У нас вы можете посмотреть бесплатно এশিয়ার সর্ববৃহৎ সর্বাধুনিক (IPRS) পদ্ধতিতে মাছ চাষ করে ব্যাপক লাভজনক হচ্ছে নবাব মৎস খামার প্রকপ্ল। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমেরিকার প্রযুক্তিতে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ হাই- টেক (আইপিআরএস) প্রযুক্তির মৎস্য খামারের যাত্রা l চাঁপাইনবাবগঞ্জে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে আমেরিকান প্রযুক্তিতে নবাব মৎস্য খামারে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ হাই-টেক মৎস্য চাষ খামার পরীক্ষামূলভাবে চালু হয়েছে। চায়নার প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় ৬০ বিঘা আয়তনের জলাশয়ে মৎস্য চাষের সর্বাধুনিক আইপিআর এস ( ইন পন্ট রেসওয়ে সিস্টেম এগ্রিকালচার) চাষ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে । নবাব গ্রুপের স্বত্বাধিকারী আকবর হোসেনের পিতা আলহাজ্ব এত্তাজ হোসেন জলাশয়ে মাছ ছেড়ে প্রাথমিকভাবে এর শুভ সূচনা করেন। এই আইপিআরএস প্রযুক্তির মাধমে বর্তমানে ১৩টি ইউনিট বা চ্যানেলের মাধ্যমে প্রতি চ্যানেলে সাড়ে ১২ হাজার পিস রুই, কাতল, গালস্ কাপ, পাবদা, মনো সেক্্র তেলাপিয়া, মিনার কাপ, পাঙ্গাস মাছ চাষ হচ্ছে। এক কথায় এ নবাব মৎস্য খামারকে বরেন্দ্র অঞ্চলের মাছ চাষের বিপ্লব বলা যায়। নবাব গ্রুপের স্বত্বাধিকারী আকবর হোসেন কয়েক বছর যাবৎ নীরবে নিভৃত উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাছ চাষ করে আসছেন। চাষের আওতায় রয়েছে ৪২টি বড় পুকুর । প্রথম বারের মতো ৬০ বিঘা রেসওয়ে পদ্ধতির আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এ পদ্ধতির আওতায় আরো জমি বাড়ানো হবে। ২০১৯ সালের শুরুতে চায়নার কারিগরি বিশেষজ্ঞ টীম চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসে প্রকল্পের সিভিল কাজের ডিজাইন করে দিয়ে যায়। স্থানীয় ইঞ্জিনিয়ারগনের নিবিড় তত্বাবধানে আইপিআরএস (আইপিআর এস) এর অবকাঠামো নির্মান কাজ শেষ হলেও করোনা পরিস্থিতির কারনে চায়না থেকে যন্ত্রপাতি আসতে সময় লাগে। অবশেষে জুন মাসে এগুলো আসার পর তা স্থাপন করা হয়েছে। (আইপিআর এস) পদ্ধতিতে জলাশয়ের পুরো জমিকে আরসিসি কাঠামো নির্মান করে নদীর মতো বৃত্তাকার চ্যানেল করা হয়। চ্যানেল ভর্তি পানিতে যান্ত্রিক উপায়ে ¯্রােত তৈরি করে ছেড়ে দেয়া মাছের রেস করা হবে। এতে একদিকে মাছের ব্যায়াম হবে। অন্যদিকে খাদ্য চাহিদা বৃদ্ধি পাবে। যান্ত্রিক উপায়ে পুকুরের যাবতীয় বর্জ্য অপসারনের ব্যবস্থা থাকায় ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া গ্যাস মুক্ত হওয়ায় মাছের রোগব্যাধি হবে না বললেই চলে। এছাড়া কৃত্রিম উপায়ে পানিতে অক্সিজেন মিশ্রনের ব্যবস্থা থাকায় বেশী ঘনত্বে মাছ চাষ করা যাবে। আশা করা যায় যে,অত্যান্ত হাই প্রোটিনযুক্ত খাদ্য খাওয়ানোর ফলে প্রতি তিন মাসে একবার হারভেস্ট করা সম্ভব হবে। আর নদীর মাছের মত এ মাছের স্বাদ হবে। এ ধরনের আইপিআরএস প্রকল্প ভারতে তিনটি এবং পাকিস্থানে চারটি রয়েছে। তবে বাংলাদেশের প্রথম চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় নবাব মৎস্য খামার আয়তনে সর্ববৃহৎ। চায়না থেকে টেকনোলজি ট্যান্সফার এর মাধ্যমে আমদদানিকৃত আকবর হোসেনের এ আইপিআরএস এগ্রিকালচার বাংলাদেশের মৎস্য চাষের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে স্থান লাভ করবে মর্মে মৎস্য চাষের সাথে সংশিষ্ট সকলে মনে করছেন। দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ আইপিআর এস অ্যাকুয়াকালচার পদ্ধতির সর্বাধুনিক হাই-টেক মৎস্য খামারটি মুজিববর্ষ উপলক্ষে সরকারের মাননীয় মন্ত্রীর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করার প্রক্রিয়া চলিতেছে। নবাব মৎস্য খামারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ২০১৭ সালে মৎস্যখাতে বিশেষ অবদান রাখায় জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত আকবর হোসেন জানান, দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে সম্পর্ন বৈজ্ঞানিক উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাছ চাষ করে বিদেশে রপ্তানি করার জন্য তিনি বাংলাদেশে প্রথম এই আইপিআরএস সিষ্টেম চালু করেছে। যাতে করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাসহ সারাদেশের মানুষ বৈজ্ঞানিক উন্নত প্রযুক্তির সংমিশ্রনের মাছ খেতে পায়। আর এ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে দেশের ফসলি জমি অহেতুক ব্যবহার হবেনা। সাথে সাথে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মানুষের কর্মসংস্থান হবে ফলে বেকারত্ব কমে আসবে।