У нас вы можете посмотреть бесплатно আপনি যে নাগরিক, তার প্রমাণ কোথায়? или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
লালকেল্লা থেকে সাড়ে তিন কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী, আর জানিয়েছেন এই বছরের শেষে ভারত তার নিজেদের মাইক্রো চিপ আনবে বাজারে। মধ্য রাতে জি এস টি চালু করেছিলেন সেই কবে, আজ জানালেন সেই জি এস টি নব রূপে আসবে দিপাবলীতে আর সেই কবেকৃষিবিল চালু করার পরে বিরাট কৃষক আন্দোলনের সামনে ঢোঁক গিলে বিল ফেরত নিয়েছিলেন, সেই তিনি বললেন কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা করবেন। না আজও আমাদের ৫৬ ইঞ্চি দেশের মানুষের সামনে বলতে পারলেন না যে আমেরিকা বা তার রাষ্ট্রপতি ভারত পাক যুদ্ধ বিরতির সূচনা করেন নি। না এটা বলার মত সাহস তিনি দেখান নি। ওদিকে মাত্র গতকাল সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনকে আধার কার্ডকে প্রামাণ্য নথি বলেইই মানতে হবে যদিও আধার কার্ড নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়। কি অসাধারণ রায় আমাদের হুজুর মহান বিচারকদের। আপনি ভোট দিয়ে দেশের সরকার তৈরি করতে পারেন যে আধার কার্ড দেখিয়ে, সেই আধার কার্ড আপনার নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়। আগেই দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়েছিল, আধার নাগরিকত্বের প্রমাণ হতে পারে না। এই নথির ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব আলাদা করে যাচাই করা প্রয়োজন বলেই মনে করছে সুপ্রিম কোর্ট। নির্বাচন কমিশন আগেই হলফনামা দিয়ে আধার নথির প্রসঙ্গে নিজেদের আপত্তির কথা সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছিল। আধার নথি কোনও নাগরিকত্বের প্রমাণ নয় বলেই সেই সময় জানিয়েছিল কমিশন। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালতের মন্তব্য, “নির্বাচন কমিশনই ঠিক। আধার নথি নাগরিকত্বের প্রমাণ হতে পারে না।” এখন চুলোর দোরে যাক সেই তর্ক যে এক নির্বাচন কমিশন যার কাজ সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা করা, সে কেন হঠাৎ দেশের নাগরিকত্ব নির্ধারণ করতে নেমে পড়লেন। আপাতত জরুরি প্রশ্ন নির্বাচনও নয়, প্রশ্ন হল আপনি যে নাগরিক, তার প্রমাণ কোথায়? কী দিয়ে প্রমাণ হবে যে আপনি দেশের নাগরিক? আপনার পরিচয়পত্রই যখন আপনার পরিচয়ের জন্য যথেষ্ট নয়, আপনার মানিব্যাগে থাকা ভোটার কার্ড আর আধার কার্ডটা একবার দেখুন। বছরের পর বছর ধরে এই দুটোই তো ছিল আপনার ভারতীয় হওয়ার সবচেয়ে বড় পরিচয়। সরকারি ভর্তুকি থেকে শুরু করে ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খোলা, সন্তানের স্কুলে ভর্তি বা ভোট দেওয়া—সবকিছুর চাবিকাঠি ছিল এই কার্ডগুলো। কিন্তু আজ যদি আপনাকে বলা হয়, এই কার্ডগুলো আপনার নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, তাহলে কেমন লাগবে? ঠিক এই প্রশ্নটাই আজ কোটি কোটি ভারতীয়কে ভাবিয়ে তুলেছে, বিশেষ করে যখন নির্বাচন কমিশন (ECI) বিহারে ভোটার তালিকা যাচাইয়ের নামে এমন সব নথি দাবি করছে, যা অনেকের কাছেই নেই। ব্যাপারটা কী ঘটছে? কিছুদিন আগে থেকে বিহারে নির্বাচন কমিশনের 'স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন' (SIR) বা 'নিবিড় সমীক্ষা' নামের একটি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা হঠাৎ করেই আধার ও ভোটার কার্ডের মতো পরিচিত পরিচয়পত্রকে ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছে। এই সমীক্ষার উদ্দেশ্য হিসেবে বলা হচ্ছে ভোটার তালিকাকে 'শুদ্ধ' করা, কিন্তু তা করতে গিয়ে যে পদ্ধতি নেওয়া হচ্ছে সেই পদ্ধতি নিয়েই দেশজুড়ে এক গভীর উদ্বেগ আর বিতর্ক তৈরি হয়েছে। নাগরিকদের কাছে এমন সব নথি চাওয়া হচ্ছে, যা জোগাড় করা শুধু কঠিনই নয়, অনেকের জন্য প্রায় অসম্ভব। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক—তাহলে কি আমাদের পরিচয়পত্রগুলো মূল্যহীন? এই বিপুল খরচে তৈরি করা কার্ডগুলোর তবে কী প্রয়োজন ছিল? আর এই সবকিছুর আড়ালে আসল গল্পটাই বা কী? প্রশ্ন তো উঠবেই যে কেন হঠাৎ করে এগুলোর আইনি গুরুত্ব কমে গেল, কমিশনের দাবি করা নতুন নথিগুলো কতটা বাস্তবসম্মত, এবং এই ভোটার তালিকা 'শুদ্ধিকরণের' আড়ালে কোনো বৃহত্তর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে কি না। এই গোলকধাঁধার জট ছাড়ানোর চেষ্টা করা যাক। রাষ্ট্র যখন কোনো প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করে, তখন নাগরিকদের মনে স্বাভাবিকভাবেই এক প্রত্যাশা তৈরি হওয়াতাই স্বাভাবিক, তারা বিশ্বাস করতে শুরু করেছিল যে, সরকার তাদের স্থায়ী আর নির্ভরযোগ্য সমাধান দিচ্ছে। ভারতের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড—এই দুটোই সেই বিশ্বাসের উপরই গড়ে উঠেছিল। আধার প্রকল্প যখন শুরু হয়েছিল, তখন এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারি পরিষেবা এবং ভর্তুকি সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং দুর্নীতি কমানো । বলা হয়েছিল বটে যে এটা একটা 'পরিচয়পত্র', 'নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র' নয়। কিন্তু ধীরে ধীরে প্রায় সব ক্ষেত্রেই—ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, মোবাইল সিম, আয়কর রিটার্ন, রান্নার গ্যাসের ভর্তুকি—আধারকে বাধ্যতামূলক করে তোলা হয়। ফলে, সাধারণ মানুষের কাছে এটাই হয়ে ওঠে পরিচয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথি। বিভিন্ন সরকারি রিপোর্ট এবং সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী: আগস্ট ২০১৯ পর্যন্ত মোট ব্যয়: ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (UIDAI) আধার প্রকল্পের জন্য খরচ করেছে ₹১১,৩৬৬ কোটি । ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত এই প্রকল্পের জন্য অনুমোদিত অর্থের পরিমাণ ছিল ₹১৩,৬৩৩.২২ কোটি । ইয়েল স্কুল অফ ম্যানেজমেন্টের গবেষকরা মনে করেন, এই প্রকল্পের মোট খরচ আরও অনেক বেশি, প্রায় $১০ থেকে $১২ বিলিয়ন (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ₹৮০,০০০ থেকে ₹১ লক্ষ কোটি)।