У нас вы можете посмотреть бесплатно শ্রদ্ধাঞ্জলি: স্বর্গীয় অনন্ত দেবের শেষ কৃত্ত অনুষ্ঠানের স্মরণীয় মুহূর্ত🥲 или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
*জীবনে সবচেয়ে বড় কষ্টগুলোর একটি অংশ হলো প্রিয়জনের মৃত্যু। আমাদের প্রিয় মানুষটির জন্য তখন হৃদয়ে সৃষ্টি হয় এক গভীর শূন্যতা যা সহজে পুরণ হয় না। এই কষ্ট, এই শোক, এই না বলা অনুভূতিগুলো অনেক সময় শব্দে প্রকাশ করা কঠিন হয়ে যায়। সকলের মুখে হাসি ফোটানো মানুষটা আজ নিজেই নিঃশব্দ হয়ে গেল। যে হৃদয়ে এত ভালোবাসা ছিল, আজ সে হৃদয়টা নিথর হয়ে পড়ে আছে। অথচ সময়টা থেমে নেই। পুরো এলাকার মানুষের মন থেমে গেছে সেই বিদায়ের দিনে। জীবন থেমে থাকে না। কিন্তু শূন্যতা কখনো পূর্ণ হয় না। আপনাকে ভোলা সম্ভব নয়। উত্তরাঞ্চলের ভাওয়াইয়া গানের শিল্পী, গবেষক, গীতিকার অনন্ত কুমার দেব "ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দেরে" গানের জন্য বিখ্যাত হয়েছিলেন, এই গুণী শিল্পী। কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের দেবালয় গ্রামে তার জন্ম। আপাদমস্তক শিল্প সাধক। ভাওয়াইয়া, পালাগান, কুশানগান, আর দোতরা গানকে ধারণ করেছেন অন্তরের খুব গহীনে। বিলুপ্ত লোক সংগীত সংগ্রহে তিনি আগ্রহী ছিলেন। পান্ডুলিপি প্রস্তুত করেছিলেন এসব গানকে ধরে। তিনি একাধারে ছিলেন শিক্ষক, শিল্পী, গীতিকার, সুরকার, গবেষক। শিষ্যরা তাকে দিয়েছে ভাওয়াইয়া মুকুট উপাধি। তিনি ধরলা পাড়ের গল্প ও জ্যাঠোর ফ্যাদলা নামের দুটি আঞ্চলিক ভাষায় রম্য কলাম লিখে পাঠকদের কাছে জনপ্রিয় হয়েছিলেন। রসিকজন হিসেবে পরিচিত পালা আর কুশান গানের দোহার হিসেবে ভালোবাসা পেয়েছিলেন মানুষের। কুড়িগ্রামসহ উত্তরাঞ্চলের ভাওয়াইয়াপ্রেমী একজন মানুষকে হারানোর বেদনা ছুঁয়ে গেছে সংস্কৃতি সেবীদের অন্তর। অনন্ত কুমার দেব ৪ যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনে বিশেষ গ্রেডের শিল্পী ছিলেন। আজকের এই চলে যাওয়ায় ভাওয়াইয়া আসরে বিরাট ক্ষতি হলো। উত্তরাঞ্চলে তাকে ভাওয়াইয়া মুকুট উপাধি দেওয়া হয়েছিল। তিনি চলে যাওয়ায় অপূরণীয় ক্ষতি হলো।