У нас вы можете посмотреть бесплатно ৬৬ সূরা তাহরিম или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
এই পাঠ্যটি মূলত সূরা আত-তাহরিম থেকে নেওয়া হয়েছে, যেখানে পারিবারিক শৃঙ্খলা এবং আল্লাহর বিধানের সর্বোচ্চ গুরুত্ব আলোচনা করা হয়েছে। শুরুতে নবীজীকে (সা) উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে যে, পার্থিব সন্তুষ্টির জন্য আল্লাহর দেওয়া কোনো বৈধ জিনিস নিজের ওপর নিষিদ্ধ করা সমীচীন নয়। এরপর বিশ্বাসীদের সতর্ক করা হয়েছে যেন তারা নিজেদের পরিবারকে পরকালের কঠিন শাস্তি থেকে রক্ষা করে এবং প্রকৃত অনুশোচনার মাধ্যমে ক্ষমা প্রার্থনা করে। এখানে নূহ (আ) ও লূত (আ)-এর স্ত্রীদের দৃষ্টান্ত দিয়ে দেখানো হয়েছে যে, ব্যক্তিগত অবাধ্যতা থাকলে নবীর সান্নিধ্যও কোনো উপকারে আসে না। অন্যদিকে, ফেরাউনের স্ত্রী ও মরিয়মের (আ) উদাহরণের মাধ্যমে কঠিন পরিস্থিতিতেও মহান আল্লাহর প্রতি অবিচল আনুগত্য ও পবিত্রতা রক্ষার মহিমা তুলে ধরা হয়েছে। চূড়ান্তভাবে, এই সূত্রটি মানুষের চারিত্রিক শুদ্ধি এবং সত্যের পথে অবিচল থাকার এক ঐশ্বরিক দিকনির্দেশনা প্রদান করে। এই সূরাটি কীভাবে পারিবারিক সম্পর্কের মাধ্যমে ঐশ্বরিক আনুগত্য এবং নৈতিক দায়িত্বের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করে? সূরা তাহরিমে পারিবারিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে ঐশ্বরিক আনুগত্য এবং নৈতিক দায়িত্বের গুরুত্বকে অত্যন্ত নিবিড়ভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এর প্রধান দিকগুলো নিচে আলোচনা করা হলো: ১. আল্লাহর বিধানের শ্রেষ্ঠত্ব: সূরার শুরুতে নবী (সা)-কে সম্বোধন করে বলা হয়েছে যে, তিনি যেন তার স্ত্রীদের খুশি করার জন্য আল্লাহ যা হালাল করেছেন তা নিজের জন্য হারাম না করেন [১]। এর মাধ্যমে পরিষ্কার করা হয়েছে যে, পারিবারিক সম্পর্ক বা ভালোবাসার খাতিরে আল্লাহর দেওয়া বিধান বা সীমানাকে লঙ্ঘন করা যাবে না। পারিবারিক সন্তুষ্টির চেয়ে আল্লাহর আনুগত্য সর্বদা অগ্রগণ্য [১]। ২. পরিবারের প্রতি আধ্যাত্মিক দায়িত্ব: সূরাটিতে বিশ্বাসীদের প্রতি একটি বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে: “তোমরা নিজেদের ও নিজেদের পরিবার-পরিজনকে জাহান্নামের সেই আগুন থেকে রক্ষা করো” [৪]। এটি কেবল ব্যক্তিগত নৈতিকতার ওপর জোর দেয় না, বরং পরিবারের সদস্যদের সঠিক পথে পরিচালনা করা এবং তাদের আখেরাতের কল্যাণ নিশ্চিত করাকে একটি বড় নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে চিহ্নিত করে [৪]। ৩. পারস্পরিক বিশ্বাস ও বিশ্বস্ততা: পারিবারিক জীবনে বিশ্বস্ততা এবং গোপনীয়তা রক্ষার গুরুত্ব এখানে ফুটে উঠেছে। যখন নবী (সা) তার একজন স্ত্রীকে গোপনে কিছু বলেছিলেন এবং তিনি তা অন্যজনকে বলে দেন, তখন আল্লাহ নবীকে তা জানিয়ে দেন এবং সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন [২]। এর মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে যে, পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে নৈতিক স্খলন বা বিশ্বাসভঙ্গ হলে তা আল্লাহর কাছে জবাবদিহিতার বিষয় হয়ে দাঁড়ায় [২], [৩]। ৪. ব্যক্তিগত জবাবদিহিতা ও সম্পর্কের সীমাবদ্ধতা: পারিবারিক সম্পর্ক যে কারো মুক্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তা বোঝাতে সূরাটিতে তিনটি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে: • নূহ (আ) ও লূতের (আ) স্ত্রী: তারা মহান নবীদের স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও অবাধ্যতা ও বিশ্বাসঘাতকতার কারণে জাহান্নামবাসী হয়েছেন; তাদের স্বামীদের উচ্চ মর্যাদা তাদের কোনো উপকারে আসেনি [৭]। এটি প্রমাণ করে যে, ঐশ্বরিক আনুগত্যের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত আমলই মুখ্য, কেবল পারিবারিক পরিচয় যথেষ্ট নয় [৭]। • ফেরাউনের স্ত্রী: তিনি একজন চরম অবাধ্য ও জালেমের স্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও নিজের ইমান ও আনুগত্যের কারণে আল্লাহর কাছে জান্নাত প্রার্থনা করেছেন এবং সফল হয়েছেন [৮]। • ইমরান-কন্যা মরিয়ম: তার সতীত্ব রক্ষা এবং আল্লাহর বাণীর প্রতি পূর্ণ আনুগত্য তাকে শ্রেষ্ঠত্বের আসনে বসিয়েছে [৮], [৯]। ৫. আদর্শ চরিত্রের গুণাবলি: পারিবারিক শান্তি ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য সদস্যদের কেমন হওয়া উচিত, তার একটি তালিকা এখানে দেওয়া হয়েছে। আদর্শ সদস্যদের হতে হবে সমর্পিত, বিশ্বাসী, তওবাকারী, ইবাদতকারী এবং অনুগত [৩], [৪]। সামগ্রিকভাবে, সূরাটি শিক্ষা দেয় যে পরিবার হচ্ছে নৈতিকতা চর্চার কেন্দ্রস্থল, যেখানে প্রতিটি সদস্যকে আল্লাহর প্রতি অনুগত থেকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং মনে রাখতে হবে যে, শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকে তার নিজের কর্মের জন্য আল্লাহর কাছে দায়ী থাকবে [৫], [৬]।