У нас вы можете посмотреть бесплатно হ্যাঁ মুখ্য সচিবের পরে মুখ্যমন্ত্রী কে বদলে গণতন্ত্র রক্ষা করবেন জ্ঞানেষ কুমার। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরে রাতেই বদলানো হলো মুখ্য সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিবকে। এক্কেবারে বিজেপির উচ্ছৃষ্টে লালিত পালিত কিছু সাংবাদিক জানালেন আগামীকাল আরও উইকেট পড়বে, তো দেখলাম ডিজি, কলকাতা পুলিশ কমিশনার, এডিজি আইন শৃঙ্খলা তে নতুন অফিসারেরা এলেন, নির্বাচন কমিশনের আদেশে। ঐ দালালেরাই জানাচ্ছেন এঁরা নাকি সব মিডল অর্ডারের ছিলেন, এরপরে টেল এন্ডারসদের বদলানো হবে। এই দালালদের অনেকেই আবার এস এফ আই ছিলেন, সিপিএম ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার থেকে নামানোর জন্য যা যা করা হবে, সে যত অনৈতিক হোক, যত অসাংবিধানিক হোক, এনারা চিয়ার লিডার, ঝিন চ্যাক মিউজিক বাজবে, এনারা নাচবেন, নাচার জন্য পয়সা পান তো, স্বাভাবিক। তো আমি বলি এসব না করে একজন নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে বসিয়ে দেওয়া হোক, ল্যাটা চুকে যায়। দরকার কি এত ঝামেলার। বিজেপির বাংলা চাই, ব্যস, পিরিয়ড। এমনিতে সেই কবে ভারতের পন্ডিত জ্ঞানী গুণি মানুষজন বহু আলোচনা, বহু তর্কের পরে, বহু দলিল দস্তাবেজকে সামনে রেখে এক সংবিধান তৈরি করেছিলেন যা বার বার লংঘিত হয়েছে, সংবিধানকে তাকে রেখেই বহুবার নির্বাচিত সরকারকে ভাঙা হয়েছে, আর সেসব মানুষের সামনে তো আছে, আছে তো জরুরি অবস্থা, যা সংবিধানের সমস্ত ধারণার বিপরীতে ছিল। কিন্তু খেয়াল করে দেখুন সেই সমস্ত কাজ ইতিমধ্যেই সংবিধান বিরোধী হিসেবেই চিহ্নিত, এমনকি কংগ্রেসের একজন নেতাও জরুরি অবস্থাকে সমর্থন করতে পারবেন না। একজন কংগ্রেস নেতাও অগণতান্ত্রিকভাবে কেরালার প্রথম বাম সরকারকে ফেলে দেওয়াটা ঠিক হয়েছিল, একথা আর বলেন না। কিন্তু ২০১৪ থেকে যা শুরু হয়েছে তার চেহারাটাই আলাদা। সংবিধান যাঁরা করেছিলেন, সেই প্রাজ্ঞ মানুষজনের ধারনাতেও ছিল না যে সেই শয়তানেরা, যাঁরা সেদিন স্বাধীনতা আন্দোলনের বিরুদ্ধে, যাঁরা সংবিধান, জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে, তারা এই সংবিধানের হাজার একটা সাধারণ ধারাওকে ব্যবহার করে এই সংবিধান্র মূল ধারণাকে জুতোর তলায় ফেলে রগড়াবে, না সেই কথা নেহেরু, প্যাটেল, রাজেন্দ্র প্রসাদ, আবুল কালাম আজাদ, এঁরা কেউই বোঝেন নি। ওনারা সভ্য স্বাধীন, গণতান্ত্রিক, উদার মানুষজনের জন্য এক সংবিধান লিখেছিলেন, যা আজ অসভ্য, বর্বর, সাম্প্রদায়িক, অগণতান্ত্রিক এক ফাসিস্টদের হাতে গিয়ে পড়েছে। ২০১৪ তে এই মোদি শাহের নেতৃত্ব এক বিজেপি ক্ষমতায় এসেছিল, যে বিজেপি আগের বিজেপি নয়, যে বিজেপির নেতা অটল বিহারি বাজপেয়ী বলেছিলেন বিরোধীরা হলেন সংসদের চৌকিদার, এটা সেই বিজেপি নয়, এখানে মোদিজী নিজেই বলে দিলেন আমিই সেই চৌকিদার, আর আজ সেই চৌকিদারি আমাদের চোখের সামনে। মাত্র ১১ বছরে ১০ টা রাজ্য সরকারকে ভেঙেছেন, পুদিচ্চেরি, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরাখন্ড, অরুণাচল প্রদেশ, সিকিম, মহারাষ্ট্র, বিহার, কর্ণাটক, একমাত্র কর্ণাটক ছাড়া তাকিয়ে দেখুন প্রত্যেক জায়গাতে বিজেপি ক্ষমতায়, শরিক দল যদিও বা থাকে তারা ধীরে ধীরে মুছে গেছে বা যাবে। না তাদের এই কাজ নিয়ে তাঁরা লজ্জিত নন, শঙ্কিত নন, এই কাজ অসাংবিধানিক, এই কাজ গণতান্ত্রিক ধারণার বিপরীত, এমটা বিজেপি মনেই করে না। তারা বুক ফুলিয়েই এই কাজগুলো করছে। হ্যাঁ মাত্র কদিন আগেই এই বিজেপির একজন সিনিয়র নেতার সঙ্গে কথা হচ্ছিল, অনায়াসে বললেন ১১০/১২০ পার করলে সরকার আমাদের। হ্যাঁ ১৪৮ এর বাকি ৩০ ওনারা কিনে নেবেন, ওনারা নাকি সেই যোগাযোগ রেখেই চলছেন। মানে সাংবিধানিক, গণতান্ত্রিক রীতি নীতি মেনে পশ্চিম বঙ্গে ক্ষমতায় আসার জন্য ন্যুনতম ১৪৮ দরকার, সেটা তাঁদের কাছে কোনও বিষয়ই নয়, তোরা পারলে আটকা, আমরা কিনে নেবো আরও ৩০/৪০টা বিধায়ক, বাংলার বিধায়কের দাম কত হবে? ২০/৩০ কোটি? একটা ছোট্ট হিসেব দিই, ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা তিনটি সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন ইউনিট অনুমোদন করে। এর মধ্যে দুটি ইউনিট টাটা গোষ্ঠী পরিচালনায় হবে। ভারত সরকার ‘সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদন উৎসাহ পরিকল্পনা’র আওতায় মোট ব্যয়ের ৫০ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। শুধু টাটা গোষ্ঠীর দুটো ইউনিটের ক্ষেত্রেই এই ভর্তুকির পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৪,২০৩ কোটি টাকা। ক্যাবিনেটের এই অনুমোদনের চার সপ্তাহ পর, এপ্রিল ২০২৪-এ টাটা গোষ্ঠী বিজেপিকে ৭৫৮ কোটি টাকা দান করে। নির্বাচন কমিশনে জমা পড়া দলীয় অনুদানের নথি অনুযায়ী ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে কোনও রাজনৈতিক দলকে দেওয়া এটাই সবচেয়ে বড় কর্পোরেট অনুদান। ৭৫৮ কোটি টাকা, এ বাংলার ৩৫ জন বিধায়ক কেনার জন্য যথেষ্ট নয়?