У нас вы можете посмотреть бесплатно |দেশের অবৈধ নাগরিকদের নাগরিকত্ব রক্ষার্থে দাবী তোলেন যারা তারা করবেন দেশ ও দশের পুজো? কি বলবেন আপনি? или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর (SIR) বা সেটেলমেন্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট সংক্রান্ত বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি বেশ কিছু আইনি তৎপরতা দেখা গেছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলোর (CBI বা ED) অতি-সক্রিয়তা এবং রাজ্যের এক্তিয়ার নিয়ে এই সওয়াল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচে প্রধান দিকগুলো তুলে ধরা হলো: ১. রাজ্যের এক্তিয়ার ও যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো তৃণমূল কংগ্রেস এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে বারবার দাবি করা হয়েছে যে, রাজ্যের অনুমতি ছাড়া কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলো যেভাবে তদন্ত চালাচ্ছে, তা ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো (Federal Structure) বিরোধী। এসআইআর বা এই জাতীয় প্রশাসনিক রিপোর্টের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের সীমাবদ্ধতা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই সরব। ২. রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকারের আইনজীবীরা (যাদের মধ্যে কপিল সিব্বল বা অভিষেক মনু সিংভির মতো বরেণ্য আইনজীবীরা থাকেন) সওয়াল করেছেন যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে অনেক সময় তথ্য বা রিপোর্টকে হাতিয়ার করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মূল দাবি হলো—আইন তার নিজস্ব পথে চলুক, কিন্তু তা যেন রাজনৈতিক হাতিয়ার না হয়ে ওঠে। ৩. কেন্দ্রীয় সংস্থা বনাম রাজ্য পুলিশ সুপ্রিম কোর্টে সওয়ালের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে Section 6 of the Delhi Special Police Establishment (DSPE) Act। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আগে থেকেই সিবিআই-কে দেওয়া 'সাধারণ সম্মতি' (General Consent) প্রত্যাহার করে নিয়েছে। এসআইআর-এর মাধ্যমে পাওয়া তথ্য ব্যবহার করে রাজ্যকে এড়িয়ে তদন্ত করার বৈধতা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জোরদার আইনি লড়াই চলছে। বর্তমান পরিস্থিতি ও ফলাফল সুপ্রিম কোর্ট অনেক ক্ষেত্রেই জানিয়েছে যে, আদালতের নির্দেশে যদি কোনো তদন্ত হয়, তবে সেখানে রাজ্যের সম্মতির প্রয়োজন পড়ে না। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বিষয়টিকে সাংবিধানিক বেঞ্চে বা বৃহত্তর পরিসরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে যাতে রাজ্যের প্রশাসনিক স্বকীয়তা বজায় থাকে। আপনি কি সুনির্দিষ্ট কোনো মামলার (যেমন কয়লা পাচার বা শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি) প্রেক্ষিতে এই এসআইআর-এর বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইছেন? জানালে আমি আরও নিখুঁত তথ্য দিতে পারব।