У нас вы можете посмотреть бесплатно নাটোরের আফাজ পাগলার ঔষুধি গ্রাম ঔষুধি বাগান ও ঔষুধি ফ্যাক্টরি। ঔষুধি গাছের চারা কোথায় পাবেন। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
নাটোরের আফাজ পাগলার ঔষুধি গ্রাম ঔষুধি বাগান ও ঔষুধি ফ্যাক্টরি। ঔষুধি গাছের চারা কোথায় পাবেন। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭১১ ৩০ ৮৪ ৭১ ০১৯১৫ ৭১ ৬৩ ৯৫ আমাদের ভিডিওটি থেকে আপনারা ঔষুধি গাছ সম্পর্কে ভালোভাবে ধারনা নিতে পারবেন আমাদের আজকের পর্বটি তে রয়েছে নাটোরের ঔষধি গ্রাম যিনি প্রতিষ্ঠিত করেছের তার এবং তার গ্রামের ঔষুধি গ্রাম সম্পর্কে ভিডিওটি না টেনে পুরোপুরি দেখুন ধন্যবাদ, আমাদের ভিডিওটি তে পাবেন মণিরাজ গাছের উপকারিতা, তেজবল গাছের ছালের উপকারিতা, হস্তিকর্ন পলাশের উপকারিতা, ইশ্বরমূল গাছের উপকারিতা, উলটকম্বল গাছের উপকারিতা,সর্পগন্ধা গাছের উপকারিতা, তালমূল গাছের উপকারিতা, ইন্ডিয়ান ঘৃতকুমারী বা এ্যালোভেরা কোথায় পাবেন এবং উপকারিতা কি, বনকপাশ বা লতাকস্তরি গাছের উপকারিতা, কেয়ামূল গাছের উপকারিতা, অর্শরোগে কেয়ামূল হাছের ব্যাবহার, অর্শগন্ধা গাছের গুনাগুন , শতমূল কি কেন খাবেন, যষ্টিমধু, তুলসি, হাজারি ফুলের গাছ, তেজপাতার গাছ। মণিরাজ বাংলায় মণিরাজ বলা হলেও এটির প্রকৃত নাম সাইকাস । সাধারণত শুষ্ক মণ্ডলীয় এলাকার উদ্ভিদ এটি। গাছ থেকে ফুল বের হতে সময় লাগে ১০ থেকে ১২ বছর। তবে একটি গাছ একবার ফুল দিয়েই মারা যায়। এ গাছের ফুলে ওষুধি গুণ রয়েছে। ফুলের রেণুতে রয়েছে তীব্র ঘ্রাণ। তেজবল গাছের মূল, ছাল, কাণ্ড, পাতা, ফল ও ফুল ঔষধি হিসাবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। হৃদরোগ, বুকে ব্যথার জন্য অর্জুনের ছাল গুড়ো করে খেয়ে থাকে। অর্জুনের গুড়ো বাসক পাতার সঙ্গে মিশিয়ে খেলে যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে বলে মনে করা হয়। মচকে গেলে বা হাড়ে চিড় ধরলে রসুনের সঙ্গে মিশিয়ে অর্জুনের ছাল বেটে লাগালে উপকার পাওয়া যায়। শতমূলী শতমূলী উচ্চমানের ফলিক এসিড ও পটাশিয়ামের প্রাকৃতিক উৎস। এতে ফাইবার, ভিটামিন এ ও ভিটামিন বি রয়েছে। এটি বন্ধ্যাত্ব নিরাময় ও শক্তিবর্ধক হিসাবে কাজ করে। সেই সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে। পথের ধারে আমাদের জীবধারণে নানা গাছপালা আর লতা বেড়ে ওঠে। প্রকৃতিগতভাবেই চারপাশে অনেক দরকারি উদ্ভিদ জন্মে। তবে সবকিছু চেনা জানা হয় না। ভেষজ অনেক উদ্ভিদ আমাদের শরীরে ওষুধ হিসেবে কাজে লাগে। ইউনানী আর কবিরাজি বিশেষজ্ঞরা ভেষজ উদ্ভিদ ভালো চেনেন। অনেক স্ব-শিক্ষিত কৃষকও চেনেন। আমাদের উদ্ভিদের গুনাগুণ জানা জরুরি। কেননা দরকারি এসব উদ্ভিদ আসলে আমাদের শরীরের রোগব্যাধির ওষুধ । পথে চলতে গিয়ে অজানা কত উদ্ভিদের ফুল দেখে আমরা মুগ্ধ হই। দরকারি এসব ফুল ও লতাপাতা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা উচিত। কেননা প্রাণ ও প্রকৃতি আমাদের জীবনধারণে দরকারি। কোন কোন উদ্ভিদ মাদবদেহের শক্তি বলের মহৌষধ হিসেবে কাজে লাগে। উপকূলীয় পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া ও ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া সড়কের পাশে দু’একটি উলট কম্বল গাছের দেখা মেলে। এসব উলট কম্বল উদ্ভিদ প্রকৃতিগতভাবেই বেড়ে উঠেছে। উলট কম্বল ফুল মূলত বর্ষার ফুল। এখন শরতে এ ফুল টিকে থাকবার কথা নয়। কাঁঠালিয়া উপজেলা সদর থেকে এক কিলোমিটার দুরে একটি মোবাইল টাওয়ারের সম্মূখ সড়কের পাশে একটি উলট কম্বল গাছে একটা ফুল ঝড়ে পড়ার অপক্ষোয় ছিল। মেরুণ রঙে দারুণ শোভন এই উলট কম্বল ফুল। সর্পগন্ধা একটি অত্যন্ত ভেষজ গুন (Medicinal Plant) সম্পূর্ন গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। ভারতবর্ষে সর্বত্র জন্মে। এ গাছ সাধারণত এক মিটার উঁচু হয়ে থাকে। পাতা সরল, লম্বাটে, অগ্রভাগ সরু উজ্জল বর্ণের হয়ে থাকে। সাধারণত প্রতিটি গিটে ৩টি করে পাতা থাকে।গুচ্ছাবদ্ধ গোলাপী ফুল হয়। ফল প্রথমে সবুজ, পরে পাকলে বেগুনী-কালো রংয়ের হয়ে থাকে। এর মূল ধূসর বর্ণের। কাঁচা মূলের গন্ধ কাঁচা তেঁতুলের মতো। গ্রীস্মকালে ফুল ফোঁটে ও বর্ষাকালে ফল পাকে। ডিসেম্বর – জানুয়ারী মাসে মাটি খুঁড়ে শেকড় তোলা হয়।শেকড়গুলি পানিতে ভালভাবে ধুয়ে রৌদ্রে শুকিয়ে নিয়ে তারপর ব্যবহার করা হয়। চীন দেশের পঞ্চাশটি মৌলিক ভেষজ উদ্ভিদের মধ্যে সর্পগন্ধা একটি। ঘৃতকুমারী শুনে অনেকে ভুরু কোঁচকালেও কিন্তু একে সবাই অ্যালোভেরা নামে ভালোই চেনেন। ঔষধি এই ভেষজের নানা গুণের কথা পাঁচ হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে এ অঞ্চলের মানুষের জানা। শরীরে নানা প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দিতে আর অসুখ-বিসুখ সারিয়ে তুলতে অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী অতুলনীয়। এই উদ্ভিদ খাদ্য-পানীয় হিসেবে যেমন কার্যকর তেমনি তা বাহ্যিকভাবেও ব্যবহারযোগ্য। ঘৃতকুমারীর রস পান করে, সালাদ হিসেবে খেয়ে এবং ত্বক ও চুলে ব্যবহার করে আপনিও দারুণ উপকৃত হতে পারেন। এই প্রতিবেদনে ঘৃতকুমারীর ৯ টি অনন্য উপকারিতার কথা তুলে ধরা হলো। ভিটামিন ও খনিজ অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী নানা ধরনের ভিটামিন ও খনিজের এক সমৃদ্ধ উৎস। ভিটামিন-এ,সি,ই, ফলিক অ্যাসিড, কোলিন, বি-১, বি-২, বি-৩ (নিয়াসিন) ও ভিটামিন বি-৬ এর দারুণ উৎস এটা। অল্পসংখ্যক উদ্ভিদের মধ্যে ঘৃতকুমারী একটি যাতে ভিটামিন বি-১২ আছে। প্রায় ২০ ধরনের খনিজ আছে ঘৃতকুমারীতে। এর মধ্যে আছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, জিঙ্ক, ক্রোমিয়াম, সেলেনিয়াম, সোডিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, কপার ও ম্যাংগানিজ। আমাদের ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক কমেন্ট শেয়ার করে সাথে থাকুন ধন্যবাদ। #নাটোরেরঔষুধিগ্রাম #আফাজপাগলারমাজার #ভেষজঔষুধ