У нас вы можете посмотреть бесплатно বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অংকন/আঁকা - How to Draw National Flag of Bangladesh или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অংকন/আঁকা | How to Draw National Flag of Bangladesh. Bangladesh's national flag drawing is very very easy. Generally, its ration is 10:6. So I've drawn it 10 cm x 6 cm. 👌 জাতীয় জাতীয় পতাকা অঙ্কন পদ্ধতি: বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার আকৃতি আয়তাকার । এর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০:৬ এবং মাঝের লাল বর্ণের বৃত্তটির ব্যাসার্ধ দৈর্ঘ্যের পাঁচ ভাগের এক ভাগ, পতাকার দৈর্ঘ্যের কুড়ি ভাগের বাম দিকের নয় ভাগের শেষ বিন্দুর ওপর অঙ্কিত লম্ব এবং প্রস্থের দিকে মাঝখান বরাবর অঙ্কিত সরল রেখার ছেদ বিন্দু হলো বৃত্তের কেন্দ্র ।পতাকার দৈর্ঘ্য ১০ ফুট হলে প্রস্থ হবে ৬ ফুট, লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে ২ ফুট, পতাকার দৈর্ঘ্যের সাড়ে ৪ ফুট ওপরে প্রস্থের মাঝ বরাবর অঙ্কিত আনুপাতিক রেখার ছেদ বিন্দু হবে লাল বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দু । 👌 পতাকা ব্যবহারের মাপ : ভবনে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপগুলো হলো —১০ ফুট বনাম ৬ ফুট, ৫ ফুট বনাম ৩ ফুট, ২.৫ ফুট বনাম ১.৫ ফুট।মোটরগাড়িতে ব্যবহারের জন্য পতাকার বিভিন্ন মাপ হলো—১৫ ইঞ্চি বনাম ৯ ইঞ্চি, ১০ ইঞ্চি বনাম ৬ ইঞ্চি।আন্তর্জাতিক ও দ্বিপাক্ষিক অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য টেবিল পতাকার মাপ হল—১০ ইঞ্চি বনাম ৬ ইঞ্চি। 👌 কিছু তথ্য : 👉 মহামান্য রাষ্ট্রপ্রতি ও প্রধানমন্ত্রী বাস ভবন ,নৌযান, গাড়ি ও বিমানে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারেন । 👉 বাংলাদেশের ১৫টি মর্যাদাসমপন্ন পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং তাঁরা হলেন রাষ্ট্রপ্রতি, প্রধানমন্ত্রী ,স্পিকার, প্রধান বিচারপ্রতি, মন্ত্রী, চিপহুইপ, ডেপটি স্পিকার, বিরোধী দলের নেতা, মন্ত্রীর মর্যাদা সমপন্ন ব্যাক্তি, প্রতিমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা সমপন্ন ব্যাক্তি, উপ মন্ত্রী, উপমন্ত্রীর মর্যাদা সমপন্ন ব্যাক্তি, বিদেশে বাংলাদেশের কুটনীতিক এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান । বাংলাদেশে ১০টি মর্যাদা সমপন্ন পদে অধিষ্ঠিত ব্যাক্তি গাড়ি ও জলযানে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারে তাঁরা হলেন রাষ্ট্রপ্রতি, প্রধান মন্ত্রী , স্পিকার, প্রধান বিচারপ্রতি, মন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা, চীপহুইপ, ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রীর মর্যাদা সমপন্ন ব্যাক্তি, বিদেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের কুটনীতিকগন । 👌 পতাকার ব্যবহার বিধি : 👉 জাতীয় পতাকা সঠিক রং ও মাপে তৈরী করতে হবে । 👉 জাতীয় পতাকা কোন যানবহন, রেলগাড়ী বা নৌকার সামনে উড়ানো যাবে,কিন্তু পিছনে ওড়ানো যাবে না । 👉 জাতীয় পতাকা যদি কোন মিছিলে বহন করা হয় তাহলে তা প্রথম সারির মাঝে বা ডান দিকে রাখতে হবে । 👉 জাতীয় পতাকা মাটি, পানি বা মেঝেতে ফেলা যাবে না। 👉 জাতীয় পতাকার ওপর কিছু লেখা বা মুদ্র্রন করা যাবে না। এমন কি কোন অনুষ্ঠান উপলক্ষে কিছু আঁকা যাবে না । 👉 নির্দিষ্ট দিনে নির্দিষ্ট স্থানেই কেবল জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে। সূর্য উদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পতাকা উড্ডীন রাখা যাবে । 👉 জাতীয় দিবসে সরকারী ও বেসরকারী ভবন, বাংলাদেশ কূটনৈতিক মিশন ও কনসুলেটে পতাকা উত্তোলন করতে হবে । 👉 শোক দিবসে পতাকা অর্ধ নিমিত করতে থাকবে। পতাকা অর্ধনিমিত রাখার ক্ষেত্রে প্রথমে পতাকা শীর্ষ স্থান পর্যন্ত ওঠাতে হবে। তারপর অর্ধনিমিত অবস্থানে রাখতে হবে। দিনের শেষে পতাকা নামানোর সময় পুনরায় শীর্ষ স্থান পর্যন্ত ওঠিয়ে তারপর নামাতে হবে । 👉 সরকারের অনুমতি ব্যতীত জাতীয় পতাকা অর্ধনিমিত করা যাবে না । 👉 জাতীয় পতাকা শিক্ষা, ব্যবসা ও বাণিজ্যে প্রতীক হিসাবে ব্যবহার করার জন্য সরকারের নিকট থেকে লিখিত অনুমতি নিতে হবে । 👉 প্রেক্ষাগৃহে জাতীয় পতাকা প্রদর্শিত হবে, তখন দাড়িয়ে অবশ্যই সম্মান প্রদর্শন করতে হবে । 👌 যে সকল স্থানে পতাকা উড়ানো যাবে : ১. আইনানুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী মোটরগাড়ি, নৌযানে ও বিমানে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের অধিকার রয়েছে।তাছাড়া আইনানুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার, কেবিনেট মন্ত্রী , কেবিনেট মন্ত্রীর পদমর্যাদাসম্পূন্ন ব্যক্তি,চিফ হুইপ, সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা, প্রধান বিচারপতি, বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন বা কনসুলার মিশনের প্রধান তাঁদের মোটরগাড়ি ও নৌযানে পতাকা উত্তোলন করতে পারবেন । ২. প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এবং উপমন্ত্রী রাজধানীর বাইরে ভ্রমণকালে কিংবা বর্হিবিশ্বে মোটরগাড়ি অথবা জলযানে পতাকা ব্যবহার করার অধিকার রাখেন।তবে শর্ত হচ্ছে কোন মোটরগাড়িতে পতাকা প্রদর্শিত হলে পতাকার দন্ড অবশ্যই দৃঢ়ভাবে গাড়ির চেসিস কিংবা রেডিয়েটার কেনের ক্ল্যাম্পের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ করে দিতে হবে। ৩. বিদেশী পতাকা বা রঙ্গিন পতাকার সঙ্গে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনকালে যদি শধু দুটি ভিন্ন পতাকা উত্তোলন করা হয় সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের পতাকাকে অবশ্যই ডানপাশে উত্তোলন করতে হবে।তবে যদি দুইয়ের বেশি পতাকা উত্তোলন করা হয় , সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পতাকাকে ঠিক মাঝখানে রাখতে হবে। তবে জোড় সংখ্যক পতাকার সঙ্গে উত্তোলনকালে বাংলাদেশের পতাকার কেন্দ্র থেকে সর্ব ডানে উত্তোলন করতে হবে । ৪. অন্য দেশের সাথে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনকালে সর্বপ্রথম উত্তোলন করতে হবে এবং সবার শেষে নামাতে হবে। ৫. দুই বা ততোধিক দেশের পতাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে অবশ্যই আলাদা আলাদা দন্ডে উত্তোলন করতে হবে। এবং মনে রাখতে পতাকাগুলোর মাপ প্রায় একই হতে হবে। ৬. যেকোন খেলা বা আন্তজার্তিক ক্রীড়া উৎসব উপলক্ষ্যে ক্রীড়া প্রেমীরা বাসভবনে নিজের সমর্থনীয় দল বা দেশের পতাকা ওড়ান। সেক্ষেত্রে অবশ্যই বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো বাধ্যতামূলক। আর এমনভাবে পতাকা ওড়াবেন যাতে করে লাল সবুজের বাংলাদেশের পতাকাটির নিচে থাকে সমর্থনীয় দল বা দেশের পতাকাটি । ৭. মিছিলে পতাকা বহন করার ক্ষেত্রে মিছিলের কেন্দ্রে অথবা মিছিলের অগ্রভাগের ডান দিকে বহন করতে হবে ।