নির্মাণ সংস্থার দরপত্র গ্রহণের মাধ্যমে। সরকার থেকে বলা হচ্ছে এই সেতু নির্মাণ খুব শীঘ্রই শুরু হবে। সেতু নির্মাতা ঠিকাদার নিযুক্ত হলে সেতু নির্মাণের প্রকৃত কাজ শুরু হবে। তবে আবারও ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফা সংশোধিত ব্যয় প্রাাক্কলন করা হয় ১ হাজার ২৭৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা। ব্যয় বাড়ছে ৮৬৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। সময় বাড়ানো হয় ৪ বছর অর্থাৎ ২০২১ সালের এপ্রিল পর্যন্ত।