У нас вы можете посмотреть бесплатно শিশুদের খাবারের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর উপায় - শিশুর খাবারে অরুচি или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
মেডিলাইভের ১৮৭১ তম পর্ব - শিশুদের খাবারের প্রতি আগ্রহ বাড়ানোর উপায় নিয়ে লাইভে আসবেন শাহনাজ পারভীন, নিউট্রিশন কনসাল্ট্যান্ট / সৌজন্যে - Chopstick / মিডিয়া পার্টনার - MediTalk Digital শিশুর খাবার নিয়ে মা-বাবার ভাবনার শেষ নেই। শিশুকে কোন বয়সে কোন খাবার দিতে হবে, তা নিয়ে ধারণা থাকা জরুরি। শিশুর জন্মের পর ছয় মাস পর্যন্ত শুধু বুকের দুধই একমাত্র ও আদর্শ খাবার। এসময় অন্য কোনো খাবার এমনকি পানি পান করানোরও কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। ছয় মাস পর থেকে শিশুর পুষ্টিচাহিদা পূরণে তথা স্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের জন্য বুকের দুধের পাশাপাশি পরিপূরক খাবার খাওয়ানো দরকার। তবে শিশুর দুই বছর বয়স পর্যন্ত দুধ হিসাবে মায়ের বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো দুধ বা কৌটার দুধ খাওয়ানোর দরকার নেই। মায়ের দুধে সব ধরনের খাদ্য উপাদানই থাকে। এ ছাড়া জন্মের পরপরই মায়ের স্তন থেকে যে হলুদ রঙের শালদুধ নিঃসরণ হয়, তা নবজাতকের রোগ প্রতিরোধে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে এ শালদুধ খাওয়ানো নিয়ে দ্বিধায় থাকেন। কিন্তু এ কথা স্মরণ রাখতে হবে, শালদুধই শিশুর জন্য প্রথম প্রতিরক্ষা হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মায়ের দুধ সহজপাচ্য, বিশুদ্ধ এবং এতে রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান থাকে বলে যেকোনো সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকাংশেই কমে যায়। মায়ের দুধ পানকারী শিশুর হাঁপানি, শ্বাসতন্ত্রের রোগ, স্থূলতা, টাইপ-১ ডায়াবেটিস, কানের প্রদাহ, ডায়রিয়া, বমি, সাডেন ইনফ্যান্ট ডেথ সিনড্রোম ইত্যাদির আশঙ্কা কম থাকে। যে মায়েরা শিশুকে বুকের দুধ পান করান; তাদেরও উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, স্তন ও জরায়ুর ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক কমে যায়। কিন্তু বাজারে যেসব শিশুখাদ্য পাওয়া যায়, সেগুলো মায়ের দুধের মতো এতটা সুরক্ষা দিতে পারে না। ফলে এসব ফর্মুলা দুধ পান করালে শিশু ও নবজাতকের নানা রকম রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। নবজাতককে দুধ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে কিছু বিষয়ে লক্ষ্য রাখা জরুরি। নবজাতকের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মাকে অবশ্যই সুষম খাবার খেতে হবে। প্রতিবার দুধ খাওয়ানোর আগে মাকে এক থেকে দুই গ্লাস পানি অথবা তরল খাবার খেতে হবে। দুধ খাওয়ানোর সময় কোনো রকম তাড়াহুড়া করা যাবে না। প্রশান্ত মনে ও ধৈর্যসহকারে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। মা বসে খাওয়াতে চাইলে মায়ের পিঠের পেছনে এবং কোলের নিচে বালিশ নিয়ে আরাম করে বসতে পারেন। শুয়ে খাওয়াতে চাইলে শিশুকে মায়ের দিকে পাশ ফিরিয়ে এমনভাবে শুইয়ে দিতে হবে, যেন মা হাত দিয়ে শিশুর পশ্চাদ্দেশ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারেন। শিশুর নাক যেন চাপে না পড়ে, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। প্রতিবার দুধ খাওয়ানোর সময় একটি স্তন থেকেই ভালোভাবে খাওয়াতে হবে। কারণ একই স্তন থেকে প্রথমদিকে পাতলা এবং পরে ঘন দুধ বের হয়। দুই ঘণ্টা পরপর শিশুকে বুকের দুধ দিতে হবে। তবে রাতে ঘুমানোর সময় একটানা চার ঘণ্টা বিরতি দিলেও কোনো সমস্যা নেই। কর্মজীবী মায়েরা কাজে থাকাকালীন শিশুর যাতে বুকের দুধের অভাব না হয়, সে জন্য বুকের দুধ সংরক্ষণ করতে পারেন। সে ক্ষেত্রে কাজ থেকে ফিরে যতবার শিশুকে দুধ খাওয়াবেন, ততবার স্তন থেকে দুধ পাম্প করে তা ফ্রিজে সংরক্ষণ করবেন। তবে ফ্রিজ থেকে সাথেসাথেই বের করে ঠান্ডা দুধ শিশুকে দেওয়া যাবে না। একটি পাত্রে গরম পানিতে দুধের পাত্র রেখে নেড়ে নেড়ে শিশুর খাওয়ার জন্য সহনীয় তাপমাত্রায় আনতে হবে। এ ছাড়া মা যদি করোনা সংক্রমিত হন, সেক্ষেত্রেও কিন্তু শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোয় কোনো বাধা নেই। এরকম ক্ষেত্রে মা ভালো করে সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুয়ে মাস্ক পরে শিশুকে দুধ পান করাবেন। তবে মা যদি সক্রিয় যক্ষ্মা, এইডস, হিউম্যান টি সেল লিম্ফোট্রফিক ভাইরাস ইত্যাদিতে সংক্রমিত থাকেন কিংবা কোনো মাদকদ্রব্য সেবন করেন বা ক্যান্সারের জন্য কেমোথেরাপি চিকিৎসা নেন, তাহলে শিশুকে স্তন্যদান থেকে বিরত থাকা উচিত। শিশু যদি গ্যালাক্টোসেমিয়া, ফিনাইলকিটোনিউরিয়া বা ম্যাপল সিরাপ ইউরিন ডিজিজ ধরনের জন্মগত মেটাবলিক রোগে ভোগে, তাহলেও শিশুকে মায়ের দুধ খাওয়ানো থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। এরকম ক্ষেত্রে শিশুকে বিশেষায়িত ফর্মুলা দুধ খাওয়ানো যেতে পারে। ছয় মাস থেকে এক বছর বয়সী শিশুদের মায়ের দুধের পাশাপাশি তিন বেলা বাড়তি খাবার দেওয়া প্রয়োজন। তবে এ বয়সেও শিশুর মূল খাবার মায়ের দুধ। অর্থাৎ বাড়তি খাবারের পরিমাণ হবে কম। তিন বেলা খাবারের মধ্যে দুই বেলা খিচুড়ি বা নরম ভাতের মতো একটু ভারি খাবার দেওয়া যেতে পারে। বাকি এক বেলা হালকা কোনো খাবার (ফলের রস বা নরম ফল, যেমন- কলা) দিতে পারেন। আধা সেদ্ধ ডিম, সবজির স্যুপ বা ছোট মুরগির স্যুপও শিশুর জন্য উপকারী। বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানমিশ্রিত খাবার বাইরে থেকে কিনে আনার চেয়ে ঘরেই বিভিন্ন পুষ্টিকর উপাদান দিয়ে সুস্বাদু খাবার তৈরি করে দেওয়া ভালো। এক বছরের বেশি বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে মায়ের দুধের পরিমাণ ধীরে ধীরে কমিয়ে দিতে হবে। এ বয়সে বাড়তি খাবার প্রয়োজন দিনে পাঁচবার। কোনো অবস্থায়ই শিশুকে জোর করে বেশি পরিমাণ খাবার দেওয়া ঠিক নয়। বাড়ন্ত শিশু কোনো একটি খাবার খেতে পছন্দ না করলে, সেটির পরিবর্তে একই পুষ্টিমানের অন্য খাবার দেওয়া যেতে পারে।