У нас вы можете посмотреть бесплатно ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে চীনের হাসপাতাল নির্মাণ !! আটকাতে পারলো না মোদি ! China hospital- India border или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
চিকেন নেকের কাছে নীলফামারীতে চীনের এক হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণকে ঘিরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নয়াদিল্লি বলছে, প্রকল্পটির অবস্থান তাদের জাতীয় নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল। অন্যদিকে, চীনের কাছেও এই অঞ্চলটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ও পছন্দের লোকেশন । ফলে একটি হাসপাতাল প্রকল্প এখন রূপ নিয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে। চীনের বড় বড় প্রজেক্টগুলো কেনই উত্তরান্ঞলকে ঘিরে আর ভারতের কেন বার বার আপত্তি এমন অবস্থায় বাংলাদেশের -- উন্নয়ন অগ্রাধিকার পাবে, নাকি কৌশলগত উদ্বেগ? তা জানাবো আজকের এই ভিডিওতে চলুন শুরু করা যাক - নীলফামারী জেলা ভৌগোলিকভাবে ভারতের স্পর্শকাতর সিলিগুড়ি করিডর–এর কাছাকাছি অবস্থিত। এই সরু করিডরই ভারতের মূল ভূখণ্ডকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যের সঙ্গে সংযুক্ত রাখে। মাত্র কয়েক কিলোমিটার প্রস্থের এই অঞ্চল ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এ অঞ্চলের আশেপাশে যেকোনো বড় অবকাঠামো প্রকল্প স্বাভাবিকভাবেই ভারতের নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের নজরে আসে। প্রস্তাবিত হাসপাতালটি হবে অত্যাধুনিক এক হাজার শয্যার একটি বিশেষায়িত মেডিকেল কমপ্লেক্স। সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২২ হাজার কোটির বেশি টাকা। পুরো অর্থায়ন করবে চীন সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সরঞ্জাম, আধুনিক গবেষণাগার এবং উন্নত ব্যবস্থাপনা কাঠামো থাকবে এখানে। নির্মাণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় চীনা বিশেষজ্ঞদের দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। ভারতের পক্ষ থেকে কূটনৈতিকভাবে জানানো হয়েছে—বিষয়টি তারা পর্যবেক্ষণে রেখেছে। যদিও সরাসরি কোনো অভিযোগ আনা হয়নি, তবে বিশ্লেষকদের একটি অংশ আশঙ্কা করছেন—বিদেশি উপস্থিতি ভবিষ্যতে কৌশলগত প্রভাব বিস্তারের সুযোগ তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশের দৃষ্টিকোণ ভিন্ন। উত্তরবঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে উন্নত চিকিৎসা সুবিধার ঘাটতি রয়েছে।