У нас вы можете посмотреть бесплатно পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতনের কারণ | Election 2026 или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পতনের কারণ | Election 2026 Reasons for the fall of West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee @BJP4Bengal @bjp @SuvenduAdhikariBJP #mamatabanerjee #mamata_banerjee #mamatabanerjeenews #westbengal #westbengalnews #westbengalpolitics #westbengalelection #banglanews #banglanewstoday #election2026 #electioncampaign বাংলায় আইন-শৃঙ্খলার অবনতি পশ্চিমবঙ্গে নিরাপত্তা ক্রমশ এক বৈপরীত্যে পরিণত হয়েছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার ধারণাটাই যেন গুরুত্ব হারাতে বসেছে। এখনও ভোটের দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা হয়নি, তার আগেই গুলিবর্ষণ, ডাকাতি, বিস্ফোরণ এবং জঙ্গি গ্রেপ্তারের খবর সামনে আসছে। অনেকের মতে, এগুলি কেবল ট্রেলার—নির্বাচনকালীন এবং পরবর্তী সময়ে বাংলায় কী ঘটতে পারে, তারই ইঙ্গিত। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তথাকথিত ‘মহা জঙ্গলরাজ’-এর প্রেক্ষাপটে এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। ফেব্রুয়ারি মাস এখনও শেষ হয়নি, এর মধ্যেই কলকাতা ও হাওড়ায় এক মাসে অন্তত তিনটি পৃথক গুলির ঘটনা ঘটেছে। জনমনে উদ্বেগ বাড়িয়েছে দ্রুত ও দৃশ্যমান পুলিশি পদক্ষেপের অভাবের অভিযোগ। রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত পরিবেশে সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষায় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলি কতটা কার্যকর, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ● গোলপার্ক, কলকাতা (১ ফেব্রুয়ারি) গোলপার্ক এলাকায় সোনা পাপ্পু (যিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ) এবং ববি হালদারের মধ্যে গুলির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, ২৫ দিন পেরিয়ে গেলেও পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমনকি অভিযুক্তরা পলাতক অবস্থায় ফেসবুক লাইভও করছিলেন বলে দাবি। এতে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে—পুলিশ অদক্ষ, নাকি অপরাধীদের সঙ্গে কোনো যোগসাজশ রয়েছে? সমালোচকদের দাবি, অতীতে শাসক দলের সমালোচনামূলক কনটেন্ট ভাইরাল হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এক কনটেন্ট নির্মাতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে বিরোধীদের অভিযোগ, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলেও শাসকদল-ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপে শিথিলতা দেখা যায়। ● তিলজলা, কলকাতা (২৪ ফেব্রুয়ারি) তিলজলার একটি আবাসিক-ব্যবসায়িক এলাকায় গুলির ঘটনা ঘটে, যা শহরের ভেতরে পুনরাবৃত্ত আগ্নেয়াস্ত্র-সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায়। অভিযুক্ত সালমান পলাতক এবং এখনও গ্রেপ্তার হননি বলে অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, তিনি এলাকায় তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত এবং একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও পুলিশ কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। যদিও কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক যোগসূত্রের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করা হয়নি, অভিযোগকারীদের মতে তাঁর কার্যকলাপই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে ইঙ্গিত দেয়। ● পিলখানা, হাওড়া (২৫ ফেব্রুয়ারি) পিলখানায় প্রকাশ্য দিবালোকে এক রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী, সাফিক খানকে কাছ থেকে গুলি করে খুন করা হয়। অভিযোগ, রোহিত ও হারুন খান এই ঘটনায় জড়িত। হারুনকে হাওড়া উত্তর কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ বলে দাবি করা হচ্ছে। এই দুঃসাহসিক হামলা সংগঠিত অপরাধচক্র এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তদের এখনও গ্রেপ্তার করা যায়নি বলে জানা গেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে এবিপি আনন্দের এক সাংবাদিকের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে; তাঁর নাক ভেঙে যায় বলে জানানো হয়েছে। ● জঙ্গি সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার সম্প্রতি কেষ্টপুর, কলকাতা থেকে উমর ফারুক নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাঁর বিরুদ্ধে জঙ্গি-যোগের অভিযোগ রয়েছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগাযোগের অভিযোগ উঠেছে। আরও দাবি করা হয়েছে, তাঁর মা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে তাঁদের পরিবার তৃণমূল সমর্থক।