У нас вы можете посмотреть бесплатно সীমারেখা - কখন হ্যাঁ বলবেন, কীভাবে না বলবেন | Boundaries - When to Say Yes, How to Say No или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
` আপনি কি কখনও এমন অনুভব করেছেন যে আপনার জীবন আপনার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেই? আপনি হয়তো সারাদিন অন্যদের সাহায্য করতে করতে ক্লান্ত, কিন্তু দিনশেষে আপনার নিজের জন্য কোনো শক্তিই অবশিষ্ট থাকে না। আপনি হয়তো কোনো বন্ধুকে 'না' বলতে পারেন না কারণ আপনার ভয় লাগে সে যদি কষ্ট পায়। অথবা হয়তো আপনার কর্মক্ষেত্রে আপনার বস আপনার ওপর অতিরিক্ত কাজের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে, কিন্তু আপনি প্রতিবাদের পরিবর্তে হাসিমুখে সেটি মেনে নিচ্ছেন। যদি এই পরিস্থিতিগুলো আপনার পরিচিত মনে হয়, তবে আপনি একা নন। আমাদের আজকের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হলো হেনরি ক্লাউড এবং জন টাউনসেন্ডের কালজয়ী বই "Boundaries"। এই বইটি কেবল একটি সেলফ-হেল্প বই নয়, বরং এটি একটি মানসিক ও আধ্যাত্মিক ম্যাপ যা আমাদের শেখায় কোথায় আমরা শেষ হই এবং অন্য কেউ শুরু হয়। বইটির মূল দাবিটি বেশ সাহসী: "সীমারেখা বা বাউন্ডারি স্থাপন করা স্বার্থপরতা নয়, বরং এটি ভালোবাসার এবং দায়িত্ববোধের একটি বহিঃপ্রকাশ"। আধুনিক বিশ্বে যখন বার্নআউট, বিষণ্ণতা এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন আমাদের নিত্যসঙ্গী, তখন কেন এই বইটি পড়া বা বোঝা জরুরি, তা নিয়ে আজ আমরা বিস্তারিত আলোচনা করব। যারা নিজেদের জীবনের মালিকানা ফিরে পেতে চান, তাদের জন্য এই আলোচনাটি জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। মূল থিসিস এবং গঠন (Core Thesis & Structure) এই বইটির মূল থিসিস বা প্রধান যুক্তি হলো: আমরা আমাদের নিজেদের আত্মা বা মনের মালিক এবং রক্ষক, এবং আমাদের মানসিক ও আধ্যাত্মিক সীমানাগুলো নির্ধারণ করার দায়িত্ব একান্তই আমাদের। লেখকদের মতে, যেমন আমাদের স্থাবর সম্পত্তির চারপাশে বেড়া বা প্রাচীর থাকে যা আমাদের সীমানা নির্ধারণ করে, তেমনি আমাদের মনেরও অদৃশ্য সীমানা থাকা প্রয়োজন। লেখকরা এখানে 'মালিকানা' বা ওনারশিপের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। আপনি যদি আপনার সীমানা না চেনেন, তবে আপনি অন্যের সমস্যা নিজের ঘাড়ে তুলে নেবেন এবং নিজের দায়িত্বগুলো অবহেলা করবেন। বইটির গঠন মূলত তিনটি প্রধান ভাগে বিভক্ত: ১. বাউন্ডারি কী এবং কেন: এখানে বাউন্ডারির সংজ্ঞা, এর প্রয়োজনীয়তা এবং এটি কীভাবে গড়ে ওঠে তা আলোচনা করা হয়েছে। ২. বাউন্ডারি সম্পর্কিত দ্বন্দ্ব: পরিবার, বন্ধু, জীবনসঙ্গী, সন্তান এবং কর্মক্ষেত্রে কীভাবে সীমানা নিয়ে সংঘাত তৈরি হয় এবং তা কীভাবে সমাধান করা যায়, তা এখানে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ৩. সুস্থ বাউন্ডারি গড়ে তোলা: শেষ অংশে বাউন্ডারি স্থাপনের ক্ষেত্রে বাধাগুলো কাটিয়ে ওঠার উপায় এবং সাফল্যের মাপকাঠি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বইটি বাইবেলের শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে লেখা হলেও এর মনস্তাত্ত্বিক দিকগুলো সর্বজনীন। লেখকরা দেখিয়েছেন যে বাউন্ডারি আসলে দেয়াল নয়, বরং এটি একটি দরজার মতো যা খারাপকে বাইরে রাখে এবং ভালোকে ভেতরে আসার সুযোগ দেয়। ৩. প্রধান শিক্ষণীয় বিষয়সমূহ (Key Takeaways) এই বই থেকে তিনটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ইনসাইট নিয়ে আমরা এখন আলোচনা করব। ইনসাইট ১: 'আমার' এবং 'আমার নয়' এর মধ্যে পার্থক্য বোঝা (Me and Not Me) আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি হলো আমরা প্রায়ই বুঝতে পারি না কোন বিষয়গুলো আমাদের দায়িত্ব আর কোনগুলো আমাদের নয়। লেখকরা গ্যালিশিয়ান ৬:২ এবং ৬:৫ এর উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন যে আমাদের অন্যদের 'বোঝা' (বড় সমস্যা যা তারা একা বইতে পারে না) বহন করতে সাহায্য করা উচিত, কিন্তু প্রত্যেকের উচিত তার নিজের 'ঝুলি' (দৈনন্দিন দায়িত্ব) নিজেই বহন করা। সমস্যা তখন তৈরি হয় যখন আমরা অন্যের ঝুলি নিজেদের কাঁধে তুলে নিই, ফলে তারা দায়িত্বজ্ঞানহীন হয়ে পড়ে এবং আমরা ক্লান্ত হয়ে যাই। "সীমারেখা আমাদের সংজ্ঞায়িত করে। তারা নির্ধারণ করে আমি কী এবং আমি কী নই। একটি বাউন্ডারি আমাকে দেখায় আমি কোথায় শেষ হয়েছি এবং অন্য কেউ কোথায় শুরু হয়েছে।" আপনার যদি এমন কোনো বন্ধু থাকে যে সবসময় আর্থিক সমস্যায় থাকে কারণ সে টাকা অপচয় করে, তাকে প্রতিবার টাকা দিয়ে উদ্ধার করা তার জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর। এখানে আপনার বাউন্ডারি হবে তাকে টাকা না দিয়ে বরং কীভাবে বাজেট করতে হয় তা শিখতে উৎসাহিত করা। ইনসাইট ২: বাউন্ডারি সমস্যার চারটি ধরণ (Four Types of Boundary Problems) আমরা কেন বাউন্ডারি দিতে পারি না বা অন্যের বাউন্ডারি মানি না, তার চারটি ধরণ লেখকরা চিহ্নিত করেছেন। ১. কমপ্লায়েন্ট (Compliant): এরা খারাপ বিষয়কে 'না' বলতে পারে না। ২. অ্যাভয়ডেন্ট (Avoidant): এরা ভালো বিষয়কে 'হ্যাঁ' বলতে পারে না বা সাহায্য নিতে ভয় পায়। ৩. কন্ট্রোলার (Controller): এরা অন্যের সীমানা সম্মান করে না। ৪. নন-রেসপন্সিভ (Nonresponsive): এরা অন্যের প্রকৃত প্রয়োজন শুনতে বা সাড়া দিতে ব্যর্থ হয়। "অস্থির বা অস্পষ্ট বাউন্ডারি থাকা মানুষেরা অন্যদের চাহিদা ও চাপের কাছে নতি স্বীকার করে... তারা মূলত ভয়ে 'হ্যাঁ' বলে।" আপনার কর্মক্ষেত্রে কোনো কলিগ যদি আপনার ওপর তার কাজ চাপিয়ে দেয় এবং আপনি যদি একজন 'কমপ্লায়েন্ট' হন, তবে আপনি ভয়ে তা মেনে নেবেন। কিন্তু সুস্থ বাউন্ডারি থাকলে আপনি বলতে পারবেন, "দুঃখিত, আজ আমার হাতে অনেক কাজ আছে, আমি তোমার কাজে সাহায্য করতে পারব না"। ইনসাইট ৩: বপন এবং কর্তনের আইন (The Law of Sowing and Reaping) এটি বাউন্ডারির প্রথম আইন। আপনি যা রোপণ করবেন, তাই কাটবেন। কেউ যদি দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ করে, তবে তাকে তার পরিণাম ভোগ করতে দেওয়া উচিত। যখন আমরা কাউকে তার ভুলের পরিণতি থেকে বারবার রক্ষা করি, তখন আমরা আসলে তার শেখার প্রক্রিয়াটি বাধাগ্রস্ত করি। "কাউকে তার আচরণের প্রাকৃতিক পরিণতি থেকে উদ্ধার করা মানে তাকে ক্ষমতাহীন করে দেওয়া।" বইটিতে বিলের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, যার বাবা-মা তার সব খরচ চালাতেন এবং সে ড্রাগ ও অলসতায় ডুবে ছিল। লেখক বিলের বাবা-মাকে পরামর্শ দিলেন বিলকে আর সাহায্য না করতে, যাতে সে দারিদ্র্যের তিক্ত স্বাদ পায় এবং নিজের জীবন বদলাতে বাধ্য হয়। যদি আপনি এমন কেউ হন যিনি সবসময় ক্লান্ত অনুভব করেন, যার মনে হয় তাকে সবাই ব্যবহার করছে, কিংবা আপনি আপনার সন্তান বা সঙ্গীর সাথে সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখতে হিমশিম খাচ্ছেন—তবে এই বইটি আপনার জন্য বাধ্যতামূলক।