У нас вы можете посмотреть бесплатно সাবেক খতিয়ান -বনাম- হাল খতিয়ান।Former Khatian -Versus- Hal Khatian। সহজ আইন। Shohoz Ain। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
প্রিয় দর্শক, এই পর্বের মাধ্যমে আমি আলোচনা করেছি সাবেক খতিয়ান কি ও হাল খতিয়ান কি? টাকার হিসাব রাখার জন্য ব্যাংকে যেমন একটি একাউন্ট নম্বর থাকে ঠিক তেমনি জমিরও একটি একাউন্ট নম্বর থাকে। একে খতিয়ান নম্বর বলে। একটি জরিপে কোন একটি দাগ এক বা একাধিক একাউন্টে (খতিয়ানে) অন্তর্ভুক্ত থাকে। পরবর্তী জরিপে সেই দাগটি অন্য একটি নতুন একাউন্টে (খতিয়ানে) অন্তর্ভুক্ত হয়। এক্ষেত্রে, পূর্বের একাউন্ট নম্বরকে সাবেক খতিয়ান এবং বর্তমান একাউন্ট নম্বরকে হাল খতিয়ান বলে। একটু জটিল মনে হচ্ছে। ধরি, এসএ রেকর্ডে মোঃ রহিম উদ্দিন এর একটি একাউন্ট (খতিয়ান নম্বর) ছিল যার নম্বর ২০১। এই একাউন্টে ৬৭, ১০৩ ও ৩০৪ এই তিনটি জমির খণ্ড (দাগ নম্বর) ছিল। তিনি এক সময় তার মালিকানার এই তিনটি দাগের জমি বিক্রি করে দেন। ৬৭ ও ১০৩ দাগের জমি বিক্রি করেন জামাল মিয়ার নিকট এবং ৩০৪ দাগের সকল জমি বিক্রি করেন হোসেন মিয়ার নিকট। পরবর্তীতে বিআরএস রেকর্ডে এসএ ৬৭ এবং ১০৩ দাগটির নতুন পরিচিতি নম্বর (দাগ নম্বর) ১০৫ ও ৪০৫ হয়। তখন জামাল মিয়ার নামে ৩০৮ নম্বর একাউন্ট (খতিয়ান) খোলা হয় এবং সেই একাউন্টে বিআরএস ১০৫ ও ৪০৫ দাগের জমি অন্তর্ভুক্ত হয়। এ ক্ষেত্রে ৩০৮ হলো হাল খতিয়ান এবং ২০১ হলো সাবেক খতিয়ান। আবার, এসএ ৩০৪ দাগটি বিআরএস রেকর্ডে নতুন পরিচিতি নম্বর ৫০৭ (দাগ নম্বর) পায় এবং সেটি জামাল মিয়ার নামে ২৫৬ নং একাউন্টে (খতিয়ানে) অন্তর্ভুক্ত হয়। এক্ষেত্রে ২৫৬ হলো হাল খতিয়ান এবং ২০১ হলো সাবেক খতিয়ান। জরিপের প্রধান কাজ হলো একটি মৌজার মৌজা ম্যাপ তৈরি করা। পূর্বেই বলা হয়েছে মৌজা ম্যাপে অসংখ্য ভূমি খণ্ড আঁকা থাকে এবং এসব ভূমি খন্ডের একটি দাগ নম্বর দেয়া হয়। সাধারণত একটি জরিপের অনেক বছর পর অপর একটি জরিপ পরিচালিত হয়। এত বছরের ব্যবধানে এবং জমির মালিকানা বদলের কারণে অথবা অন্যান্য কারণে জমির খণ্ড বা দাগসমূহের আকার/আকৃতি বা জমির পরিমাণ পরিবর্তিত হয়; আবার কখনও আকার/আকৃতি অপরিবর্তিত থেকে যায়। কখনও কখনও দেখা যায় যে পূর্ববর্তী জরিপের একটি বড় খন্ডের জমি (দাগ) পরবর্তী জরিপে ভেঙ্গে একাধিক খন্ডে (দাগে) পরিণত হয়। তখন নতুন জরিপে এই নতুন জমির খণ্ডগুলোকে চেনার জন্য পরিচিতি নম্বর (দাগ নম্বর) দেয়া হয়। ধরি, নেত্রকোণা জেলায় ১৯৬০-১৯৬২ সালে পরিচালিত এসএ জরিপে সাতপাই মৌজার একটি দাগ নম্বর ছিল ১০৩ এবং সেই দাগে জমির পরিমাণ ছিল ৮০ শতাংশ। ১৯৮০-১৯৮২ সালে নেত্রকোণা জেলায় পরিচালিত বিআরএস জরিপে সাতপাই মৌজার ১০৩ দাগটি ভেঙ্গে ৩টি খন্ডে পরিণত হয়েছে। এই তিনটি খণ্ডকে চেনার জন্য ২০৪, ২০৫ ও ২০৬ পরিচিতি নম্বর (দাগ নম্বর) দেয়া হয়েছে। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, বিআরএস ২০৪, ২০৫ ও ২০৬ দাগ তিনটি এসএ ১০৩ দাগ হতে এসেছে। এক্ষেত্রে বিআরএস ২০৪, ২০৫, ২০৬ কে হাল দাগ এবং এসএ ১০৩ দাগকে সাবেক দাগ বলা হয়। বিআরএস জরিপের যেহেতু নেত্রকোণা জেলায় অন্য কোন জরিপ হয়নি তাই এই দাগটি হাল দাগ। কিন্তু ভবিষ্যতে যখন পুনরায় কোন জরিপ হবে তখন বিআরএস দাগ হয়ে যাবে সাবেক দাগ এবং নতুন জরিপের দাগ হয়ে যাবে হাল দাগ। নেত্রকোণা জেলায় সিএস জরিপের পর এসএ জরিপ এবং তারপর বিআরএস জরিপ পরিচালিত হয়। তাই বিভিন্ন ক্ষেত্রে ১৯৮০ সালের পূর্বের অনেক দলিলে সাবেক দাগ হিসেবে সিএস দাগ এবং হাল দাগ হিসেবে এসএ দাগ লেখা থাকে। নিচের ১ম চিত্রে হাল রেকর্ডে বিআরএস ১২ দাগের সাবেক এসএ দাগ ২৭। আবার ২য় চিত্রে হাল এসএ দাগ ২৭ দাগের সাবেক সিএস দাগ ৩২। #সাবেকখতিয়ান #হালখতিয়ান Contact Information Phone No- 01671-043256 Email- lemon.law14@gmail.com Face book Page Link- / shohozain Instagram Link- / advocatelemon Twitter Link- / advocatelemon