У нас вы можете посмотреть бесплатно সাপের ফলক পাথর ভাঙার পর অলৌকিকভাবে হয় পাগল। মির্জা আলী কুলি বেগ (র.) এর কষ্টি পাথরের মাজার। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
সুফিসাধক মির্জা আলী কুলি বেগ (র.)-এর মাজার শরীফ। মোকাররম মির্জা আলী কুলি বেগ (র.)-এর মাজারটির সংস্কার প্রয়োজন। সদিচ্ছার অভাব আর প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয়াল ছোবলে কোনমতে টিকে রয়েছে কয়েকটি সমাধি, কালো পাথরের তৈরি প্রত্নতাত্ত্বিক সামগ্রী আর একটা ইটের ঘরের ভগ্নাবশেষ। ঘরটার ছাদ সেই কোনকালে ভেঙে গেছে, জীর্ণ দেয়ালগুলো কোন রকম দাঁড়িয়ে আছে। এই ঘরের ভেতর ছয়-সাতটি কষ্টিপাথর দিয়ে বাঁধানো সমাধিতে শায়িত আছেন শাহ মোকাররম মির্জা আলী কুলি বেগ (র.)। এই সমাধিসৌধের গঠনরীতি অভিনব এবং উপরে একটি গোল গম্বুজ ছিল বলে অনুমান করা হয়। সম্ভবত তা সপ্তদশ শতকে মোগল আমলে নির্মিত। এখানকার ব্যবহৃত কষ্টিপাথরের মতো পাথর সম্রাট জাহাঙ্গীর (১৫৬৯-১৬২৭ খ্রি.) ও শাহজাহানের (১৬২৮-১৬৫৮ খ্রি.) আমলে দিল্লি এবং আগ্রায় ব্যবহৃত হয়েছে। এই সমাধিতে তিনটি লিপি উৎকীর্ণ আছে। তার মধ্যে প্রথম দুটি হল সূরা আর রাহমানের ১৬ ও ২৭ নম্বর আয়াত, যার অর্থ_ 'পৃথিবীর সব কিছুই লয়প্রাপ্ত হয়ে যাবে কেবল পরম সৌভাগ্যশালী আল্লাহ্ তায়ালার মহিমা, সম্মান ও বদান্যতা অক্ষুণ্ণ থাকবে।' অপরটি ফারসি, যার অর্থ : 'যদি কেউ এই ঘর (সমাধি) থেকে একটি প্রস্তরখণ্ড স্থানান্তরিত করে, তাহলে ইহকাল ও পরকালের জন্য পবিত্র কোরআন তার দুশমন হবে; তার ওপর হাজারো অভিশাপ (গজব) বর্ষিত হবে এবং সে দোজখের আগুনে পুড়বে।' পরবর্তীকালে সুফিসাধক শাহ মোকাররম মির্জা আলী কুলি বেগ (র.)-এর নামানুসারে ওই জায়গার নামকরণ করা হয় কুমুরপুর। ১৬৬২ খ্রিস্টাব্দে তিনি পরলোকগমন করেন। রাজশাহী শহর থেকে নয় মাইল পশ্চিমে গোদাগাড়ী উপজেলার কুমারপুর গ্রামের এক টিলায় চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন পারস্য সেনানায়ক ও বাংলার অন্যতম খ্যাতিমান সুফিসাধক শাহ মোকাররম মির্জা আলী কুলি বেগ (র.)।