У нас вы можете посмотреть бесплатно "আমরা চাষ করি আনন্দে" ।।অর্পিতা ঘোষ।। или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত "আমরা চাষ করি আনন্দে" একটি জনপ্রিয় গান/কবিতা, যেখানে কৃষকের কাজের প্রতি ভালোবাসা ও প্রকৃতির সাথে তাদের আত্মিক সম্পর্কের সুন্দর চিত্র ফুটে উঠেছে। কৃষকেরা রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠের পর মাঠ আনন্দে চাষাবাদ করেন, যার ফলে ধানের শিষে পুলক জাগে এবং অঘ্রানের সোনার রোদে মাঠ ভরে ওঠে। মূল বিষয়বস্তু: আনন্দে কাজের পরিবেশ: কৃষকেরা কোনো ক্লান্তি ছাড়াই পরম আনন্দে চাষের কাজ করেন। প্রকৃতির রূপ: চষা মাটির গন্ধ, বাঁশ বাগানে পাতা নড়া, এবং ধানের ক্ষেতের সবুজ প্রাণের গান এখানে প্রাধান্য পেয়েছে। ঋতুবৈচিত্র্য: রৌদ্র-বৃষ্টির খেলা এবং অঘ্রানের সোনালী ফসল প্রকৃতির অপার দান। পরিশ্রম ও উৎসব: দিনভর পরিশ্রমের পর ফসলের সমারোহে কৃষকের মনে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। কাজের আনন্দ: কৃষকরা মাঠে চাষ করাকে কোনো কঠিন বোঝা বা বাধ্যবাধকতা মনে করেন না। মুক্ত আকাশের নিচে রোদ-বৃষ্টির সঙ্গে মিতালি করে তারা আনন্দভরে কাজ করেন। প্রকৃতির রূপ: মাঠের দিগন্ত বিস্তৃত আকাশ, সোনাঝরা রোদ এবং মেঘের ছায়া মিলে এক মনোরম পরিবেশ তৈরি করে। ধানের শিষে যখন বাতাসের হিল্লোল খেলে যায়, তখন কৃষকের মন খুশিতে ভরে ওঠে। মাটির ঘ্রাণ: রোদে পোড়া মাটির সোঁদা গন্ধ এবং বৃষ্টির সজল ছোঁয়া চাষিদের কাজ করার নতুন উদ্দীপনা দেয়। প্রকৃতির এই পরিবর্তনগুলো তাদের জীবনেরই অংশ। পরিশ্রম ও তৃপ্তি: সারা দিনের হাড়ভাঙা খাটুনির পর যখন তারা বাড়ি ফেরেন, তখন ক্লান্তি নয় বরং এক ধরণের প্রশান্তি তাদের ঘিরে থাকে। বাঁশির সুরের মাধ্যমে সেই শান্তি ও তৃপ্তির প্রকাশ ঘটে। সারকথা: কবিতাটি আমাদের শেখায় যে, প্রকৃতির কোলে শ্রমের মধ্যেও গভীর আনন্দ লুকিয়ে থাকে। মানুষের পরিশ্রম যখন প্রকৃতির আশীর্বাদের (রোদ ও বৃষ্টি) সাথে মিশে যায়, তখনই সার্থক হয়ে ওঠে ফসল ফলানোর এই উৎসব।