У нас вы можете посмотреть бесплатно নাগলিঙ্গম গাছ | Couroupita guianensis | Cannoneball tree | হাতির জোলাপ | Govt. Swarupkathi College или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
নাগলিঙ্গম গাছ (Couroupita guianensis) একটি দর্শনীয় ও ধর্মীয় গুরুত্বসম্পন্ন বৃক্ষ। বাংলায় একে "নাগলিঙ্গম" বা "নাগকেশর" নামেও ডাকা হয়। ইংরেজিতে একে Cannonball Tree বলা হয়। এটি মূলত দক্ষিণ আমেরিকার গাছ, তবে বর্তমানে ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা সহ অনেক উষ্ণমণ্ডলীয় দেশে দেখা যায়। 🌳 নাগলিঙ্গম গাছের পরিচয়: বৈজ্ঞানিক নাম: Couroupita guianensis পরিবার: Lecythidaceae উৎপত্তি স্থল: দক্ষিণ আমেরিকা (গায়ানা, ব্রাজিল, পেরু) বহুবর্ষজীবী ও চিরসবুজ বৃক্ষ 🌸 ফুলের বৈশিষ্ট্য: ফুল দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও সুবাসিত। ফুলগুলো সাপের ফণার মতো আকৃতি ধারণ করে এবং কেন্দ্রীয় অংশে শিবলিঙ্গের মতো গঠন দেখা যায়, এজন্যই একে "নাগলিঙ্গম" বলা হয়। ফুল গাছের কাণ্ড থেকে সরাসরি বের হয় (cauliflory) — এটি খুবই বিরল বৈশিষ্ট্য। এক একটি থোকায় শত শত ফুল ফুটে। 🌰 ফলের বৈশিষ্ট্য: ফল বড় এবং গোলাকার (প্রায় নারকেলের মতো), অনেকটা কামানের গোলার মতো দেখতে — এখান থেকে "Cannonball Tree" নাম এসেছে। ফল ২০ সেমি বা তার চেয়েও বড় হতে পারে। পাকা ফল থেকে কটু গন্ধ আসে, তবে এতে বীজ থাকে। 🕉️ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব: হিন্দু ধর্মে নাগলিঙ্গম গাছকে শিবের প্রতীক হিসাবে মানা হয়। শিব মন্দিরে এই গাছ রোপণ ও পূজা করা হয়। ফুলের কেন্দ্রে "লিঙ্গ" ও পাশে "নাগ" এর উপস্থিতি, শিবলিঙ্গের রূপ বলে বিশ্বাস করা হয়। 🌱 চারা উৎপাদন: সাধারণত বীজের মাধ্যমে চারা তৈরি হয়। পাকা ফল থেকে বীজ সংগ্রহ করে ছায়াযুক্ত স্যাঁতসেঁতে মাটিতে রোপণ করলে চারা গজায়। কখনও কখনও কলম বা কাটিং মাধ্যমেও চারা তৈরি করা যায়, তবে তা কঠিন। ⚠️ কিছু সতর্কতা: ফল খাওয়া যায় না — এটি বিষাক্ত হতে পারে। ফল পাকা অবস্থায় গাছ থেকে পড়লে গুরুতর আঘাত হতে পারে কারণ এটি ভারী ও শক্ত। 🪴 বনসাই হয় কি? না, নাগলিঙ্গম গাছ প্রাকৃতিকভাবে অনেক বড় হয় এবং এর ফুল ও ফল কাণ্ড থেকে সরাসরি জন্মায়, তাই এটিকে বনসাই করা সাধারণত সম্ভব হয় না বা উপযুক্ত নয়। বাংলাদেশে নাগলিঙ্গম গাছ বিরল এবং হাতে গোনা কয়েকটি জায়গায় দেখা যায়। বিশেষভাবে শ্রীমঙ্গলের মির্জাপুর ইউনিয়নে একটি নাগলিঙ্গম গাছ রয়েছে, যা বিপন্নপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। এছাড়াও, বরিশাল বিভাগের বিএম কলেজ ও স্বরূপকাঠি কলেজে দুটি নাগলিঙ্গম গাছ রয়েছে বলে জানা যায়। এছাড়া, ভোলা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চরনোবাদ এলাকায় একটি নাগলিঙ্গম গাছের সন্ধান পাওয়া গেছে, তথ্য বলছে NTV Online। নাগলিঙ্গম গাছের অবস্থান সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো: শ্রীমঙ্গল: মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নে একটি নাগলিঙ্গম গাছ রয়েছে। এটি একটি বিরল এবং বিপন্নপ্রায় উদ্ভিদ, তথ্য বলছে Desh Tv। বরিশাল: বরিশাল বিভাগে দুটি নাগলিঙ্গম গাছ রয়েছে। এর মধ্যে একটি বিএম কলেজে এবং অপরটি স্বরূপকাঠি কলেজে অবস্থিত, bd-pratidin.com জানিয়েছে। ভোলা: ভোলার চরনোয়াবাদ এলাকায় একটি নাগলিঙ্গম গাছ দেখা গেছে, NTV Online জানিয়েছে। নাগলিঙ্গম গাছের ইংরেজি নাম "cannonball tree" এবং বৈজ্ঞানিক নাম Couroupita guianensis। এটি Lecythidaceae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একটি