У нас вы можете посмотреть бесплатно ৫৬ সূরা ওয়াকিয়া или скачать в максимальном доступном качестве, видео которое было загружено на ютуб. Для загрузки выберите вариант из формы ниже:
Если кнопки скачивания не
загрузились
НАЖМИТЕ ЗДЕСЬ или обновите страницу
Если возникают проблемы со скачиванием видео, пожалуйста напишите в поддержку по адресу внизу
страницы.
Спасибо за использование сервиса ClipSaver.ru
সূরা ওয়াকিয়া: অবিনশ্বর সত্যের মহাবার্তা এই পাঠ্যটি মূলত সূরা আল-ওয়াকিয়ার প্রেক্ষাপটে কেয়ামতের ভয়াবহতা এবং পরকালে মানুষের তিনটি ভিন্ন পরিণতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করে। এতে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, বিচার দিবসে মানুষকে তাদের আমল অনুযায়ী অগ্রগামী, ডানপন্থী এবং বামপন্থী—এই তিন দলে বিভক্ত করা হবে। সৎকর্মশীল ও বিশ্বাসীরা জান্নাতের চিরস্থায়ী সুখ ও অকল্পনীয় নেয়ামত লাভ করবেন, অন্যদিকে সত্য অস্বীকারকারীরা যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি ভোগ করবেন। উৎসটি সৃষ্টির রহস্য, যেমন—জীবন, মৃত্যু, বৃষ্টি ও আগুন নিয়ে ভাবনার আহ্বান জানিয়ে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ও অসীম ক্ষমতা প্রমাণ করে। সবশেষে, পবিত্র কোরআনের অকাট্য সত্যতা নিশ্চিত করে মহান প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাশরের ময়দানে মানুষের কর্মফলের ভিত্তিতে নির্ধারিত তিনটি প্রধান দলের পরিচয় ও পরিণতি কী? সোর্সগুলোর বর্ণনা অনুযায়ী, হাশরের ময়দানে বা মহাবিচারের দিনে মানুষের কর্মফলের ভিত্তিতে তাদের তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হবে [২]। এই দলগুলোর পরিচয় ও পরিণতি নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো: ১. অগ্রগামী দল (আস-সাবিগুন): • পরিচয়: এই দলের মানুষেরা দুনিয়ার জীবনে বিশ্বাস ও সৎকর্মে সবার চেয়ে অগ্রগামী ছিলেন [২]। তারা সবসময় আল্লাহর কাছাকাছি ছিলেন এবং আখেরাতেও তাঁর নৈকট্যপ্রাপ্ত হয়ে থাকবেন [২, ৩]। • পরিণতি: তারা নেয়ামতে পরিপূর্ণ জান্নাতে অবস্থান করবেন [২]। সেখানে তারা স্বর্ণখচিত আসনে মুখোমুখি হয়ে হেলান দিয়ে বসবেন এবং চিরকিশোররা তাদের সেবায় নিয়োজিত থাকবে [২, ৩]। তারা পছন্দমতো সুস্বাদু ফলমূল, পাখির মাংস এবং এমন পানীয় পাবেন যা পান করলে মাথা ধরবে না বা মাতলামি হবে না [৩, ৪]। পুরস্কার হিসেবে তাদের সাথে থাকবে উজ্জ্বল মুক্তার মতো পবিত্র দৃষ্টিসম্পন্ন সঙ্গিনীরা এবং সেখানে তারা শুধু 'শান্তি! শান্তি!!' ধ্বনি শুনতে পাবেন [৪]। ২. ডানপাশের দল বা সত্যানুসারী (আসহাবুল মাইমানাহ): • পরিচয়: যারা দুনিয়ায় সত্যের অনুসারী ছিলেন এবং সৎপথে চলেছেন, তারাই এই দলভুক্ত [২]। তারা অত্যন্ত সুখী ও ভাগ্যবান হিসেবে চিহ্নিত হবেন [২, ৫]। • পরিণতি: এই দলের জন্য থাকবে কাঁটাহীন কুলগাছ, কাঁদি কাঁদি কলা, দীর্ঘস্থায়ী ছায়া এবং প্রবহমান ঝর্না [৫]। তারা প্রচুর ফলমূল লাভ করবেন যা কখনো ফুরিয়ে যাবে না [৫]। তাদের জন্য থাকবে উঁচু আসন এবং বিশেষভাবে সৃষ্টি করা প্রেমময় ও সমকক্ষ সঙ্গিনীরা [৫, ৬]। মৃত্যুর মুহূর্তেও তাদের শান্তিতে অবগাহন করার সুসংবাদ দেওয়া হবে [১৫]। ৩. বামপাশের দল বা পাপিষ্ঠ ও সত্য অস্বীকারকারী (আসহাবুল মাশআমা): • পরিচয়: যারা অন্যায় ও অসত্যে জীবন অতিবাহিত করেছে এবং পাপে ডুবে ছিল, তারা এই দলের অন্তর্ভুক্ত [২]। তারা দুনিয়ায় ভোগবিলাসে মত্ত থাকতো, বারবার বড় গুনাহে লিপ্ত হতো এবং পরকাল ও পুনরুত্থানকে অস্বীকার করতো [৭]। • পরিণতি: তারা চরম অসুখী ও দুর্ভাগা হবে [২, ৬]। তাদের জন্য থাকবে তপ্ত বাতাস, ফুটন্ত পানি এবং কালো ধোঁয়ার ছায়া, যা মোটেও আরামদায়ক হবে না [৬]। খাদ্য হিসেবে তারা 'যাক্কুম' নামক বিষাক্ত গাছ খাবে এবং তৃষ্ণার্ত উটের মতো উত্তপ্ত পানি পান করবে [৮]। তাদের আবাস হবে প্রজ্বলিত অগ্নি বা জাহান্নাম [১৬]। সহজভাবে বোঝার জন্য একটি উপমা দেওয়া যেতে পারে: বিষয়টি অনেকটা একটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার ফলাফলের মতো; যেখানে মেধাবীরা (অগ্রগামী দল) বিশেষ সম্মান ও ভিআইপি সুবিধা পায়, যারা সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়েছে (ডানপাশের দল) তারা সাধারণ পুরস্কার ও আরামদায়ক জীবন পায়, আর যারা পরীক্ষায় অকৃতকার্য বা নিয়ম ভঙ্গ করেছে (বামপাশের দল), তারা কঠোর শাস্তি ও লাঞ্ছনার শিকার হয়।