У нас вы можете посмотреть бесплатно দ্য মাস্টার কি সিস্টেম | চার্লস এফ. হ্যানেল | The Master Key System | Charles F. Haanel или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
` আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন কেন কিছু মানুষ খুব সহজেই সাফল্য, ক্ষমতা এবং সম্পদ অর্জন করে, যেখানে অন্যরা কঠোর পরিশ্রম করেও ব্যর্থ হয়? আজ আমি আপনাদের কাছে এমন একটি দাবি করতে চাই যা আপনার জীবন দেখার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেবে: আপনার মনই এই মহাবিশ্বের একমাত্র স্রষ্টা এবং আপনার বর্তমান পরিস্থিতি আপনার অতীত চিন্তারই প্রতিফলন। ১৯১২ সালে প্রথম প্রকাশিত হওয়া চার্লস হানেলের "দ্য মাস্টার কি সিস্টেম" কেবল একটি বই নয়, এটি একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি যা আপনাকে শেখায় কীভাবে আপনার সুপ্ত মানসিক ক্ষমতাকে জাগ্রত করতে হয়। এটি এমন একটি সময় ছিল যখন মানুষ সবেমাত্র বিদ্যুতের শক্তি বুঝতে শুরু করেছিল, আর হানেল দাবি করেছিলেন যে মানুষের মানসিক শক্তি বিদ্যুতের চেয়েও বেশি শক্তিশালী এবং নিয়মমাফিক। আজকের দ্রুত পরিবর্তনশীল এবং অনিশ্চিত পৃথিবীতে কেন এই বইটি এত গুরুত্বপূর্ণ? কারণ আমরা এখন এমন এক যুগে বাস করছি যেখানে বাহ্যিক জগত আমাদের নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে। হানেল আমাদের মনে করিয়ে দেন যে, প্রকৃত ক্ষমতা আমাদের ভেতরেই আছে। এই বইটি আপনাকে কোনো অলৌকিক জাদুর কথা বলে না, বরং একটি "বৈজ্ঞানিক সত্য" প্রদান করে যা আপনার চিন্তার মান উন্নত করার মাধ্যমে আপনার চারপাশের বাস্তবতাকে পরিবর্তন করতে সক্ষম। চার্লস এফ. হানেল ছিলেন একজন সফল আমেরিকান ব্যবসায়ী এবং লেখক। তাঁর মূল যুক্তি বা থিসিস হলো: "মনই হলো মহাবিশ্বের সৃজনশীল শক্তি এবং আমাদের অভ্যন্তরীণ জগতই আমাদের বাহ্যিক জগতকে তৈরি করে।" তিনি বিশ্বাস করতেন যে, আমরা যদি আমাদের চিন্তাধারাকে প্রাকৃতিক নিয়মের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে পারি, তবে আমরা স্বাস্থ্য, সম্পদ এবং সুখ অর্জন করতে বাধ্য। বইটির গঠন অত্যন্ত চমৎকার এবং সুশৃঙ্খল। এটি মূলত একটি ২৪ সপ্তাহের কোর্স হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছে। হানেল পরামর্শ দিয়েছেন যে, পাঠককে সপ্তাহে কেবল একটি অধ্যায় বা "পার্ট" পড়তে হবে এবং সেখানে দেওয়া নির্দিষ্ট মানসিক অনুশীলন বা ব্যায়াম সম্পন্ন করতে হবে। তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন যে এটি কোনো উপন্যাসের মতো এক নিঃশ্বাসে পড়ার বিষয় নয়; বরং এটি একটি গভীর অধ্যয়ন এবং অনুশীলনের বিষয়। হানেলের এই সিস্টেমটি ইনডাক্টিভ রিজনিং বা অবরোহী যুক্তির ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা কোনো কিছুকে ধ্রুব সত্য বলে মেনে নেওয়ার আগে অভিজ্ঞতা এবং পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তা প্রমাণ করতে উৎসাহিত করে। এটি মূলত একটি বিজ্ঞান যা মানুষকে শেখায় কীভাবে তারা তাদের মানসিক অবস্থার দায়িত্ব নিয়ে নিজেদের ভাগ্য নিজেই গড়ে তুলতে পারে। এখন চলুন আমরা এই বিশাল সমুদ্র থেকে তিনটি হীরা খুঁজে বের করি—বইটির তিনটি সবচেয়ে প্রভাবশালী শিক্ষা। প্রথম শিক্ষা: অভ্যন্তরীণ জগত বনাম বাহ্যিক জগত (The World Within vs. The World Without) হানেলের মতে, আমাদের চারপাশে যা ঘটে তা আমাদের ভেতরে যা আছে তারই প্রতিফলন মাত্র। আমরা যখন আমাদের জীবনে অভাব বা সমস্যা দেখি, তখন আমরা সাধারণত বাইরের পরিস্থিতি পরিবর্তন করার চেষ্টা করি। কিন্তু হানেল বলছেন এটি আসলে একটি ভুল পদ্ধতি। যদি আপনি বাহ্যিক প্রভাব বা ফল (Effect) পরিবর্তন করতে চান, তবে আপনাকে এর কারণ (Cause) পরিবর্তন করতে হবে, যা কেবল আপনার "অভ্যন্তরীণ জগতে" বা আপনার চিন্তায় সম্ভব। অভ্যন্তরীণ জগতের সামঞ্জস্যই বাইরের জগতে সুশৃঙ্খল পরিবেশ এবং সাফল্য নিয়ে আসে। "বাহ্যিক জগত হলো অভ্যন্তরীণ জগতের একটি প্রতিফলন। বাইরে যা প্রকাশ পায় তা আসলে ভেতরেই আগে পাওয়া গিয়েছিল।"। আপনি যদি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে সাফল্য চান, তবে সরাসরি কঠোর পরিশ্রমের আগে আপনার মনে সাফল্যের একটি স্পষ্ট চিত্র তৈরি করুন। হানেল পরামর্শ দেন একটি নির্দিষ্ট ঘরে চুপচাপ বসে শরীরকে সম্পূর্ণ স্থির রাখা এবং মনের বিশৃঙ্খলা দূর করা। একে তিনি "মেন্টাল হাউস-ক্লিনিং" বা মানসিক ঘর পরিষ্কার করা বলেছেন, যেখানে আপনি ভয় এবং দুশ্চিন্তার মতো নেতিবাচক চিন্তাগুলো ঝেঁটিয়ে বিদায় করবেন। দ্বিতীয় শিক্ষা: সৌর জালিকা বা সোলার প্লেক্সাস—শরীরের সূর্য (The Solar Plexus - The Sun of the Body) হানেল একটি অসাধারণ জৈবিক এবং মানসিক সংযোগ তুলে ধরেছেন যা হলো সোলার প্লেক্সাস। আমাদের সচেতন মন মস্তিষ্কের মাধ্যমে কাজ করে, কিন্তু আমাদের অবচেতন মনের কেন্দ্র হলো সোলার প্লেক্সাস বা পাকস্থলীর ঠিক পেছনে থাকা স্নায়ু সমষ্টি। একে শরীরের "সূর্য" বলা হয় কারণ এটি শরীরের প্রাণশক্তি বা জীবনীশক্তি বিতরণ করে। হানেল বলছেন যে, যখন আমরা আত্মবিশ্বাসী এবং নির্ভীক থাকি, তখন এই সোলার প্লেক্সাস প্রসারিত হয় এবং পুরো শরীরে শক্তি বিকিরণ করে। কিন্তু ভয় বা দুশ্চিন্তা একে সংকুচিত করে ফেলে, যার ফলে আমাদের জীবনীশক্তি কমে যায় এবং আমরা অসুস্থ বা ব্যর্থ হয়ে পড়ি। "সোলার প্লেক্সাস হলো সেই বিন্দু যেখানে সসীম (Finite) অসীমের (Infinite) সাথে মিলিত হয়, যেখানে অদৃশ্য দৃশ্যমান হয় এবং মহাবিশ্ব ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে ওঠে।"। কোনো কঠিন কাজ বা ইন্টারভিউয়ের আগে সচেতনভাবে নিজের সোলার প্লেক্সাসের কথা ভাবুন। ইতিবাচক অ্যাফারমেশন বা দৃঢ়োক্তি ব্যবহার করুন। তৃতীয় শিক্ষা: ভিজ্যুয়ালাইজেশন এবং আকর্ষণের নিয়ম (Visualization and the Law of Attraction) এটি বইটির সম্ভবত সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী শিক্ষা। হানেল ভিজ্যুয়ালাইজেশনকে একটি ছাঁচ বা 'মোল্ড' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আপনি যা হতে চান বা যা পেতে চান, তার একটি স্পষ্ট এবং নিখুঁত মানসিক চিত্র আপনাকে মনে ধরে রাখতে হবে। এই মানসিক চিত্রটি মহাজাগতিক শক্তি বা ইউনিভার্সাল মাইন্ডের কাছে একটি সংকেত হিসেবে যায় এবং "আকর্ষণের নিয়ম" বা 'Law of Attraction' অনুযায়ী আপনার জীবনে সেই সম্পদ বা পরিস্থিতি নিয়ে আসে। কিন্তু মনে রাখবেন, এটি কেবল দিবাস্বপ্ন নয়; এর জন্য প্রয়োজন মানসিক পরিশ্রম এবং একাগ্রতা। "ভিজ্যুয়ালাইজেশন হলো মানসিক চিত্র তৈরির প্রক্রিয়া, এবং এই চিত্রটিই সেই ছাঁচ হিসেবে কাজ করে যা থেকে আপনার ভবিষ্যৎ উদ্ভূত হবে।"। নিকোলা টেসলার উদাহরণ বইটিতে দেওয়া হয়েছে। টেসলা কোনো আবিষ্কার করার আগে সেটি তাঁর কল্পনায় সম্পূর্ণ তৈরি করতেন, এমনকি সেটি ঠিকমতো কাজ করছে কি না তাও কল্পনায় পরীক্ষা করতেন।