У нас вы можете посмотреть бесплатно #নিজাম или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
(৮৬) আলহামদুলিল্লাহ বাংলাদেশে ইসলাম আগমনের ইতিহাসের খোঁজে ১০০ টি ঐতিহাসিক মসজিদ ভ্রমনের নিয়তে ১৮-০১-২০২৬ তারিখ আমার ৮৬ তম মসজিদ ভ্রমন, বরিশাল বিভাগের বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলার সদর উপজেলায় উকিল পাড়ায় #নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশন মসজিদ'। মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান নিজামউদ্দিন আহমেদ ও তার পরিবারের অর্থায়নে গঠিত নিজাম হাসিনা ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। ইতিহাসঃ নিজাম হাসিনা ফাউন্ডেশন মসজিদ বাংলাদেশের ভোলা জেলার ভোলা সদর উপজেলার উকিল পাড়ায় অবস্থিত একটি মসজিদ। এটি নিজাম হাসিনা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে নির্মিত আধুনিক মসজিদ। ২৪ হাজার স্কয়ার ফুট বা দেড় একর জমির ওপর মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান নিজামউদ্দিন আহমেদ ও তার পরিবারের অর্থায়নে গঠিত নিজাম হাসিনা ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহযোগিতায় এ মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। মসজিদটির ২০১০ সালের জুন মাসে নির্মাণ কাজ শুরু হয়, এবং ২০১৬ সালের ডিসেম্বর মাসে মসজিদটি উদ্ভধন করা হয়। মসজিদটি নির্মাণে ৩০ কোটি টাকা ব্যয় হয়। এটি নির্মান করতে ৫২ হাজার শ্রমিকের ৭ বছর সময় লেগেছে। স্থাপত্য মসজিদটির আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন করেন স্থাপত্য প্রকৌশলী ভোলার সন্তান কামরুজ্জামান লিটন। মসজিদটি ২৪ হাজার বর্গফুট জমির ওপর নির্মিত। এটি মার্বেল পাথরসহ বিভিন্ন ধরনের দামি পাথর ও আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর কারুকার্য দ্বারা নির্মাণ করা হয়েছে। মসিজিদটি দুই তলা বিশিষ্ট । মসজিদটিতে ১২০ ফুট উচ্চতার দুটি মিনার আছে এবং ৬০ ফুট উচ্চতার চারটি গম্বুজ রয়েছে। পুরুষ মহিলাদের জন্য আলাদা নামাজে স্থান ও অজু করার জায়গা রয়েছে। মুসলিম পাঠকদের জন্য একটি ইসলামী লাইব্রেরি রয়েছে। মসজিদটিতে একটি আধুনিক হিফজখানা রয়েছে। রমজানে ইতকাফকারীদের জন্য রয়েছে একটি গোসলখানা ।মসজিদটিতে দৃষ্টিনন্দন তিনটি দরজা রয়েছে ও দুইটিগেইট রয়েছে । খতিব, ইমাম এবং মোয়াজ্জিনের জন্য দুইটি কক্ষ রয়েছে। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের জন্য রয়েছে একটি অফিস কক্ষ।মসজিদের সৌন্দর্য বর্ধনের লক্ষ্যে রাতে আলোকসজ্জায় সুসজ্জিত করা হয়েছে। চারপাশে ফুলের গাছ দিয়ে বেষ্টিত। মসজিদটিতে এক সঙ্গে দুই হাজার মুসল্লি নামায আদয় করতে পারবেন। মসজিদটিতে এসি ও সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ সুবিধা প্রদানে জেনারেটর ব্যবস্থা রয়েছে। সুন্দর টাইলস সমৃদ্ধ ফ্লোরের জন্য রয়েছে সুন্দর কার্পেটের ব্যবস্থা। নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশনের আওতায় এ পর্যন্ত যে সব সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে, তন্মধ্যে, ১৫টি মসজিদ নির্মাণ, এতিমখানা, চক্ষু হাসপাতাল, বৃদ্ধাশ্রম ও একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে। নিঃসন্দেহে এটি নিজাম-হাসিনা ফাউন্ডেশনের প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আজ এ পর্যন্ত আল্লাহ হাফেজ।