У нас вы можете посмотреть бесплатно তারেক রহমান দাবী করেন ‘শেখ হাসিনা গ্রেনেড হামলায় জড়িত’ или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
।।দেশরিভিউ স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট।। বিএনপি জামায়াত ও চার দলীয় জোট সরকার আমলে সংঘটিত ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার রায়ের নথি পর্যালাচনা করে দেখা যায়, মুফতি হান্নান সহ একাধিক আসামী আদালতে দাড়িয়ে এ হামলায় তারেক রহমান সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। মূলত গ্রেনেড হামলার প্রধান পৃষ্টপোষক হিসাবেই তারেক রহমান জড়িত এই মর্মে আসামীরা আদালতে জবানবন্দী দেন। কিন্তু এ হত্যাকাণ্ডের যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামী তারেক রহমান দীর্ঘ ১১ বছর লন্ডনে পলাতক থাকাকালীন সময়ে ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা এবং তার দল আওয়ামী লীগ জড়িত ছিলো এমন পাল্টা অভিযোগ করে আসছিলেন। দেশরিভিউ অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০১৪ সালের ২৪ আগষ্ট লন্ডনে এক সেমিনারে তারেক রহমান তার বক্তব্যে বলেন, ২১ শে আগষ্টের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি শেখ হাসিনা নিজে দায়ী। ঐ বক্তব্যে তারেক বলেন এ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে শেখ হাসিনা আগে থেকে জানতো। ২০১৬ সালের ১৮ জানুয়ারী যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তারেক রহমান বলেন, একুশে আগষ্টের গ্রেনেড হামলা শেখ হাসিনার ইন্ধনে নাকি দলীয় কোন্দলের কারনে হয়েছে তা আজ তদন্তের বিষয়। এরপর ২০১৮ সালে এ মামলার রায়ের আগে তারেক রহমান এক ভিডিও বার্তায় বলেন, এ ঘটনায় বিএনপি কোনভাবেই জড়িত নয়। এই ভিডিও বার্তায় তারেক রহমান ২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় আবারো আওয়ামী লীগ জড়িত বলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, বিএনপি সরকার তখন ক্ষমতায় ছিলো।আওয়ামী লীগের জনসভায় হামলা করে বিএনপির কিছুই পাওয়ার ছিলো না। উল্লেখ্য ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার প্রায় ১৪ বছর পর ২০১৮ সালে এ মামলার রায় ঘোষনা করা হয়। মামলায় রায়ে ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেওয়া হয়। মামলায় মোট ৪৯ জন আসামী ছিলেন। যাদের মধ্যে ১৯ জনকে যাবজ্জীবন এবং ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে লুৎফুজ্জামান বাবর এবং আব্দুস সালাম পিন্টুসহ ৩১ জন বর্তমানে কারাগারে আছেন। এছাড়া তারেক রহমান এবং হারিছ চৌধুরীসহ ১৮ জনকে মামলার নথিতে পলাতক দেখানো হয়েছে। বাকি তিনজনের অন্য মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ায় গ্রেনেড হামলা মামলা থেকে তাদের বাদ দেয়া হয়েছে।প #তারেক_জিয়া #21_august