У нас вы можете посмотреть бесплатно চীন থেকে কুকুর এনে মুখ পোড়ালো মোদিজীর গলগোটিয়া। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
২০২৪ এ মার্চে বিল গেটস এসেছিলেন ভারতে, বিশ্বের সবাই জানেন যে মোদিজীর সামনে সাদা চামড়া নিয়ে দাঁড়ালেই ওনার ঘাড় এমনিতেই নুইয়ে যায়, কাজেই যা দরকার শুধু বলে ফেললেই হলো, আর ওনার এক সাকরেদকে সঙ্গে রাখলে তো কথাই নেই, তো আদানির সঙ্গে বেশ কিছু প্রোপোজাল নিয়ে কথাবার্তা হবার পরে বিল গেটস এসেছিলেন, মোদিজীর সঙ্গে দেখা হয়েছিল, তো মোদিজী ঐ বিল গেটস কে এ আই বোঝাচ্ছিলেন, বলছিলেন আমাদের দেশে এ আই নতুন কিছু নয়, আমরা তো মা কে কবে থেকেই আই বলি, ওটাও এ আই, এরকম স্থুল রসিকতার সামনে বিব্রত বিল গেটস কিংকর্তব্য বিমূড়। তো সেই মোদিজী এই আই সামিট উদ্বোধনে এলেন, একতা চশমা পরে ওনার ছবি তোলা হল, স্মার্ট চশমা, নাকি ভারতে তৈরি হচ্ছে, মোদিজী তো অবিভূত। কেউ ওনাকে বলে নি যে স্মার্ট চশমা যাত্রা শুরু করে ১৯৮৬ সালে, তখন এই চশমার শুরুয়াতি দিন, মূলত একেবারে অন্ধদের জন্য খানিক সাহায্য করার জন্য, সামনের রং বা অবস্ট্রাকশন বোঝার জন্য ব্যবহার হতো। এরপর বড় পরিবর্তন এলো ২০১২ তে ওকালে কোম্পানি, তারপরেই ক্যানন জানিয়ে দিল তারা আসছে স্মার্ট চশমা নিয়ে, এরপর ২০১৩ আরও উন্নত হল সেই চশমা, ২০১৪ তে এসে গেল গুগল গ্লাস, ২০১৮ তে এই চশমা এক্কেবারে সাধারণ চশমার মতো হয়ে উঠলো, ২০২০ তে চশমা জোগাতে থাকলো তথ্য, ম্যাপ, আরও অনেক কিছু, ২০২১ এ রে ব্যান ঢুকে পড়লো এই দুনিয়াতে, এখন ফেসবুক এল ঐ চশমাতে, কোয়ালকম স্নাপড্রাগন প্রসেসর এলো, ২০২৫ এ মেটা এ আই মানে আর্টিফিসিয়াল ইন্টলিজেন্স যুক্ত চশমা এনে দিল বাজারে। মোদিজী গণেশের মাথা কেটে হাতির মাথা জুড়ে দেওয়াকে প্ল্যাস্টিক সার্জারি মনে করেন, তিনি তো এ দেখেই থ। ওদিকে ওনার পেয়ারের গলগোটিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, যাদের তিনি নিজের হাতে তাদের কৃতিত্বের জন্য পুরস্কার তুলে দিয়েছিলেন, সেই গলগোটিয়া ইউনিভার্সিটিও ছিল ঐ এ আই সামিটে, তাঁরা প্রথমে এক চিনের রোবোটিক কুকুর দেখিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে তাঁরা এই কুকুরটাকে ডেভেলপ করেছে, আপনি একটু চেষ্টা করলেই অ্যালেক্সা আছে এমন অ্যামাজন ইকোর ওপরে একটা রাক্ষস বসিয়ে কুম্ভকর্ণ বলে ডেকে তাক লাগিয়ে দিতেই পারেন, ওনারাও সেরকম চীনের কুকুইর নিয়ে এসে মোদিজীর মুখ উজ্জ্বল করতে নেমেছিলেন, এতেও শেষ নয় তারপরেই দক্ষিণ কোরিয়ার এক দ্রোনকেও ঐ নিজেদের বলে চালানোর চেষ্টা করেছেন, সারা পৃথিবী জেনেছে ভারতের এ আই কতটা উন্নত হয়ে উঠেছে। আসলে মোদিজীর আমলে কুসংস্কারের চাষ হচ্ছে, দেহ কে এক মধ্যযুগে ঠেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, সেখানে এই এ আই সামিট এক লোক দেখানো বিষয়। ধরুন চীন, ভারত স্বাধীন হবার একবছর পরে চীনের বিপ্লব শেষ হচ্ছে, সেই চীনে এ আই শুরু হল ২০১৭ তে, আলিবাবা ক্লাউড, ১৭ তেই বাইডু, টেন্সেন্ট, আইফাইটেক, ২০১৮ তে সেন্স টাইম, ২০১৯ এ ইতু, হুওয়েই, পিনগান, হিকভিশন, জেডি কম, মেগভি, কুইহু ৩৬০, টাল এডুকেশন গ্রুপ, আর ঐ বছরেই জিওমি এসেছে চীনের এ আই ইন্ডাস্ট্রিতে। তাদের ডিপ সিক থেকে আলিবাবাকূয়েন ৩.৫ বিশ্ব কাঁপাচ্ছে। ওদিকে অন্ধভক্তরা ভারতজিপিটি দেখিয়ে বলছে এটা হল ভারতের এ আই। জানেই না যে কোম্পানি আমেরিকার, পুঁজি আমেরিকার, লাভও আমেরিকার, কেবল নামটা হল ভারতজিপিটি, ওদের ব্যবসা বাড়বে। কই শুনেছেন ইউকে জিপিটি বা চায়নাজিপিটি? নেই তো। এদিকে ভারতে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের সব থেকে বড় শিবলিঙ্গ, বসানো হবে পূর্ব চম্পারণ জেলার মোতিহারিতে। ৩৩ ফুট উচ্চতা, ২১০ টন ওজনের কালো গ্রানাইটে তৈরি হয়েছে এক বিশাল শিবলিঙ্গ, তাকে তামিলনাড়ু থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মোতিহারিতে, ১৭ জানুয়ারি তাকে প্রতিষ্ঠা করা হলো। ওদিকে চীনের সবথেকে বড় হাইডেল পাওয়ার স্টেশন চালু হবার মুখে, নাম থ্রি গর্জেস ড্যাম, এটা চীনের ইয়াংসি নদীর ওপরে করা হয়েছে। এর মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২২,৫০০ মেগাওয়াট, একটু তুলনা দিই? মহারাষ্ট্রের কয়না হাইডেল পাওয়ার প্রজেক্ট হল ভারতের সবথেকে বড় হাইডেল পাওয়ার স্টেশন, তার উৎপাদন ক্ষমতা ১৯৬০ মেগাওয়াট, হ্যাঁ ঠিক শুনেছেন ১৯৬০ মেগাওয়াট, চীনের থ্রি গর্জেস ড্যামের উৎপাদন ক্ষমতা ২২৫০০মেগাওয়াট। এই মুহূর্তে বিশ্বের বৃহত্তম হাইড্রো-ইলেকট্রিক পাওয়ার স্টেশন। চীনের বড় বড় শহর, বেজিং, সাংহাই, চেংদু, গূয়াংজু এদের কথা ছেড়েই দিন, মেজ, সেজ বা ছোট শহরে গেলে দেখতে পাবেন একদিকে স্কাই স্ক্রাপার, বিশাল ফ্ল্যাই ওভার, ইঞ্জিনিয়ারিং মার্ভেল, ফ্যাক্টরি, অন্যদিকে ঝকঝকে শহর, পানীয় জল, বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা চলছে সেখানে, নিত্য নতুন বিষয় নিয়ে। এই সবকিছুর সাথে জুড়ে আছে এক ওয়েল ডেভেলপড শহর পরিকল্পনা, ক্লাস ওয়ান কনস্ট্রাকশন প্ল্যানিং। তারা ৩০ দিনে ৮ কিলোমিটার ফ্লাইওভার তৈরি করছে, হ্যাঁ অবাক লাগলেও সত্যি। চীন একটা সুশৃঙ্খল সমাজ, কিন্তু তার থেকেও বড় কথা হল এই কাজটা সম্ভব হচ্ছে, প্রকৌশলীদের, ইঞ্জিনিয়ারদের হাত ধরে। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো, আজকের দিনে চীনের রাজনৈতিক নেতৃত্বে প্রকৌশলীদেরই টেকনোক্রাটদেরই প্রাধান্য। কতটা? প্রদেশ, বড় শহর এবং স্বশাসিত অঞ্চলের গভর্নর, মেয়র আর পার্টি সেক্রেটারিদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই প্রযুক্তি-বিশেষজ্ঞ (টেকনোক্র্যাট)। ভাবা যায়? আর আমাদের? সারা দেশ ছেড়েই দিন, লোকসভাতে ৫৯৩ জনের মধ্যে ২৫% সদস্যের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি আছে, ডক্টরেটের সংখ্যা ৪% আর সেই অর্থে টেকনোক্রাট মাত্র ৪ জন।